বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ :
• পরকীয়ায় বাধা, দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ • সুর নরম ট্রাম্পের, ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে তৈরি • বন্ধুকে হত্যার দায়ে কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড • কক্সবাজারে ভাড়া বাসা থেকে স্পা কর্মীর মরদেহ উদ্ধার • ৭ নভেম্বর বিএনপির শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান • মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে বিশ্বনেতাদের প্রতিক্রিয়া • ৫ কারণে ট্রাম্পের দলের ভরাডুবি • ইলন মাস্কের ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারেও রক্ষা হলো না রিপাবলিকানদের • যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের নতুন ইতিহাস: বিজয়ী অন্তত সাত আইনপ্রণেতা • যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ছয় প্রার্থীর বিজয়

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

​৬৯০ বন্দি এখনো পলাতক, তথ্য নেই ১৬৬ জনের : কারা মহাপরিদর্শক

​৬৯০ বন্দি এখনো পলাতক, তথ্য নেই ১৬৬ জনের : কারা মহাপরিদর্শক

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের কয়েকটি কারাগার ভেঙে পালিয়ে যাওয়া ৬৯০ জন বন্দি এখনো পলাতক বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। তিনি বলেন, তাদের মধ্যে ১৬৬ বন্দির তথ্য খুঁজে পাচ্ছে না কারাগার কর্তৃপক্ষ। ১৮ আগস্ট (মঙ্গলবার) দুপুরে রাজধানীর বকশীবাজার কারা অধিদপ্তরে সমসাময়িক ঘটনা ও কারা অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের তিনি এ কথা বলেন।

কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘২০২৪ সালে ২২৪৭ বন্দি কারাগার ভেঙে পালিয়ে গিয়েছিল। এর মধ্যে ৬৯০ বন্দি এখনো পলাতক। নরসিংদী কারাগার ভেঙে পালিয়েছিল ৮২৬ বন্দি। এর মধ্যে নরসিংদী কারাগারের ১৬৬ বন্দির ডাটা আমরা পাচ্ছি না।’

তিনি জানান, কারাগার থেকে নয়জন জঙ্গি বন্দি পালিয়েছিল। তার মধ্যে ছয়জন এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বাকি তিনজন পলাতক।

কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও অধিক বন্দি কারাগারে রয়েছে। যে কারণে আবাসন একটা বড় সমস্যা। বর্তমান যে অবস্থা তাতে জঙ্গিদের আলাদা করে রাখা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল শুধু কারাগার পরিচালনা করা নয়; বরং এমন একটি আধুনিক সংশোধনমূলক সেবা গড়ে তোলার ভিত্তি তৈরি করা, যেখানে নিরাপত্তার পাশাপাশি বন্দিদের সংশোধন ও পুনর্বাসন এবং কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাগত মর্যাদা, দক্ষতা ও কল্যাণ সমান গুরুত্ব পাবে।

গত ২৪ জুন থেকে ময়মনসিংহ জেলা কারাগারকে ‘ক্যাশলেস’ কারাগার হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর ফলে কারাগারগুলোয় আরও বেশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কারা প্রশাসনের কার্যক্রম গতিশীল করতে সদর দপ্তর ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।’

দীর্ঘদিনের জনবল সংকট নিরসনের উদ্যোগের বিষয়ে কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘এরই মধ্যে এক হাজার ৮৯৯টি নতুন পদ অনুমোদন করা হয়েছে। আরও এক হাজার ৫০০টি পদের চাহিদা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক, মেধাভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

‘প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ফলে অনিয়ম ও দালাল চক্রের সুযোগ কমানোর পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ে ভুয়া পরীক্ষার্থী শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। কারা বিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতাকেই প্রধান বিবেচনা করা হবে।’

মোতাহের হোসেন বলেন, ‘অতিরিক্ত বন্দির চাপ কমানো এবং কারাগারের ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বাড়াতে নতুন কারাগার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে দুটি কেন্দ্রীয় কারাগার ও আটটি জেলা কারাগার চালু করা হয়েছে।’

ঠিকানা/এএস 

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

 
© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz