আমি চলেই যাব জেনেও
শোকে মুহ্যমান হবে না মালতীর লতা
থরে থরে সাজানো বাগানবিলাস,
ইউক্যালিপটাসের ঝিরিঝিরি পাতাটা।
বকুলের সময় হলেই ঝরে যায় ধুলোয়
কেবলই অযত্নে অবহেলার বিষণ্নতায়,
কে কখন রেখেছে মনে তার বেদনাটা?
তেমনি সময় আসছে খুব দ্রুত ধেয়ে;
যেন তৈরি হই সাত চব্বিশের ঘণ্টার
তিনশত পঁয়ষট্টির হিসাবের মতোই।
কোন এক নিঃসৃত নিঃসঙ্গ জোছনায়
সমান্তরাল রেললাইনে স্তবক রেখে;
গাঢ়তর সবুজ ঘাসে বিছিয়ে দেহখানা—
জলে ভরা জোড়া দিঘির আলোড়িত
নিষ্পাপ অভিমানের ক্ষয়ে পড়া রেত!
হুইসেলের তীব্র শব্দের উৎস
খুঁজে অধীর অপেক্ষায়!
এক...দুই...তিন...চার...।
হুতুমপ্যাঁচা কি কথা বলে নক্ষত্রের সাথে?
ডায়াজিপাম, ক্লোবামের অপার মাদকতার মোহজাল ভেঙে—
কী করে ভাঙি শব্দের নির্ভুলতম প্রেম?
ঠোঁটের বাঁকের কষ ঘেষে নেমে
সফেদ বিস্ময়েরা স্পর্শ করে
কোজাগরী রাতের খয়েরি সোঁদা ঘ্রাণ।
প্রত্যুষের বিলোল স্তম্ভিত সমীকরণ
পিঁপড়ের ঝাঁকের অনিকেত বিস্ময়ে,
নিখুঁত বলয়ে জড়িয়ে রাখে
আলুথালু দিখণ্ডিতা রক্তাক্ত দেহের
মধ্যবয়সী প্রৌঢ়ার হারমানা অহংকার।
নিউজটি শেয়ার করুন