রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ :
• মধ্যবর্তী নির্বাচন : ৭ অঙ্গরাজ্যে কঠিন পরীক্ষায় ট্রাম্পের দল • ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইটের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হচ্ছে • টাকার লোভে আ.লীগ নেতাদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপির কিছু লোক : মির্জা আব্বাস • সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের রাস্তায় পেলে গ্রেপ্তার করা হবে • ফাইনালে রান তাড়ার বিশ্ব রেকর্ড গড়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান • সাবেক সিআইডি প্রধানের গাড়িচাপায় মুমূর্ষু রিকশাচালক, গাড়ি জব্দ • ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ জনতার দরবারে অভিশংসিত • ডিজে পার্টি-কাণ্ডে সেই অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত • জামায়াতের লংমার্চ ফেরত বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে ২০ নেতাকর্মী আহত • স্থানীয় সরকার নির্বাচন জামায়াত-এনসিপি আলাদাভাবে করবে : সারজিস

রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে ডেঙ্গুর পিক সময় : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে ডেঙ্গুর পিক সময় : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, দেশব্যাপী গতকাল থেকেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। আমরা আশঙ্কা করছি চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ এবং অক্টোবরের শুরুর দিকে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
 
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার আয়োজিত এক সেমিনারে ডা. এম এ মুহিত এসব কথা বলেন।
 
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসব্যাপী জনসচেতনতামূলক অভিযান শুরু করা হবে। এতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। ঘরবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জনসচেতনতা ও লার্ভা ধ্বংসের কার্যক্রম চালাবে।
 
ডা. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের দুটি লক্ষ্য— আক্রান্তের সংখ্যা কমানো এবং মৃত্যুর হার কমানো। এ জন্য ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
 
ডা. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর পিক সময়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা, স্যালাইন ও পরীক্ষার কিটের সংকট এড়াতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমান রোগীর হার অনুযায়ী পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন মজুত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গুর জন্য নির্ধারিত শয্যাও চালু করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজনে অন্যান্য শয্যা পুনর্বিন্যাস করে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে।
 
বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও ডেঙ্গুর পিক সময়ে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে এ সময়ে অযৌক্তিকভাবে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ানো যাবে না এবং হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা রাখতে হবে।
 
ঠিকানা/এসআর

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

 
© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz