সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন
চারতলা ভবনে উন্নীত হচ্ছে, বাড়ছে নামাজ ও ধর্মীয় শিক্ষার পরিসর; রমজানের আগেই কাজ শেষ করার প্রত্যাশা

জেএমসির বিশেষ ফান্ডরেইজিংয়ে অভূতপূর্ব সাড়া, এক রাতেই প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ

জেএমসির বিশেষ ফান্ডরেইজিংয়ে অভূতপূর্ব সাড়া, এক রাতেই প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ

জেএমসির বিশেষ ফান্ডরেইজিংয়ে অভূতপূর্ব সাড়া, এক রাতেই প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ। ছবি-ঠিকানা

বিজ্ঞাপন
নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও দানশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের (জেএমসি) বিশেষ তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে। কুইন্সের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রতীক্ষিত সম্প্রসারণ প্রকল্প সম্পন্ন করতে এক রাতেই প্রায় ১০ লাখ মার্কিন ডলারের অনুদান ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মুসলিম কমিউনিটির সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও যুগোপযোগী ইসলামিক সেন্টার গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকেরা।

গত ২৪ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের ইস্ট এলমহার্স্টে অবস্থিত লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্ট ম্যারিয়ট হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় জেএমসির বিশেষ ফান্ডরেইজিং ডিনার। এতে নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, মুসলিম কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, সমাজসেবী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের চলমান সম্প্রসারণ প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ এবং প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় কমিউনিটির অংশগ্রহণ আরও জোরদার করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় বক্তা শেখ উসমান বিন ফারুক। অতিথি বক্তা হিসেবে অংশ নেন ইসলামি গবেষক শেখ ড. জাকির আহমেদ, জেএমসির পরিচালক ইমাম শামসি আলী এবং প্রধান ইমাম মাওলানা আবু জাফর বেগ।

জেএমসির সাধারণ সম্পাদক ও কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান তুহিন, সভাপতি ডা. নাজমুল এইচ খান, সহসভাপতি ও ফান্ডরেইজিং কমিটির চেয়ারম্যান আফতাব মান্নান এবং সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকৌশল কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বক্তারা মসজিদ নির্মাণ, ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজে দানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, ইসলামি বিশ্বাসে মসজিদ নির্মাণ ও দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে আর্থিক সহযোগিতা সদকায়ে জারিয়ার অন্যতম মাধ্যম। এ ধরনের উদ্যোগের সুফল বর্তমান প্রজন্মের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ভোগ করতে পারে।

আয়োজকেরা বিশেষভাবে নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য নিরাপদ, শিক্ষামূলক ও ধর্মীয় পরিবেশ গড়ে তুলতে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সম্প্রসারণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত দাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জেএমসির কর্মকর্তারা বলেন, কমিউনিটির সম্মিলিত সহযোগিতাই এ প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ পথচলার মূল শক্তি। অতীতের মতো এবারও প্রবাসীদের আন্তরিক অংশগ্রহণে চলমান প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের চলমান সম্প্রসারণ প্রকল্প শুধু বিদ্যমান ভবনের সংস্কার নয়; এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া সম্প্রসারণকাজের আওতায় বিদ্যমান দ্বিতল ভবনটি চারতলায় উন্নীত করা হচ্ছে। প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন তৃতীয় ও চতুর্থ তলা যুক্ত হওয়ার ফলে ভবনে আরও প্রায় ৫ হাজার ৬৫০ বর্গফুট জায়গা সংযোজিত হবে। এতে ভবনের মোট আয়তন দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার বর্গফুট।

দীর্ঘদিন ধরে মুসল্লিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষত জুমার নামাজ, রমজান ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে স্থানসংকুলানের সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে জেএমসি কর্তৃপক্ষকে। সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এ সংকট অনেকাংশে দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা হলো বিদ্যমান দ্বিতীয় তলা থেকে হিফজ শিক্ষার কার্যক্রম নতুন তৃতীয় তলায় স্থানান্তর করা। এর ফলে দ্বিতীয় তলায় অতিরিক্ত প্রায় ১৮০ জন মুসল্লির নামাজ আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি নতুন পরিসরে কোরআন ও ইসলামি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, শিশু-কিশোরদের পাঠদান এবং তরুণদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক আয়োজনের সুযোগ বাড়বে।

জেএমসির সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় ভবনের ব্যবহারিক সুবিধা ও অবকাঠামোগত আধুনিকায়নকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন তলা সংযোজনের পাশাপাশি বিদ্যমান ভবনের বিভিন্ন অংশের সমন্বয়, অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং চলাচলের সুবিধা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে লিফটের মাধ্যমে বিভিন্ন তলায় যাতায়াতের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে, যাতে প্রবীণ মুসল্লি এবং চলাচলে অসুবিধার সম্মুখীন ব্যক্তিরা সহজে ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন।

নতুন ভবনের পরিকল্পনায় মুসল্লিদের প্রয়োজনের পাশাপাশি নারী, শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের জন্য উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। সম্প্রসারণ সম্পন্ন হলে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার শুধু অধিকসংখ্যক মুসল্লির নামাজ আদায়ের স্থান হিসেবেই নয়, বরং ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক যোগাযোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমের আরও কার্যকর কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। পুরো প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রবাসী মুসলিম কমিউনিটির অনুদানের ওপর নির্ভর করছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রকল্পের প্রাথমিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কাজ শুরু হলেও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি এবং নির্মাণব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন দেখা দেয়। এ কারণে অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে বিশেষ তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় জেএমসির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও নির্বাহী কমিটি।

গত ১২ অক্টোবর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেএমসি কর্তৃপক্ষ প্রকল্পের অগ্রগতি ও অর্থসংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে জানায়, নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে আরও প্রায় ২০ লাখ ডলারের প্রয়োজন রয়েছে।

এদিকে শনিবারের বিশেষ ফান্ডরেইজিং ডিনারে পাওয়া যায় প্রায় ১০ লাখ ডলারের অনুদান ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি। এই সাড়া প্রকল্পের অর্থসংগ্রহ কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

জেএমসির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার ঠিকানাকে জানান, প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে আরও প্রায় ১৫ লাখ ডলারের প্রয়োজন রয়েছে। শনিবারের অনুষ্ঠানে কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রয়োজনীয় অর্থসংগ্রহ এবং অবশিষ্ট নির্মাণকাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে গেলে আগামী পবিত্র রমজান শুরুর আগেই সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

নিউইয়র্কের বাংলাদেশি ও বৃহত্তর দক্ষিণ এশীয় মুসলিম কমিউনিটির ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের নাম। ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আগামী বছরগুলোতে অর্ধশতাব্দীর ঐতিহ্য বহনকারী একটি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। শুরুতে সীমিত পরিসরে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকলেও প্রবাসী মুসলমানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ধাপে ধাপে এর পরিধি বৃদ্ধি পায়। নব্বইয়ের দশকে বর্তমান স্থানে নতুন মসজিদ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৯৭ সালের জানুয়ারিতে আল-মামুর মসজিদ ভবনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ভবনের সম্প্রসারণ, পার্শ্ববর্তী সম্পত্তি ক্রয় এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম সংযোজনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আরও সমৃদ্ধ হয়েছে।

বর্তমানে কুইন্সের জ্যামাইকার ৮৫-৩৭, জেএমসি ওয়েতে (১৬৮ স্ট্রিট) অবস্থিত জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার স্থানীয় মুসলিম কমিউনিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার জামাতের পাশাপাশি কোরআন শিক্ষা, হিফজ কার্যক্রম, ধর্মীয় আলোচনা এবং বিভিন্ন বয়সের মানুষের জন্য শিক্ষামূলক আয়োজন পরিচালিত হয়।

জেএমসির অধীনে পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে আল-মামুর স্কুল, জামিয়া কোরআনিয়া একাডেমি, উইকেন্ড ইসলামিক স্কুল এবং ইকরা লাইব্রেরি। ২০০১ সালে শুরু হওয়া হিফজ শিক্ষার কার্যক্রম পরবর্তী সময়ে জামিয়া কোরআনিয়া একাডেমি নামে পরিচিতি পায়। অন্যদিকে ২০০৩ সালে আল-মামুর স্কুল ও ইকরা লাইব্রেরির কার্যক্রম শুরু হয়।

নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি জেএমসিতে শিশু-কিশোরদের ইসলামি মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা, তরুণদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং পরিবারভিত্তিক কমিউনিটি বন্ধন সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রবাসজীবনে নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় ধরে রাখা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া অনেক পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের জন্য ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক সম্পৃক্ততার সুযোগ তৈরি করতে মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সম্প্রসারণ প্রকল্পকে সেই বৃহত্তর প্রয়োজনের অংশ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন সম্প্রসারিত ভবনটি আগামী প্রজন্মের জন্য ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক বন্ধন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার একটি স্থায়ী কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

প্রায় পাঁচ দশক আগে প্রবাসী মুসলমানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যে প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ নতুন প্রজন্মের চাহিদা পূরণে সেই প্রতিষ্ঠান আরও বড় পরিসরে এগিয়ে যাচ্ছে।

এক রাতের আয়োজন থেকে প্রায় ১০ লাখ ডলারের অনুদান ও প্রতিশ্রুতি পাওয়ার ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, একটি অভিন্ন লক্ষ্য সামনে থাকলে প্রবাসী কমিউনিটির সম্মিলিত উদ্যোগ কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের এই সম্প্রসারণ তাই শুধু একটি ভবনে আরও দুটি তলা সংযোজনের প্রকল্প নয়; এটি প্রবাসী মুসলমানদের বিশ্বাস, ঐক্য, শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থায়ী উত্তরাধিকার গড়ে তোলার সম্মিলিত প্রয়াস।

ঠিকানা/শই

 

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz