বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডের কাছে ৭ গোলে বিধ্বস্ত ক্রোয়েশিয়া

ইংল্যান্ডের কাছে ৭ গোলে বিধ্বস্ত ক্রোয়েশিয়া

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
উয়েফা নেশন্স লিগে ক্রোয়েশিয়াকে তাদেরই মাটিতে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে ইংল্যান্ড। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে এইচএনকে রিজেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের জালে একের পর এক গোল উৎসব করে টমাস টুখেলের দল। হ্যারি কেইন এবং বুকায়ো সাকার জোড়া গোল এবং জুড বেলিংহামের ৩টি অ্যাসিস্টের ওপর ভর করে রেকর্ড এই জয় তুলে নেয় থ্রি লায়ন্সরা।

ফুটবল ইতিহাসে এটিই ক্রোয়েশিয়া জাতীয় দলের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। এর আগে ২০১৮ সালে স্পেনের কাছে ৬-০ গোলে হেরেছিল তারা।

ক্রোয়েশীয় সমর্থকদের বর্ণবাদী আচরণজনিত শাস্তির কারণে ম্যাচের জন্য দর্শক নিষিদ্ধ করেছিল উয়েফা। তবে বিশেষ নিয়মে স্টেডিয়ামে প্রায় ৬,২০০ স্থানীয় শিশুকে উপস্থিত থাকার সুযোগ দেওয়া হয়। গ্যালারিতে এই ক্ষুদে দর্শকদের সামনে পুরো ৯০ মিনিটে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগের দাপটে খড়কুটোর মতো উড়ে যায় ক্রোয়েশিয়া।

৮ মিনিটে জস্কো গভার্দিওলের ভুল পাস মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণে নেন মার্ক গেহি। তার থেকে পাওয়া বল বক্সে বাড়ান জুড বেলিংহাম, যা থেকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

২১ মিনিটে সাকার ক্রস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অ্যান্থনি গর্ডন ছয় গজের বক্সে দারুণ পাসে বল পাঠান বেলিংহামের দিকে। সেখান থেকে ব্যবধান ২-০ করেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

৩৯ মিনিটে  রাইট-ব্যাক জ্যারেল কোয়ানসার চমৎকার মাপা ক্রসে হেডের মাধ্যমে লক্ষ্যভেদ করেন গর্ডন।

প্রথমার্ধের অন্তিম মুহূর্তে কেইনের শুরু করা পাল্টা আক্রমণ ধরে বেলিংহামের নিখুঁত পাসে ম্যাচের চতুর্থ গোলটি করেন বুকায়ো সাকা।

দ্বিতীয় অর্ধের শুরুতেই এলিয়ট অ্যান্ডারসনের নিচু ক্রস থেকে স্লাইডিং ফিনিশে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পক্ষে পঞ্চম গোলটি আদায় করেন কেইন (জাতীয় দলের হয়ে এটি কেইনের ৮৯তম গোল)।

৬৮ মিনিটে কেইনের বাড়ানো বল ধরে ক্রোট রক্ষকদের পরাস্ত করে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন সাকা।

৮৭ মিনিটে বেলিংহামের চমৎকার থ্রু বল ধরে বিকল্প হিসেবে নামা মরগান রজার্স প্রতিপক্ষের জালে শেষ পেরেকটি ঠোকেন।

তরুণ মিডফিল্ডার অ্যালেক্স স্কটের একাদশে অভিষেক ম্যাচেই মাঝমাঠে প্রতিপক্ষ ৪১ বছর বয়সী লুকা মদরিচকে পুরো ব্যাকফুটে ঠেলে দেন বেলিংহাম, স্কট ও অ্যান্ডারসনরা। টুখেলের অধীনে এটিই ইংল্যান্ডের সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন ছিল। এই জয়ের ফলে নেশন্স লিগের গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে নিজেদের অবস্থান শক্ত করল ইংল্যান্ড।

ঠিকানা/এনআই

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz