বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বিজ্ঞাপন
​আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬

বিশ্বজুড়ে তরুণদের সমসুযোগ ও অংশীদারত্ব নিশ্চিতের আহ্বান জাতিসংঘের

বিশ্বজুড়ে তরুণদের সমসুযোগ ও অংশীদারত্ব নিশ্চিতের আহ্বান জাতিসংঘের

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ছবি : সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
বিশ্বজুড়ে তরুণ সমাজের সৃজনশীলতা, গতিশীলতা ও অসামান্য নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বজুড়ে তরুণদের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে তাদের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। এ বছর আন্তর্জাতিক যুব দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ভিন্ন প্রেক্ষাপট, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা’।

জাতিসংঘের বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধির পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব উল্লেখ করেন, ভৌগোলিক বা সাংস্কৃতিক ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের তরুণদের মূল চাওয়া এক—মর্যাদাপূর্ণ জীবন, সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং উপযুক্ত সুযোগ।

বিশ্বব্যাপী সংকট ও সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন

বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্ম বেশ কিছু জটিল ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে উল্লেখ করে জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্তায় বলা হয়, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ডিজিটাল বৈষম্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সংকটগুলো কোনো নির্দিষ্ট দেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। তাই এই বড় সংকটগুলো মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

ভবিষ্যতের দক্ষতা অর্জনে জোর

ইতোমধ্যে তরুণরা সামাজিক সংগঠক ও উদ্ভাবক হিসেবে বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তবে তাদের এই সম্ভাবনাকে পূর্ণতা দিতে সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং ডিজিটাল সাক্ষরতার মতো ভবিষ্যতের উপযোগী দক্ষতায় তরুণদের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সিদ্ধান্ত গ্রহণে তরুণদের অংশগ্রহণের তাগিদ

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, ‘তরুণদের কেবল সুবিধাভোগী নয়, বরং সমান অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।’ স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তরুণদের আরও বড় ভূমিকা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এর মাধ্যমে ‘জনসংখ্যাগত লভ্যাংশ’ কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়।

মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আরও বলেন, বিশ্বের তরুণদের যে বিষয়টি ঐক্যবদ্ধ করে, তা তাদের বিভাজনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। জাতিসংঘ বিশ্বজুড়ে তরুণদের অধিকার, বিনিয়োগ ও অন্তর্ভুক্তির দাবিতে সবসময় পাশে থাকবে এবং এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে প্রতিটি প্রজন্ম সুন্দরভাবে বিকশিত হতে পারে।

ঠিকানা/এএস 

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz