আগামী ৩ নভেম্বর মঙ্গলবারের নির্বাচনে বাংলাদেশী কমিউনিটির ভোট চেয়েছেন নিউইয়র্কে অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস। গত ২১ অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশী অধ্যুষিত কুইন্সের জ্যামাইকার একটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ভোট প্রার্থীনা করেন। ‘বাংলাদেশি কমিউনিটি মিট অ্যান্ড গ্রিট’ শীর্ষক ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানে একমাত্র বক্তা ছিলেন লেটিশিয়া জেমস। এসময় কমিউনিটির নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস বক্তব্য রাখার পর অনুষ্ঠানের মডারেটর নবীর কয়েকটি প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দেন। এময় তিনি বলেন, অভিবাসীদের অধিকার রক্ষাই তার প্রশাসনের প্রধান কাজ ও লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমরা নিউইয়র্ক সিটিসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে নানা অন্যায়-অবিচার দেখছি। অনেকের স্ন্যাপ, মেডিকেড কেড়ে নেয়া হচ্ছে। সম্মিলিতভাবে এইসব প্রতিরোধ করতে হবে। আর এজন্য ভোট কেন্দ্রে আসতে হবে এবং ভোট দিতে হবে। তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকান সকল ভোটারসহ তাদের প্রতিবেশী ও বন্ধু-বান্ধবদের তাকে সহ ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থীদের ভোট দেয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘এক একটি ভোট সকলের ভয়েস এবং পাওয়ার’।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি কমিউনিটি ‘গ্রোয়িংআপ কমিউনটি’। ভোটের মাধ্যমে সিটি এবং ষ্টেট পলিসি পরিবর্তনে এই কমিউনিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
লেটিশিয়া জেমস বলেন, আমরা নিউইয়র্ক সিটির স্কুলে ফি ফুড-এর ব্যবস্থা করেছি। আগামীতে স্টেটওয়াইজ স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ফুড বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে সিটিতে ফি ফুড বিতরণ কর্মসূচীও অব্যাহত থাকবে।
তিনি হাউজিং সমস্যা এবং আইস-এর হয়রানী সহ যেকোন সমস্যায় তার অফিসে যোগাযোগ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের সময় আইস বা কোন ন্যাশনাল গার্ড কোন সমস্যা করবে না। প্রয়োজনে তিনি তার অফিসের প্রটেকশন হটলাইন-এ যোগাযোগ করারও আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সালেহ আহমেদ, সেকিল চৌধুরী, রেজাউল করীম চৌধুরী, খন্দকার তারিকুল ইসলাম, শাহারিয়ার রহমান, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, জে মোল্লা সানী, বিলাল চৌধুরী, ফিরোজ কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।