বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

যুদ্ধে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি কত?

যুদ্ধে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি কত?

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার মধ্যে ৬০টি বিমানসহ প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের বরাতে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। প্রতিবেদনে বলা হয়, নাম প্রকাশ না করার শর্তে সক্রিয় দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষয়ক্ষতির কিছু ছবি সরবরাহ করেন। ছবিগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক অবস্থানে হামলার ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে।

মোতায়েন থাকা একজন মার্কিন সেনাসদস্য বলেন, ‘আমাদের ঘাঁটিগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি, যা মার্কিন জনগণের কাছে জানানো হয়নি। আমরা যেন চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছি।’

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটির একটি ছবিতে বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানের পেছনের অংশে সরাসরি হামলার চিহ্ন দেখা যায় বলে জানিয়েছে সিবিএস নিউজ। ছবিতে বিমানটির পোড়া মূল কাঠামো থেকে লেজের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে দেখা গেছে।

ওই বিমানঘাঁটির আরও কিছু ছবিতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও ব্যারাকের পাশাপাশি কংক্রিটের ‘টি-ওয়াল’ প্রতিরোধক দেখা যায়। এসব দেয়াল মূলত গ্রেনেড ও মর্টারের মতো হামলা থেকে সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়।

কুয়েতের ক্যাম্প বিউরিংয়ের ছবিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে। এটি মার্কিন সেনাসদস্য, সাঁজোয়া যান এবং কিছু বিমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশস্থল।

এসব ছবি প্রকাশের সময়ই মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শক ইরান যুদ্ধের কারণে সরঞ্জাম ক্ষতির পরিমাণ সর্বোচ্চ ৩৭০ কোটি ডলার (৩.৭ বিলিয়ন ডলার) বলে উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এর মধ্যে ৬০টি বিমানও তালিকায় রয়েছে বলে জানানো হয়।

কংগ্রেসে দেওয়া বাধ্যতামূলক প্রতিবেদনে মহাপরিদর্শক জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরানি হামলা হয়েছে।

ইরাকের শুয়াইবা বন্দরে ১ মার্চের হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘স্কোয়ার্টার’ বা ছোটখাটো অনুপ্রবেশকারী শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। এ বিষয়ে ওই সেনাসদস্য বলেন, এগুলো কোনো ‘স্কোয়ার্টার’ হামলা ছিল না। আমরা এসব ঘাঁটি রক্ষা করছি না। আমরা শুধু দেখছি, এগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

ঠিকানা/এনআই

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz