মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী • তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন চিন্তাভাবনা কেন? • কনি আইল্যান্ডে ‘কস্ট অব লিভিং ক্ল্যাসিক’ ফুটবল টুর্নামেন্ট • নিউইয়র্ক সিটির ৩ হাজার গাড়িতে থাকবে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি • স্ন্যাপ ও মেডিকেইড সুবিধা ধরে রাখতে নিউইয়র্ক সিটির নতুন ওয়েবসাইট • ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হলেও ইউক্রেনে সামরিক অভিযান থামবে না : রাশিয়া • জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি • যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের • তীব্র সমালোচনার মুখে ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদর দপ্তর • টেলিটকের ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

রান্নাঘর ঝাড়ু দিচ্ছিলেন, ফোনে এল নোবেল জয়ের খবর

রান্নাঘর ঝাড়ু দিচ্ছিলেন, ফোনে এল নোবেল জয়ের খবর

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
চলতি বছর (২০২৬) সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন কানাডার প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি অ্যান কারসন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সুইডিশ একাডেমি নতুন লরেট বা বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে। প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যকে আধুনিক রূপে নতুন ও অনন্য প্রকাশভঙ্গিতে তুলে ধরার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

নোবেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, যখন অ্যান কারসনকে সাহিত্যের সবচেয়ে বড় এই পুরস্কার অর্জনের খবর জানাতে ফোন করা হয়, তখন তিনি নিজ রান্নাঘর ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। ৭৬ বছর বয়সী এই সাহিত্যিক বর্তমানে আইসল্যান্ডে বসবাস করছেন এবং ২০০৮ সালে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন।

আইসল্যান্ডের পাবলিক ব্রডকাস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নোবেল কমিটি একাধিকবার ফোন করলেও তিনি তা ধরেননি। পরবর্তীতে স্বামীর কথায় তিনি কলব্যাক করলে জীবনের অন্যতম সেরা এই সংবাদটি জানতে পারেন। উল্লেখ্য, তিনি ২০২৪ সালে জানিয়েছিলেন যে তিনি স্মৃতিভ্রম রোগে ভুগছেন।

১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্ম নেওয়া অ্যান কারসন ১৯৮১ সালে ক্লাসিকসের ওপর তার ডক্টরিয়াল থিসিস প্রকাশ করেন। তার সাহিত্যকর্মে শব্দের নিখুঁত গভীরতা এবং প্রাচীন গ্রিকের সঙ্গে আধুনিক ভাষার এক অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায়।

অনুবাদ ও পুনর্নির্মাণ : প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের বিভিন্ন বইয়ের তার করা অনুবাদগুলো একেকটি স্বতন্ত্র শিল্পকর্ম হিসেবে সমাদৃত। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাপফোর অসমাপ্ত কবিতার বই ‘ইফ নট, উইন্টার’ (২০০২) এবং ইউরিপিডিসের নাটক ‘বাক্খাই’ (২০১৫)।

বিখ্যাত গ্রন্থসমূহ : ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত তার সংকলন ‘গ্লাস আয়রনি অ্যান্ড গডের’ অন্তর্গত ‘দ্য গ্লাস অ্যাসে’ এবং ১৯৯৮ সালের পদ্যে লেখা উপন্যাস ‘অটোবায়োগ্রাফি অব রেড : এ নোবেল ইন ভার্স’ তাকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি এনে দেয়।

নতুন ধারার সৃষ্টি : লেখার গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে গিয়ে তিনি ২২টি ছোট পুস্তিকার সংকলন ‘ফ্লোট’ (২০১৬) এবং মঞ্চে উপস্থাপনা উপযোগী ভিন্ন ধারার টেক্সট সংকলন ‘রং নর্মা’ (২০২৪) সৃষ্টি করেছেন। এ ছাড়া অভিনেতা, নৃত্যশিল্পী ও থিয়েটার পরিচালকদের সঙ্গে যৌথ কাজের মাধ্যমে তিনি বৈশ্বিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছেন।

১৯০১ সাল থেকে শুরু হওয়া নোবেল  ১১৮তম বারের মতো সাহিত্যে এই পুরস্কার প্রদান করা হলো। এ পর্যন্ত মোট ১২২ জন সাহিত্যিক নোবেল লাভ করেছেন, যার মধ্যে ১৮ জন নারী।

ঠিকানা/এনআই

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

 
© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz