কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠাল ইরান, জুড়ে দিল ৭ শর্ত
ঠিকানা অনলাইন
প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫
•
অনলাইন সংস্করণ
তারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি নতুন পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে ওয়াশিংটন আগে তেহরানের দেওয়া সাত দফা দাবি পূরণ করলেই কেবল এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। জ্যেষ্ঠ এক ইরানি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ওই কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তবে প্রস্তাবের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর দুই দেশের সংঘাত আবারও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে লড়াই বন্ধে তোড়জোড় বাড়িয়েছেন মধ্যস্থতাকারীরা।
ভোটের পর সামরিক অভিযান ফের শুরুর সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে যুদ্ধ আবার শুরু হলে আরও বড় পরিসরে পাল্টা আঘাত হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাশিয়া সফরকালে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহসেন রেজাই বলেন, “কূটনীতির বিষয়ে আমরা আমেরিকানদের সাতটি শর্ত দিয়েছি। যতদিন তারা আমাদের এই সাত শর্ত বাস্তবায়ন না করবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না এবং কোনো আলোচনাতেও বসব না।”
ইরানের মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে–মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছাড় এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
বিপরীতে ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনো শর্ত পূরণ নয়, বরং যে কোনো প্রাথমিক আলোচনার সূচনাতেই পারমাণবিক প্রকল্পের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান।
পরে লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের তীব্র সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।
সম্প্রতি এই সংঘাতের বিস্তার ঘটেছে ইয়েমেনেও। সেখান থেকে ইরানঘনিষ্ঠ হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে।