বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

আইনের মধ্যে ‘হত্যা করার অধিকার’ পুলিশের আছে: তথ্য উপদেষ্টা

আইনের মধ্যে ‘হত্যা করার অধিকার’ পুলিশের আছে: তথ্য উপদেষ্টা

বিজ্ঞাপন
পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশের যে আইনের মাধ্যমে থেকেই ‘হত্যা করার অধিকার’ আছে, সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
সেই সঙ্গে তিনি এও বলেছেন, পুলিশ বিক্ষোভ দমনে বিগত সরকারের মত অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করুক, বর্তমান বিএনপি সরকার তা চায় না।

মঙ্গলবার সচিবালয় এক ব্রিফিংয়ে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।

একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবিতে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে সরকার আওয়ামী লীগের সম্পৃক্ততার কথা বলছে। যারা আন্দোলন করছে, তাদের ‘বেশিরভাগ কিশোর গ্যাংয়ের মত’। তাহলে সরকার কেন তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না?

জবাবে উপদেষ্টা বলেন, কোনো অস্থিরতা সরকার কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, তার একটি ‘নতুন সংস্কৃতি’ তৈরি হয়েছে।

“আমি আগে একদিন বলেছিলাম, বাংলাদেশের পুলিশ কখনো শেখ হাসিনার পুলিশের মত আর হবে না, আমরা এটা প্রত্যাশা... আমি নাগরিক হিসেবে বলছি, আমি সরকারে থাকা মানুষ হিসেবে বলছি না।
“এর মধ্যেও সোশাল মিডিয়াতে আপনারা হয়ত দেখেছেন, কোথাও কোথাও ডিসপ্রপোরশনেট বল প্রয়োগের মতো ঘটনা ঘটেছে। আমি সরকারে থেকেই কথাটা বলছি।”

জাহেদ উর রহমান বলেন, “পুলিশের বল প্রয়োগ করার আইনি অধিকার আছে। পুলিশের আত্মরক্ষার অধিকারে মধ্যে কাউকে হত্যা করার অধিকার আছে যদি সেই ধরনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয় আইনি অধিকারের মধ্যে।

“কিন্তু যে কথাটা বারবার বলছি, সেটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং প্রপোরশনেট বল প্রয়োগ। তো আমরা চেয়েছি যে আগে যেভাবে এগুলো দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে এই সরকার সেটা ওভাবে চাইছে না।”

এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “আমরা কিশোর গ্যাং বলি বা অন্য কাউকেই বলি না কেন, এরা এই রাষ্ট্রের নাগরিক। যখন তারা আসছেন, গোয়েন্দা তথ্য আছে এবং সেটা নিয়ে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলেছেন এটা কীভাবে হচ্ছে, এটার পুরো সবকিছুই সেই বাহিনীর কাছে আছে।

“কিন্তু আমরা এটাকে এমনভাবে করতে চাই যেন এটা জনগণের উপরে খুব কম ক্ষয়ক্ষতি হয়, খুব কম সমস্যা হয়, সেভাবেই করতে চাই।”

‘খুব অল্প সময়ের মধ্যেই’ শ্রমিক বিক্ষোভের শেষ হবে–এমন আশা প্রকাশ করে উপদেষ্টা বলেন, “প্রাথমিকভাবে কিন্তু রিয়েল শ্রমিকরাও মাঠে নেমেছিলেন, কারণ তাদের কিছু ন্যায্য দাবি ছিল। এখন যেহেতু কমিশন তৈরি হয়েছে, আমরা আশা করি তারা যদি আর মাঠে না নামেন, তখন আসলে অন্য যে কেউ নেমে এই কাজটা করা সহজ হয় না।

“এটার নিয়মটা কী? একটা প্রেক্ষাপট তৈরি করতে হয়। আমাদের গার্মেন্টস কর্মীরা নেমেছেন সেটার ভেতরে থেকে কেউ এই কাজটা করছে। তারা না নামলে আর এই সমস্যা হবে না।”

ঠিকানা/এসআর

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz