রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনার পরিচয় ‘সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী’: আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনার পরিচয় ‘সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী’: আইনমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে ‘সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত পেতে ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে হোটেল হলিডে ইনে ‘বিচারিক কার্যক্রমে শুদ্ধাচার’ বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এক সাংবাদিক বলেন, ভারতে শেখ হাসিনা বন্দি হিসেবে নন, বরং রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে আছেন।

জবাবে মন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, “আমার কাছে উনি অপরাধী। আমাদের ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী। এটা হলো আমাদের কাছে তার পরিচয়।”

ভারত তাকে কীভাবে দেখছে, সেটি তাদের বিষয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সেটা তারা কী বলছেন, তাদের বললে তো হবে না। আমার রাষ্ট্রের কাছে ওপেন আদালতে বিচার হয়েছে।

“আপনারা যখন এই প্রশ্নটা করছেন, তাহলে তার আগে চিন্তা করেন আপনারা—১৪০০ মানুষ কি মারা যায়নি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে? ৩০ হাজার মানুষ কি পঙ্গু হয়নি? ন্যায়বিচারে কোনো রকম ঘাটতি রাখা হয়েছে? বিচার প্রক্রিয়ায় কি আমরা ক্যামেরা ট্রায়াল করেছি? সাক্ষী কি সাক্ষী দেয়নি?”

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, “শেখ হাসিনার বিষয়ে আইনগতভাবে যা যা করণীয়, সেটা আমরা ডিউ প্রসেসে করছি। সেখানে আমাদের আইনসংগতভাবে ডিল করা হবে।

“আমরা যখন কোনো পদক্ষেপ নেব, এখানে ইমোশনের কোনো বিষয় নেই। বিষয়টা হলো আমি আমার আইনটাকে প্রয়োগ করব।”
এ বিষয়ে ভারত সরকারের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, “এটা ভারত সরকারের ব্যাপার। এক্সট্রাডিশন চুক্তির আওতায় আমরা তাদের কাছে রিকোয়েস্ট করেছি।

“তারা আমাদেরকে হ্যান্ডওভার করলে আমরা তাকে ডিউ প্রসেসে যেভাবে আইনের আওতায় সোপর্দ করা দরকার, সেভাবে করব।”

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সরকার নতুন কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত সব উদ্যোগ ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে।

অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় অধস্তন আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করার পর তার বিরুদ্ধে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, “যখন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছে, নিশ্চয়ই এটা ডিউ প্রসেসেই আছে।

“যখন এটা সমাপ্ত হবে, হয় তার বরখাস্ত প্রত্যাহার হবে; অথবা যেটা কনসিকোয়েন্স আছে, সেটা হবে।”

আগামী ১৯ মে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার করা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ঘিরে বাংলাদেশের প্রত্যাশা কী, এমন প্রেশ্ন আসাদুজ্জামান বলেন, “ন্যায়বিচার। আদালতের সামনে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি গণহত্যা প্রমাণিত হয়, নিশ্চয়ই তার বিচার হবে। এটাই চায় বাংলাদেশ।”

ঠিকানা/এসআর
বিজ্ঞাপন

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz