প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:২০
•
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আর দলীয় প্রতীক থাকছে না। আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের সব পর্যায়ের নির্বাচন নির্দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদে বিভিন্ন প্রতীক বরাদ্দ করেছে ইসি। গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তা প্রকাশ করা হয়। ইসির ওয়েবসাইটেও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা প্রকাশিত রয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চেয়ারম্যান পদে ২০টি, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১০টি এবং সাধারণ সদস্য পদে ১২টি প্রতীক রাখা হয়েছে।
সাধারণ সদস্য পদের জন্য রয়েছে—উট, কাপ-পিরিচ, ঘুড়ি, জাহাজ, টর্চ লাইট, টিউবওয়েল, ট্রাক্টর, তালা, ফুটবল, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক বাল্ব ও মোরগ।
সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের প্রতীকগুলো হলো—আলমারি, কলস, ড্রেসিং টেবিল, পালকি, ফলের ঝুড়ি, মাইক, সেলাই মেশিন, সূর্যমুখী ফুল, হরিণ ও হেলিকপ্টার।
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনীর মাধ্যমে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য প্রার্থীদের ৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হবে। কোনো প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
এ ছাড়া স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের সম্পদের হিসাব দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে। প্রার্থীর নিজের পাশাপাশি দেশে ও বিদেশে থাকা সম্পদ এবং নির্ভরশীলদের সম্পদের বিবরণও দিতে হবে।
নির্বাচনী ব্যয়ের সীমাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর ব্যয়সীমা ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইসির সাম্প্রতিক প্রকাশনায় স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনসংক্রান্ত ২০২৬ সালের আচরণবিধিমালার গেজেটও রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন—সব ক্ষেত্রেই নতুন আচরণবিধিমালা প্রকাশ করেছে কমিশন।