নৌকা স্থগিত রেখে ১২০ প্রতীক চূড়ান্ত, যুক্ত হলো ‘না’ ভোট
ঠিকানা অনলাইন
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৩
•
অনলাইন সংস্করণ
ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮’ সংশোধন করে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত বিধিমালায় বহুল ব্যবহৃত ‘নৌকা’ প্রতীক স্থগিত রেখে সংসদ নির্বাচনের জন্য মোট ১২০টি প্রতীক সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো আসনে একক প্রার্থী থাকলে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে ব্যালটে ‘না’ প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর ৯৪ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কমিশন এই সংশোধনী এনেছে। সংশোধিত বিধিমালার ৯ নম্বর বিধির ১ নম্বর উপবিধির পরিবর্তে নতুন বিধান প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিধির অন্যান্য শর্ত সাপেক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা স্থগিতকৃত প্রতীক ব্যতীত নির্ধারিত তালিকা থেকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করবেন।
নির্বাচনী আর্থিক লেনদেন ও ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রেও নিয়মে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তফসিল-১ এর ফরম-১ এর তৃতীয় অংশে প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি প্রার্থীর নিয়োজিত নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহারের সুযোগ যুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামার বিধানেও সংশোধন আনা হয়েছে। নতুন নিয়মে প্রার্থীর স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান এবং অন্যান্য নির্ভরশীলদের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করে তা ‘ঐচ্ছিক’ হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনি জটিলতা এড়াতে ফৌজদারি মামলার তথ্যের ক্ষেত্রে ‘অভিযুক্ত’ শব্দের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সংযোজন করা হয়েছে। নতুন ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘অভিযুক্ত’ বলতে কেবল সেই আসামিকে বোঝাবে, যার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ বা চার্জ গঠন করা হয়েছে।