কেবলই অপেক্ষা;
কিসের এত তাড়া?
যেতে তো হবেই যদি-
না গেলেই কি নয়?
না হয় এবেলা রয়ে’ই গেলাম,
তারপর?
বিবস্নানের অন্তিম নীরবতায়?
অপেক্ষায় কাঁদার কেউ,
আছে নাকি বলো?
তা কবে আসবে সে?
কী করে বলি বলো?
নক্ষত্রের পথ ধরে যেতে চাও বুঝি?
নক্ষত্রেরা একদিন মরে যায়;
জীবনানন্দ বলেছিল
আক্ষেপের সুরে একদিন;
সে বুঝি তুমি জানোনি কভু?
প্রত্যুষ আমায় কথা দিয়েছিল
মায়াঘর, সংসার বলে
কেঁদো নাকো যেন আর,
ও ঘর তোমার ছিল নাকো কভু-
আলো-আঁধারীর নীরব নিভৃতে
যাব নিয়ে তোমায় একদিন।
যেয়ো না এভাবে সময়ের আগে!
কী যে বলো না তুমি!
কতটা খোঁজ রেখেছ হৃদয়ের ক্ষতে?
এ বিরান ভূমিতে কতটা পথ
দিয়েছি পাড়ি ভীষণ একাকী হয়ে।
তুমি মৃত্যুবর সে কিন্তু জানি আমি
নিয়ো না আমায় তুমি ঝিঁঝি সুরের তানে
রাতের আকাশে চিরচেনা পথ;
হয়ে যাবে ভীষণ অচেনা আমার।
প্রত্যুষেই হোক গন্তব্যের যাত্রা
যেতে চাই এই মায়ার শহর ছেড়ে,
এখানে জীবনের কোনো স্পন্দন নেই।
শুদ্ধ আত্মার সুবাস কই?
আপনজনের বড়’ই আকাল
আপন ছাড়া কখনো ঘর হয় নাকি?