ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তার নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও ৮৯ মিনিটে কামাদার গোলে শেষ পর্যন্ত নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান।
প্রথমার্ধ গোলশূন্য ব্যবধানে শেষ হওয়ার পর চারটি গোলই হয়েছে পরের অর্ধে। ৫১ মিনিটে ডাচ অধিনায়ক ভার্জিন ফন ডাইকের গোল শোধ করেন জাপানের কেইতো নাকামুরা। ৬৪ মিনিটে সামারভিলের গোলে ডাচরা আবারও এগিয়ে গেলে কামাদার গোলে শেষ পর্যন্ত ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে এশিয়ার দলটি।
এর আগে ১-১ সমতা ফেরার পর ৬৪ মিনিটে নেদারল্যান্ডসের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন ক্রিসেনসিও সামারভিল। তবে হাল ছাড়েনি জাপান। সমতায় ফিরতে লড়াই চালিয়ে যায়। ‘জাপান যে কখনো হাল ছাড়ে না’- এটা তারা আবারও প্রমাণ করল।