সেশেলস, সিঙ্গাপুর, মন্টেনিগ্রো ও গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ ম্যাচে এসে আর পারল না অনূর্ধ্ব-১৫ দলের ফুটবলাররা। আজারবাইজানের বাকুতে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের টায়ার ‘ই’র ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। তাতে ১৮৯ দেশের এই প্রতিযোগিতায় ১৩০তম হয়ে অভিযান শেষ করেছে।
ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিরোধ ভেঙে দিতে খুব বেশি সময় নেয়নি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। ১৪ মিনিটে মোইয়ের গোলে এগিয়ে যাওয়ার চার মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেনেল। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ২৩ মিনিটে তাকিবের গোলে ব্যবধান কমায় বাংলাদেশ। কিন্তু তিন মিনিটের ব্যবধানে আবারও গোল হজম করতে হয়। নিজের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান ৩-১ করেন মোই। প্রথমার্ধের শেষ দিকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পথ আরও কঠিন করে দেন তিনি। বিরতির আগেই স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-১।
দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেও সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের রক্ষণে ফাটল ধরাতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দলকে। টায়ার ‘ই’র শিরোপা যায় সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের হাতে।
ফাইনালে হেরে গেলেও টুর্নামেন্টের শেষ পর্বে বাংলাদেশের পথচলা ছিল উল্লেখযোগ্য। ৩২ দলের নকআউট পর্বে সেশেলসকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে শুরু হয় তাদের জয়যাত্রা। শেষ ষোলোয় সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও নির্ধারিত সময়ে নিষ্পত্তি হয়নি ম্যাচ। টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। সেখানে মন্টেনিগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর সেমিফাইনালে গ্যাবনকে হারায় ১-০ গোলে।
এই পর্যায়ে আসার আগে অবশ্য পথটা সহজ ছিল না। ছয় দলের কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে পঞ্চম হয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত নকআউট পর্বে টানা চার জয় তুলে ফাইনালে জায়গা করে নেয়।