মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ :
• শেষ মুহূর্তের প্রচারে ট্রাম্পবিরোধিতায় জোর লেটিশিয়া জেমসের • ট্রাম্প প্রশাসনকে মামলার হুঁশিয়ারি মামদানির • বিনা বিচারে কাউকে আটকে রাখা ঠিক নয় • ফ্লোরিডায় আছড়ে পড়ল জেট বিমান, নিহত ৯ • মিশিগানে ভোটের আগে ডেমোক্র্যাট নেতার দলবদল, পাল্টে যাচ্ছে হিসাব-নিকাশ • কাল মধ্যবর্তী নির্বাচন, কী অপেক্ষা করছে ট্রাম্পের ভাগ্যে? • মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেলো সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন • মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড : তিন সপ্তাহেও সৌদির জবাব পায়নি ঢাকা • একমাত্র মেসির ভোট পেয়ে যা বললেন মাজা • যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতি স্বীকার নয়, আলোচনায় সমাধান চান পেজেশকিয়ান

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

বিজ্ঞাপন
​জুলাই-যোদ্ধাদের খুনের মিশনে কাদের-মায়া

আ.লীগের পরে জামায়াতের বিচার

আ.লীগের পরে জামায়াতের বিচার

বিজ্ঞাপন
জাতীয় সংসদের ‘মেসি বা ম্যারাডোনা’ কে? প্রশ্নের জবাবে বলা হচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। এই রিপোর্ট লেখার সময়ে আমেরিকা সফরে আছেন তিনি। ঢাকা ছাড়ার আগে জাতীয় সংসদ কাঁপিয়ে গেছেন। বলেছেন আওয়ামী রাজনীতি মূলত শেষ। বাংলাদেশে দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে। আর দিল্লিতে দলটির দাফন হয়েছে। অচিরেই সন্ত্রাসী দল হিসেবে বিচার শুরু হচ্ছে। তাতে স্থায়ীভাবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে আশা করি।
একই সময়ে নিউইয়র্কে আছেন আওয়ামী নেতা শামীম ওসমান। নারায়ণগঞ্জে উচ্চারিত  ‘খেলা হবে’ শ্লোগানের প্রবক্তা। অনেকের ধারণা, তিনি আবার নতুন খেলায় নেমেছেন। কারণ দলের পক্ষে নতুন খেলার ঘোষণা এসেছে। ভারত থেকে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উচ্চকিত। দেশ-বিদেশের নেতা-কর্মীদের
প্রতি সহিংসতার ঘোষণা দিয়েছেন। বলেছেন, খুনের বদলে খুন, ফাঁসির বদলে ফাঁসি। চোখের বদলে চোখ, রক্তের বদলে রক্ত।
একদিন পর ঐ বক্তব্যই রাখেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধাও। দলে উগ্রপন্থী নেতা হিসেবে চিহ্নিত। এখন পলাতক, তবে দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ত। গদ ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৭তম বার্ষিকী পালনে ভূমিকা রাখেন। ঐদিন দেশের নানা স্থানে ঝটিকা মিছিল হয়। ককটেল ফুটানোর ঘটনাও ঘটে। এসবের নেপথ্যে জনাব মায়া জড়িত বলে জানা যায়।
তুরাগ নদে ছাত্রলীগ কর্মীদের লাশ ভেসেছে। সংঘবদ্ধভাবে হত্যাকান্ডটি ঘটানো হয়। অনেকের মতে, ঘটনাটি আত্মঘাতী। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য ষড়যন্ত্র। কাদের-মায়া’র সন্ত্রাসী নির্দেশনা নিয়ে সমালোচনাও উঠেছে। আওয়ামী লীগ নেতা রাশেক রহমান বিদেশ থেকে ভাষ্য দিয়েছেন। বলেছেন, সাধারণ সম্পাদক শিশুতোষ ঘোষণা দিয়েছেন। কোন দায়িত্ব-জ্ঞানের পরিচয় দেননি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি না বুঝে অযথা ডাক দিচ্ছেন।
ডাক দেওয়ার আগে নিজস্ব অবস্থান বোঝা উচিত। ঢাক-ঢোল-তলোয়ারহীন অবস্থান ওনার। অথচ হত্যার বদলে হত্যা-জিঘাংসার সারহীন ঘোষণা দিচ্ছেন। উল্লেখ্য আওয়ামী লীগ কোষাধ্যক্ষ আশিকুর রহমানের সন্তান রাশেক রহমান।
৭ জুলাই সাভারে এনসিপি’র সভায় ককটেল নিক্ষেপিত হয়েছে। রাত ৮টায় পথসভায় তরুণ নেতা-কর্মীরা সমবেত হন। নিরাপত্তায় পুলিশের তৎপরতা ছিলো যথাযথ। কিন্তু বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় নতুন সন্দেহ দানা বাঁধছে। ককটেল নিক্ষেপের সময়েই কেনো বিদ্যুৎ চলে গেলো? এনসিপি প্রধান নাহিদ ইসলাম দোষ চাপান সরকারের বিরুদ্ধে। বলেন, এমন অপঘটনায় সরকার পক্ষই দায়ী।
পরদিন পুলিশ দু’জন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে। তথ্যমতে, উভয়ে আওয়ামী লীগ/ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। নূরুল ইসলাম (৫৫) যুবলীগের সাবেক সভাপতি। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে পৈতৃকবাস। অপরজন সজীব (৩২), সাভার আনন্দপুর ছাত্রলীগ নেতা।
গোয়েন্দাদের ধারণা, কাদের-মায়া কানেকশনে এমন ঘটনা। ‘ফাঁসির বদলে ফাঁসি, রক্তের বদলে রক্ত’ প্রকল্প চালু হয়েছে। সামনে অনেককিছু ঘটতে পারে, জাতি সাবধান!

ভিসা-সুবিধায় ভারতে জড়ো
হচ্ছেন সন্ত্রাসী নেতারা
২৮ জুন ২০২৬ থেকে ভারত ভিসা প্রদান শুরু করেছে। প্রথম শ্লটেই প্রায় সোয়া লাখ আবেদনকারী। ভারতীয় হাইকমিশন এ বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে জানা যায়. অধিকাংশজন আওয়ামী পরিবারের। নিরাপদ মনে না করে দেশ ছাড়ছেন। অনেকে ভারত হয়ে অন্যদেশে পাড়ি জমাবেন। তবে একটি অংশ রাজনীতিতে ভূমিকা রাখবেন। ভারতে জড়ো করা হচ্ছে আওয়ামী যোদ্ধাদের। সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণের পর ফেরৎ পাঠানো হবে দেশে। সহিংস রাজনীতির পক্ষে ভূমিকা রাখবেন ক্যাডাররা। অ্যাডভেঞ্চার-প্রিয় তারুণ্যশক্তি তাতে সাড়া দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ক্যাডারদের প্রধান টার্গেট জুলাই-যোদ্ধা।

আওয়ামী লীগের পরে
জামায়াতে’র বিচার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে আওয়ামী লীগের দাফন-কাফন হচ্ছে। এতে আওয়ামী লীগের তৃণশক্তি ভুগছে চরম হতাশায়। সন্ত্রাসীদের সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পায় ছাত্রলীগ। ২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে তারা ছিলো উগ্র ভূমিকায়। জাতিসংঘের হিসাবে প্রায় ১৪০০ জন খুন। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ভূমিকার বিচার শুরু হবে শীঘ্রই।
আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে জামায়াতের একাংশ বিরক্ত। তাদের ধারণা, ২০৩১-এ জামায়াত মহীরুহ হবে। পরবর্তী নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করবে...। কিন্তু বিএনপি তা হতে দিতে চায় না। তাই আওয়ামী লীগের আদলে জামায়াতের’ও বিচার করবে। দুটি পয়েন্ট-এ জামায়াত বিপদাপন্ন হতে পারে। প্রথমত ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র। তাতে পরাজিত পক্ষ মানে জামায়াত-এর অবস্থান বিতর্কিত। পাকিস্তান ও অকজিলিয়ারী ফোর্স-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই অক্জিলিয়ারী ফোর্স মানেই ছাত্রসেনা, জামায়াত।
১৯১৩-এর আইসিটি আদালতও একটি রায়ে জামায়াতকে অবৈধ বলেছে। সচেতন মহলও বিষয়টি নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে। ফলে, প্রতিপক্ষ জামায়াতকে ঠেকাতে বিচার প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি চলছে। সময় হলেই বিষয়টি আলোর মুখ দেখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

 
© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz