বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের বৈশ্বিক ও জাতীয় উন্নয়ন বিষয়সমূহ

বাংলাদেশের বৈশ্বিক ও জাতীয় উন্নয়ন বিষয়সমূহ

বিজ্ঞাপন
সংযুক্ত প্রস্তাবনায় এমন একটি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে, যেখানে:
K-10 পর্যায়ের শিশুদের বর্তমান প্রচলিত পরীক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তে Hard Skills I Soft Skills উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষা ও মূল্যায়ন করা হবে, যাতে জাতীয় ও বৈশ্বিক চাকরির বাজারের জন্য প্রতিযোগিতামূলক জনশক্তি তৈরি হয়। এটি একটি STEM-ভিত্তিক, প্রযুক্তিসমৃদ্ধ কারিকুলাম, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্ভাবনী পদ্ধতি এবং একটি উন্নত মূল্যায়ন ব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে।

উপযুক্ত বাণিজ্যনীতি গ্রহণের মাধ্যমে আমদানিকারক সরবরাহকারীদের তাদের Design, Development এবং Manufacturing Technologies-এর একটি বড় অংশ বাংলাদেশে হস্তান্তর করতে বাধ্য করা যেতে পারে। এর জন্য দেশের উচ্চশিক্ষার কারিকুলামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন প্রয়োজন হবে, যাতে বিদেশি সরবরাহকারীরা বাংলাদেশে স্থানীয় জনশক্তি তৈরি ও প্রশিক্ষণ দিতে পারে। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫,০০,০০০ প্রযুক্তিগত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।

দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি জাতীয় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে উন্নয়ন ও প্রোটোটাইপিং গবেষণা, সরবরাহকারীদের কাছ থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং Reverse Brain Drain-কে উৎসাহিত করা সম্ভব হবে।

একটি AI-সক্ষম (মানবীয় হস্তক্ষেপবিহীন) ঞধী-ঠঅঞ সংগ্রহ ব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে, যা ঘইজ-এর রাজস্ব বর্তমান এউচ-এর প্রায় ৭% থেকে ২০%-এ উন্নীত করতে এবং বাজেট ঘাটতি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

একই ধরনের একটি অও-সক্ষম দুর্নীতি-প্রতিরোধী ব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে, যা দুর্নীতির সম্ভাবনা, অবৈধ সিদ্ধান্ত, অসদাচরণ, অর্থ পাচার এবং কর-সংক্রান্ত প্রাক্কলনের মতো বিষয়গুলো উৎসস্থলেই মানবীয় হস্তক্ষেপ ছাড়াই শনাক্ত ও সংশোধন করতে পারে। বাস্তব কাস্টমস ডেটা ব্যবহার করে এ ধরনের একটি প্রোটোটাইপ ইতোমধ্যে তৈরি করা হয়েছে।

জ্বালানি সংগ্রহের উৎস বহুমুখীকরণ করা যেতে পারে: LPG, জীবাশ্ম জ্বালানি, সৌরশক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্র ও নদীর স্রোত, বায়ু, তাপীয় শক্তি এবং কঠিন বর্জ্য। উদাহরণস্বরূপ, নদীর স্রোতভিত্তিক স্থানীয় বিদ্যুতের আনুমানিক উৎপাদন ব্যয় জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক ব্যবস্থার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হতে পারে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং বৈশ্বিক যুদ্ধ ও জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলোর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে অধিক সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।

একটি ADR (Alternative Dispute Resolution) ব্যবস্থা গড়ে তুলে আইনগতভাবে উপজেলা পর্যায়ে অধিকাংশ বিরোধ সালিশ ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারী—স্থানীয় ইমাম, আইনজীবী, শিক্ষক, মুফতি ও জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের—সহায়তায় এবং একজন Legal Aid Officer-এর উপস্থিতিতে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।

সকল রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিকম অপারেটর সংস্কার করা হবে, যাতে তারা বাংলাদেশে সর্বাধুনিক টেলিকম প্রযুক্তি নিয়ে আসে এবং আরও দক্ষ ও লাভজনক হয়। একটি ১০ বছরের জাতীয় টেলিকম মাস্টার প্ল্যান রোডম্যাপ প্রণয়ন করা যেতে পারে, যার আওতায় বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটির দক্ষ ব্যবস্থাপনার অধীনে সকল টেলিকম ও ICT সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকশিত হবে। গত এক বছরে BTCL সংস্কার নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশে উচ্চপ্রযুক্তির সংখ্যালঘু অংশীদার (minority partners) আনার সুপারিশ রয়েছে।

বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় থাকা বাংলাদেশের সকল গ্রামের প্রায় ৭৪,০০০ মসজিদভিত্তিক মক্তব ও গণশিক্ষা কেন্দ্রকে শক্তিশালী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রে রূপান্তর করা যেতে পারে। সেখানে শিশুদের সঠিক কুরআন শিক্ষা, ইসলামের মৌলিক বিষয় এবং ধর্মীয় আমলের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা দৃঢ় ঈমান, উত্তম আচরণ, উন্নত নৈতিক চরিত্র, দেশপ্রেম এবং ভালো পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে।

লেখক সম্পর্কে
প্রফেসর ড. আব্দুল আওয়াল বর্তমানে (২০১৪—বর্তমান) সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে চযউ ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান গবেষণাগার AT&T Bell Laboratories, New Jersey-তে ১৭ বছর কাজ করেছেন। সেখানে তাঁর কাজের ক্ষেত্র ছিল:
    Semiconductor;
    Fiber Optics;
    Wireless;
    Systems Engineering;
    Technology Commercialization;
    Technology and Innovation Management;
    Economic Modeling of Technologies।
তিনি বাংলাদেশের North South University-তে North South University-এর অধ্যাপক হিসেবে ১২ বছর, যুক্তরাজ্যের টহরাবৎংরঃু ড়ভ ইৎধফভড়ৎফ-এ ২ বছর, এবং সৌদি আরবের Taibah University, Madinah Munawwarah-এ ২ বছর শিক্ষকতা করেছেন।
তিনি BTTB-এর Submarine Cable System বাস্তবায়নের জন্য ২০০১—২০০৬ সময়কালে সরকারি পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন।
NSU-তে থাকাকালে তাঁর দল ২০০৬ সালে বাংলাদেশের জন্য প্রথম Fingerprint-based National ID উন্নয়ন করে।
তিনি MoPT-এর অধীনে BTCL Reform Studz-এর Convenor এবং তাঁর দলের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি টেলিকম অপারেটর, BTRC, Army, BUET প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের সদস্য রয়েছেন।
প্রফেসর ড. আব্দুল আওয়াল ১৯৮৪—২০২৬ সময়কালে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় প্রকল্পে যুক্ত রয়েছেন। এ কাজে তিনি দেশের NRB, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, শিল্পখাত ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছেন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন।
বর্তমান প্রস্তাবনাটি প্রবাসী, বাংলাদেশের পেশাজীবী ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দলের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তাবনাগুলোর কয়েকটির ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে Proof of Concept (PoC) প্রদর্শণ করা হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কিছু প্রস্তাবনা
বাংলাদেশের বৈশ্বিক ও জাতীয় উন্নয়ন বিষয়সমূহ


বাংলাদেশে আমাদের আগস্ট ২০২৬-এর সফরের সময় আপনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশের সার্বিক উন্নয়নের ইতিবাচক পরিবর্তিত ধারা আমরা লক্ষ্য করেছি। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা প্রবাসীরা মনে করি, আমাদের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত ব্যবহারিক প্রক্রিয়া, ধারণা এবং সর্বোত্তম চর্চা (Best Practices) বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, এগুলো আপনার সরকারের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার ভিশনে মূল্য সংযোজন করবে।
[ প্রতিটি প্রস্তাবিত প্রস্তাবনার সঙ্গে আমরা একজন করে বাংলাদেশি যোগাযোগ ব্যক্তির তথ্য সংযুক্ত করেছি, যিনি সংশ্লিষ্ট টিমের সদস্য হিসেবে এ বিষয়ে কিছু কাজ করেছেন। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রণালয়ের একজন যোগাযোগ ব্যক্তির তথ্যও সংযুক্ত করা হয়েছে।]

১.  STEM-ভিত্তিক ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ জাতীয় ক-১০ কারিকুলাম প্রণয়ন
একটি STEM-ভিত্তিক ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ জাতীয় ক-১০ কারিকুলাম প্রণয়ন করা যেতে পারে, যার সঙ্গে থাকবে একটি সুপরিকল্পিত Teacher Training System।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবন ও বাজারচাহিদাভিত্তিক Hard Skills এবং Hard Skills অর্জনে সহায়তা করা হবে এবং এমন জনশক্তি তৈরি করা হবে যারা আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক এবং দেশের শিল্পখাতে কর্মসংস্থানের উপযোগী।

শিক্ষার মধ্যে উচ্চ নৈতিকতা ও সৎ মূল্যবোধও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কার্যকরভাবে পরিমাপের জন্য একটি AI-সক্ষম Assessment System, অর্থাৎ মানবীয় হস্তক্ষেপবিহীন মূল্যায়ন ব্যবস্থা ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছে তা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে ভবিষ্যতের স্থানীয় ও বৈশ্বিক চাকরির বাজারের জন্য তাদের আরও উপযোগী করে তোলা যাবে।
আমরা ইতোমধ্যে কারিকুলাম উন্নয়নের কাজে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছি এবং NCTB ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ২০২৮ সালের কারিকুলাম উন্নয়ন দলের সঙ্গে আমাদের কাজ ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে আগ্রহী।
সুবিধাসমূহ:
১. দক্ষ জনশক্তির মাধ্যমে অধিক রেমিট্যান্স;
২. স্থানীয় ব্যবসা ও শিল্পখাতে অধিক কর্মসংস্থান;
৩. উচ্চতর GDP;
৪. বাংলাদেশের রপ্তানি নিম্নমূল্যের পণ্যের ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে উচ্চমূল্যের ইলেকট্রনিকস ও যন্ত্রপাতির দিকে বৈচিত্র্যময় হবে—ভিয়েতনামের মতো।
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৮০% রপ্তানি সেলাই-শ্রমনির্ভর।
[শিক্ষা মন্ত্রণালয়] BD contact: Prof Dr Bashir-01748182825, DUET; Prof Dr Sharif-01918 961 099, BUET; Mufti Ubaidullah Awal-+1917 412 4736

২.  আমদানি নীতিতে সহায়তা প্রদান এবং প্রযুক্তি ও উৎপাদন হস্তান্তর নিশ্চিত করা
বিদেশি সরবরাহকারীদের জন্য এমন আমদানি নীতি প্রণয়ন করা যেতে পারে—উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশের জন্য আমদানিকৃত পণ্যের ৮০% মূল্য বাংলাদেশে উৎপাদনের শর্ত আরোপ করা।
এর ফলে বাংলাদেশে Technology and Production Transfer হবে এবং বিপুলসংখ্যক প্রযুক্তিগত ও প্রকৌশলভিত্তিক দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
উদাহরণস্বরূপ, সরকার যদি এমন নীতি গ্রহণ করে যে, শুধুমাত্র সেইসব সরবরাহকারীর কাছ থেকেই আমদানি করা হবে যারা বাংলাদেশে নিম্নোক্ত স্থানীয় কার্যক্রম করতে সম্মত হবে:
  •   R&D;
  •   Design;
  •   Engineering;
  •   Production|

একটি প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এর ফলে আমাদের আমদানি বছরে ৫০—৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত কমতে পারে এবং বছরে প্রায় ৫,০০,০০০ প্রযুক্তিগত, প্রকৌশল ও সফটওয়্যারভিত্তিক চাকরি সৃষ্টি হতে পারে।
বর্তমান কারিকুলাম ও ব্যবসায়িক চাহিদার মধ্যে সংযোগের অভাবে বর্তমানে উচ্চশিক্ষা থেকে পাস করা মাত্র ১০–২০% গ্র্যাজুয়েট তাদের অধ্যয়নের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান পাচ্ছে।
নতুন বাণিজ্যনীতির কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার কারিকুলামকে সরবরাহকারীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে, যাতে তারা সহজে স্থানীয় জনশক্তি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দিতে পারে।
সুবিধাসমূহ:
১. অধিক প্রযুক্তিগত কর্মসংস্থান;
২. দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এবং Academia–Government–Industry Collaboration বৃদ্ধি;
৩. জাতীয় উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের কার্যকর ভূমিকা;
৪. অধিক দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি;
৫. ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে একটি উচ্চপ্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করা;
৬. দীর্ঘমেয়াদে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং রপ্তানি বৃদ্ধি।
বাংলাদেশের যুবসমাজ বৈশ্বিক প্রযুক্তি পরিবেশে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক জনশক্তি এবং তাদের স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে প্রশিক্ষিত করা সম্ভব।
(বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়)
BD contact: Prof Dr Shoeb-01619 872254, DU-Statistics

৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ উন্নয়ন
বাংলাদেশের ক-১০ পর্যায়ের ৯৩% মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ উন্নয়নে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে সহায়তা ও দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এর সঙ্গে কথ্য আরবি ভাষা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যের উচ্চমূল্যের চাকরির বাজারে অধিক সুযোগ সৃষ্টি করবে।
NCTB-এর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রায় ৭৫,০০০ গণশিক্ষা কেন্দ্রের বিদ্যমান প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা ব্যবহার করে একটি যথাযথভাবে পরিকল্পিত কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে।
এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাংলাদেশিদের:
 দুর্নীতিমুক্ত;
  •  উচ্চ নৈতিকতাসম্পন্ন;
  •  সততা ও নীতিবোধসম্পন্ন
  • নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
আমাদের দল ইতোমধ্যে এ বিষয়ে কিছু প্রাথমিক কাজ করেছে। এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ করতে ঘঈঞই-এর অনুমোদন প্রয়োজন।
অন্যান্য ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের জন্যও অনুরূপ কর্মসূচি গ্রহণ করা যেতে পারে।
সুবিধাসমূহ:
১. মধ্যপ্রাচ্যের চাকরির বাজার থেকে অধিক আয়;
২. সরকারি ও বেসরকারি খাতে প্রায় দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাবনা;
৩. উচ্চতর নৈতিকতা, উন্নত পারস্পরিক আচরণ, সুষ্ঠু লেনদেন, অধিক দায়িত্ববোধ, উন্নত পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক সম্মান।
(ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়) BD contact: Prof Dr Bashir-01748182825, DUET; Principal Saifur Rahman-0164 890 313; Mufti Ubaidullah Awal-+1917 412 4736

৪. AI-সক্ষম তদন্ত ও তদারকি প্রতিষ্ঠান গঠন
ব্যবস্থাগত আর্থিক ক্ষতি এবং সকল ধরনের দুর্নীতি মোকাবিলার জন্য একটি অও-সক্ষম তদন্ত ও তদারকি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যেতে পারে।
এই ব্যবস্থা দুর্নীতির সম্ভাবনাযুক্ত প্রাক্কলন ও সিদ্ধান্তগুলোকে উৎসস্থলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশোধন করে দুর্নীতি ও অসদাচরণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে।
প্রাসঙ্গিক ডেটার সঙ্গে সংযুক্ত এই ব্যবস্থা অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত:
  •   প্রকল্প ব্যয়;
  •   প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়;
  •   অন্যান্য ব্যয়সংক্রান্ত তথ্য
শনাক্ত ও সতর্ক করবে এবং AI-উৎপাদিত বাস্তবসম্মত প্রাক্কলনের সঙ্গে তুলনা করবে।
প্রয়োজনে মানুষের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অসামঞ্জস্য সংশোধন করা হবে।
উদাহরণস্বরূপ, অতিরিক্ত মূল্য দেখানো ইনভয়েসের মাধ্যমে অর্থ পাচার প্রতিরোধের জন্য NBR, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ACC-এর সহযোগিতায় এই ব্যবস্থা ভবিষ্যতের অর্থ পাচার, অবৈধ উদ্যোগ ও আর্থিক ব্যবস্থার ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিরোধ করতে পারে।
আমাদের দল ইতোমধ্যে বাস্তব কাস্টমস ডেটা ব্যবহার করে কিছু প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে।
(আইন মন্ত্রণালয়, ACC); BD contact: Prof Dr Saiful-01716-314 667 Ex-Samsung; Prof Dr Sharif-01918 961 099, BUET; Dr Imad-01725 737 395-CEO, BSCL

৫. উপজেলা পর্যায়ে Alternative Dispute Resolution (ADR) ব্যবস্থা গড়ে তোলা
বিচার ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বিরোধপূর্ণ, সময়সাপেক্ষ ও আদালতকেন্দ্রিক মডেল থেকে পরিবর্তন করে একটি আধা-আনুষ্ঠানিক, কমিউনিটিভিত্তিক ও ব্যয়সাশ্রয়ী Alternative Dispute Resolution (ADR) কাঠামোতে রূপান্তর করা যেতে পারে।

মূল উদ্দেশ্য:
 আনুষ্ঠানিক মামলা-মোকদ্দমায় যাওয়ার আগেই স্থানীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি করা;
জনগণের “দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার” নিশ্চিত করা।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থা:
সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের—যেমন স্কুল শিক্ষক, ইমাম, মুফতি, সম্মানিত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় নেতাদের—পেশাদার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন প্রদান;
আদালতের পরিবর্তে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভীতিমুক্ত পরিবেশে বিশেষ গবফরধঃরড়হ জড়ড়স তৈরি করা;
AI এবং Online Dispute Resolution (ODR) সফটওয়্যার ব্যবহার করে মামলা ট্র্যাকিং, সময়সূচি নির্ধারণ এবং অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা।
স্থানীয় আইনজীবী, ইমাম, মুফতি ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের সমন্বয়ে প্রশিক্ষিত Arbitration and Mediation Team  গঠন করা যেতে পারে।
তারা আনুষ্ঠানিক আদালতে না গিয়েই শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারবেন। এতে জেলা শহরে যাতায়াতের খরচ ও হয়রানি কমবে।
এ বিষয়ে আমাদের দল ইতোমধ্যে কিছু প্রোটোটাইপিং এবং প্রকল্পের ধারণা ও ব্যয়সংক্রান্ত প্রাথমিক গবেষণা সম্পন্ন করেছে।
(আইন মন্ত্রণালয়); BD contact: Justice (ret-Appell) Mirza Hussain Haider-01713 041 794; Justice (ret-Appell) Imaan Ali +447943 241 432; Prof Dr Sharif-01918 961 099, BUET; Mainuddin-01747 760 188, Sr Asst Sec, Law

৬. নতুন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তিসহ জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ
কোনো একটি দেশের ওপর একটি মাত্র ধরনের জ্বালানির জন্য নির্ভর না করে বিভিন্ন সরবরাহকারীর কাছ থেকে বিভিন্ন উৎসে জ্বালানি সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইতোমধ্যে করা বিপুল বিনিয়োগের বিদ্যুৎও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
সূর্য ও বায়ু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য আরও স্থিতিশীল জ্বালানির উৎস হতে পারে:
  •  নদীর স্রোত;
  •  সমুদ্রের স্রোত;
  •  সমুদ্রের ঢেউ।
একটি প্রাথমিক গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৫টি নদীর স্রোত, যার মোট দৈর্ঘ্য ৩,০০০ কিলোমিটারের বেশি, এবং ৬০০ কিলোমিটার সমুদ্রস্রোত ব্যবহার করে সম্ভাব্যভাবে ১০,০০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেতে পারে—যা দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
এ বিষয়ে Proof of Concept তৈরির জন্য সরকারকে অর্থায়নের মাধ্যমে নতুন ঝঃধৎঃঁঢ়-গুলোকে উৎসাহিত করতে হবে।
সুবিধাসমূহ:
১. প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানির ওপর নির্ভরতা এবং আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো;
২. Green Energy এবং বৈশ্বিক জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা;
৩. জ্বালানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর সম্ভাবনা—প্রতি শডয ৩০ টাকা থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত;
৪. কোনো একটি দেশের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে উৎসের বহুমুখীকরণের কারণে বৈশ্বিক যুদ্ধ ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে অধিক সুরক্ষিত রাখা।
(জ্বালানি মন্ত্রণালয়);BD contact: Prof Dr Shoeb, DU-Statistics; Prof Dr Sharif-01918 961 099, BUET; Dr Abdur Razzak +65 9352 6193  

৭. রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিকম প্রতিষ্ঠান সংস্কার ও জাতীয় টেলিকম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন
BTCL, Satellite, Submarine, Teletalk  ও TSS-সহ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার করতে হবে এবং একটি জাতীয় টেলিকম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করতে হবে।
বিশ্বব্যাপী AI, Digital Cloud, IoT ইত্যাদি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় টেলিকম বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং লাভজনক হয়ে উঠছে।
দুঃখজনকভাবে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে লোকসানে রয়েছে।
প্রায় ১৮ কোটি মানুষের বিশাল বাজার এবং টেলিকম সেবার ভালো ব্যবহার থাকা সত্ত্বেও এই লোকসান গ্রহণযোগ্য নয়।
গভীর সংস্কার এবং PTD-এর যথাযথ নীতিগত সহায়তা ও BTRC-এর আরও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টেলিকম শিল্প, বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক এবং দক্ষিণ এশিয়ায় প্রযুক্তিগতভাবে প্রতিযোগিতামূলক করা সম্ভব।
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে একটি ৬ মাসব্যাপী BTCL Reform Studz শুরু হয়েছিল। এতে BUET, BTCL, BTRC, Satellite, Submarine, Teletalk, Army, Private Operators এবং USA Telecom Expat-সহ দেশের সুপরিচিত টেলিকম বিশেষজ্ঞদের প্রতিনিধিত্ব ছিল।
এই Reform Studz সম্পন্ন করে সুপারিশগুলো ব্যাপকভাবে আলোচনা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন।
এছাড়াও ওই গবেষণায় দেশের ভবিষ্যৎ টেলিকম উন্নয়নের জন্য একটি Comprehensive National Telecom Master Plan প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়েছিল। ভবিষ্যতের টেলিকম প্রবৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ অনুমোদিত মাস্টার প্ল্যানের রোডম্যাপ অনুসরণ করা উচিত।
সুবিধাসমূহ:
১. সরকারি টেলিকম খাতে অনেক বেশি মুনাফা;
২. টেলিকম খাতে অধিক শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বেসরকারি অপারেটরদের কাছ থেকে সরকারের অধিক রাজস্ব;
৩. ঔড়রহঃ ঠবহঃঁৎব-এর মাধ্যমে নতুন সংখ্যালঘু অংশীদারদের সহায়তায় সর্বাধুনিক টেলিকম প্রযুক্তি দেশে আনা;
৪. প্রতি ব্যবহারকারীর রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি এবং জাতীয় এউচ-তে অবদান বৃদ্ধি।
পশ্চিমা দেশগুলোতে বলা হয়, টেলিকমে বিনিয়োগ করা ১ ডলার জাতীয় এউচ-তে ৬ ডলারের অবদান রাখে।
(টেলিকম মন্ত্রণালয়); BD contact: Advisor, PTD +971 56 683 8000; Secretary, MoPT 01715 001 440; MD-BTCL-01550 151 260; Member Sec (BTCL Reform Team)– 01754 820185

৮. AI-সক্ষম Tax-VAT সংগ্রহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
বর্তমানে বাংলাদেশের বার্ষিক ঞধী-ঠঅঞ সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ৩,৭৭,০০০ কোটি টাকা:
  •     Income Tax: প্রায় ১,২৮,০০০ কোটি টাকা;
  •     Customs-VAT-X: প্রায় ২,৪০,০০০ কোটি টাকা।
এটি জাতীয় GDP-এর প্রায় ৭%, যেখানে আমাদের প্রতিবেশী মালয়েশিয়া তাদের GDP-এর প্রায় ২২% রাজস্ব হিসেবে সংগ্রহ করে।
সুসংগঠিত নীতিগত সহায়তা এবং মানবীয় হস্তক্ষেপবিহীন অও-সক্ষম ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিদ্যমান ব্যাংক ও অন্যান্য প্রাপ্তিসাধ্য ডেটা কাজে লাগানো হলে একটি প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী NBR-এর রাজস্ব দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি করা সম্ভব হতে পারে।
পরবর্তীতে অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে NBR-এর আয় বর্তমানের তুলনায় আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দেশের বর্তমান বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে।
(অর্থ মন্ত্রণালয়, NBR); BD contact:  NBR Member-01552 307 499; Prof Dr Shoeb-01619 872 254, DU; Prof Dr Sharif-01918 961 099, BUET; Prof Dr Saiful-01716 314 667

৯. জাতীয় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা
বাংলাদেশের বাজারের জন্য বিদেশ থেকে আসা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের:
  •     উন্নয়ন;
  •     ডিজাইন;
  •     প্রোটোটাইপিং;
এবং প্রস্তাবিত #২ নম্বর বাণিজ্যনীতির অধীনে স্থানীয়করণের জন্য সরবরাহকারীদের কাছ থেকে হস্তান্তরিত প্রযুক্তির Incubation করার জন্য একটি জাতীয় গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।
এছাড়াও Reverse Brain Drain বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।
এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে একটি:
জাতীয় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন গবেষণাগার
(National Science, Technology and Innovation Research Laboratory)
প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। যদি Semiconductor Technology (সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি)-কে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের একটি প্রধান কৌশলগত উচ্চপ্রযুক্তি (High-Tech) খাত হিসেবে নির্বাচিত করা হয়, তাহলে প্রস্তাবিত National Science and Technology Laboratory(জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণাগার)-এ এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষায়িত R&D Division (গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ) প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
এই বিভাগের মূল উদ্দেশ্য হবে বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর Design, Testing, Packaging এবং Manufacturing Process Technology-এর সক্ষমতা গড়ে তোলা। এ জন্য বাংলাদেশে মৌলিক (Basic) ও প্রয়োগমূলক (Applied) গবেষণা—উভয় ক্ষেত্রেই সক্ষমতা উন্নয়ন করতে হবে।
এই বিভাগকে সফলভাবে গড়ে তুলতে আমাদের সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে অভিজ্ঞ প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী বৈশ্বিক Chip Supplier-iv, এবং বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গন (Academia)-এর সঙ্গে উল্লেখযোগ্য ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে জাপানের মতো একটি প্রযুক্তিসমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা সম্ভব হবে, যা দেশের এউচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের বহু ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।
(বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, BAEC); BD contact: Dr Khairul Islam=01552 485 156, member, BAEC; Prof Ayub Khan- 01819 245 840, VC, BUFT; Member BD Semiconductor Task Force, Dr Enayatur Rahman (yet to be connectd)

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আপনি যদি এসব বিষয় মনোযোগ সহকারে অধ্যয়ন ও অনুধাবন করার সুযোগ পান, তাহলে আমরা বিশ্বাস করি—একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার ব্যাপারে আপনার যে উৎসাহ ও আগ্রহ আমরা লক্ষ্য করছি, তার আলোকে আপনি জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এসব বিষয়ের অধিকাংশে বাস্তবসম্মত Action Item গ্রহণে আগ্রহী হবেন।
বাংলাদেশের উন্নয়নের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। কিন্তু আমরা এখানে কেবল সেই বিষয়গুলোই উল্লেখ করেছি, যেগুলোতে আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং যেখানে আমরা ইতোমধ্যে কিছু প্রাথমিক কাজ ও PoC (Proof of Concept) সম্পন্ন করেছি। ফলে আমাদের কর্তৃপক্ষের জন্য এসব উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।
এ কাজের জন্য সরকারের কোনো ব্যয় নেই। আমরা আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা থেকে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছি। গত ৫০ বছরের যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের পেশাগত জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে এবং আমরা যেসব উন্নত দেশে বসবাস করি সেসব দেশের সর্বোত্তম চর্চা গ্রহণ করে বাংলাদেশের সম্ভাব্য সকল উন্নয়নমূলক বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি।

যদি আপনি মনে করেন যে, এসব প্রস্তাবনা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক আরও বিবেচনার যোগ্য এবং বাংলাদেশে বাস্তবায়নের উপযোগী, তাহলে আমরা এই নথির একটি কপি সংশ্লিষ্ট সকল মাননীয় মন্ত্রী ও উপদেষ্টার কাছেও পাঠিয়েছি। আমরা আশা করি, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার ব্যাপারে তাঁরাও যদি উৎসাহী হন, তাহলে তাঁরা এসব বিষয় ইতোমধ্যে অধ্যয়ন করে থাকবেন।

সংশ্লিষ্ট সকল মাননীয় মন্ত্রী ও উপদেষ্টার প্রতি অনুলিপি
(সক্রিয়, গতিশীল ও আগ্রহী মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশায়)
১. মাননীয় ড. এএনএম এহসানুল হক মিলন
মন্ত্রী, শিক্ষা
বিষয়: #১, #২ ও #৩ — মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার কারিকুলাম পুনর্বিন্যাস।
২. মাননীয় মাহদি আমিন
উপদেষ্টা, শিক্ষা
বিষয়: প্রযুক্তিসমৃদ্ধ জাতীয় কারিকুলাম পুনর্গঠন।
৩. মাননীয় ফকির মাহবু আনাম
মন্ত্রী, টেলিকম
বিষয়: #৭ — টেলিকম খাত সংস্কার ও জাতীয় টেলিকম মাস্টার প্ল্যান; #৯ — জাতীয় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন গবেষণাগার।
৪. মাননীয় উপদেষ্টা রেহান আসিফ
উপদেষ্টা, টেলিকম
বিষয়: #৭ — টেলিকম খাত সংস্কার ও জাতীয় টেলিকম মাস্টার প্ল্যান।
৫. মাননীয় ইকবাল হাসান মাহমুদ
মন্ত্রী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
বিষয়: #৬ — জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণ ও টেকসই বিকল্প সবুজ জ্বালানি উৎস।
৬. মাননীয় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
মন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা
বিষয়: #৮ — AI-সক্ষম কর সংগ্রহ ব্যবস্থা এবং করনীতি সংস্কার।
৭. মাননীয় কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসেন
মন্ত্রী, ধর্ম বিষয়ক
বিষয়: #৩ — ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঘঈঞই-এর সঙ্গে কাজ করে ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে সৎ ও নৈতিক নাগরিক গঠন।
৮. মাননীয় শামীম কাওসার
প্রতিমন্ত্রী, ধর্ম বিষয়ক
বিষয়: #৩ — ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঘঈঞই-এর সঙ্গে কাজ করে সৎ ও নৈতিক নাগরিক গঠন।
৯. মাননীয় মোঃ আসাদুজ্জামান
মন্ত্রী, আইন ও বিচার
বিষয়: #৫ — বাধ্যতামূলক অউজ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি; #৪ — দুর্নীতি ও অসদাচরণ প্রতিরোধে অও-সক্ষম ব্যবস্থা।
১০. মাননীয় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
মন্ত্রী, বাণিজ্য ও শিল্প
বিষয়: #২ — স্থানীয়করণভিত্তিক বাণিজ্যনীতির মাধ্যমে বিদেশি সরবরাহকারীদের কাছ থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তর।
১১. মাননীয় আরিফুল হক চৌধুরী
মন্ত্রী, প্রবাসী কর্মসংস্থান
বিষয়: #১ ও #২ — জাতীয় কারিকুলাম ও বাণিজ্যনীতির মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর।
-প্রফেসর ড. আব্দুল আওয়াল, সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz