শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশো

জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে ককরোচ আন্দোলনের মিল আছে

জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে ককরোচ আন্দোলনের মিল আছে

ছবি ঠিকানা

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশে চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে ভারতে চলমান ককরোচ আন্দোলনের অনেক মিল আছে। বিশেষ করে দুটো দেশেই তরুণরা এগিয়ে এসেছে। এমন মন্তব্য করছেন সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এখানে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসকের মধ্যে মানুষকে হেয় করে কথা বলার প্রবণতা ছিল। বিজেপি সরকারের মধ্যে একটা ভাব আছে, তাদের কেউ হটাতে পারবে না। এখন তো মনে হচ্ছে মোদির গদি নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে।’

‘তেলাপোকা বলার কারণে ভারতে এত বড় একটি দল হয়ে গেছে। বাংলাদেশে যদি ফার্মের মুরগি বলার কারণে কোনো দল তৈরি হয়, তাহলে আমি অবাক হবো না’, যোগ করেন অধিকারকর্মী ও লেখক ফরিদা আখতার।

২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাভিন মুরশিদ। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। সমসাময়িক রাজনীতি, কূটনীতি, সরকার ও প্রশাসনের বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন দুই অতিথি।

বিগত কয়েক বছরে দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে গণআন্দোলনে সরকারের পতন ঘটেছে। এ বিষয়টি সামনে আনলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক ড. নাভিন মুরশিদ। তার ভাষ্যমতে,  প্রথমে শ্রীলঙ্কা, পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ ও নেপাল, এরপর ভারত কি না- এমন আলোচনা সব সময়ই ছিল। জেন-জির সব আন্দোলনেই মিল থাকে। ভারতে সেটা সরকার পতনের দিকে যায় কি না, তা এখন দেখার বিষয়।

‘বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলনের বিরোধীরা ষড়যন্ত্রের কথা বলত, আমেরিকান ডলারের কথা বলত। ডলারের কথা ভারতের আন্দোলনের বিষয়েও বলা হচ্ছে। ষড়যন্ত্রের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সরকারকে মনে রাখতে হবে, ষড়যন্ত্রে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় আসে না। তাই তাদের কথা অবশ্যই সরকারকে শুনতে হবে’, বলেন ড. নাভিন মুরশিদ।

ড. ইউনূসের সঙ্গে আমেরিকার ডেমোক্র্যাট শাসকদের ভালো সম্পর্ক ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সেই সম্পর্ক ছিল না। এই ঘাটতি পূরণে সরকারে ড. খলিলুর রহমানকে যুক্ত করা হয়। এ বিষয়টি কিন্তু প্রথমে টের পাওয়া যায়নি, পরে স্পষ্ট হয়েছে- মন্তব্য করেন বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি আরও বলছেন, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিসহ সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চায় বিএনপি সরকার। সে কারণে ড. খলিলকে তারা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখার ক্ষেত্রে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, এমনকি ড. ইউনূসও একই নীতিতে বিশ্বাসী, কেউ আলাদা কিছু নন, মনে করেন তিনি।

এদিকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করেছে দলটি। তবে তার যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সেখানে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার যে অধিকার, তা লঙ্ঘনের প্রবণতা রয়েছে। বিশেষ করে, গোপন ক্যামেরা লাগিয়ে কিছু রেকর্ড করা একধরনের অপরাধ। তবে একজন এমপিকেও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। এ ছাড়া এই ঘটনায় একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের প্রতি একজন ব্যক্তি অন্যায় করেছেন। সমাজও তার প্রতি অন্যায় করে যাচ্ছে। তাই মেয়েটির অধিকারের বিষয়টি সবার আগে বিবেচনা করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

ঠিকানা/এনআই

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz