নাটোর রেলস্টেশনের যাত্রী বিশ্রামাগারে বসে কাঁদছিলেন জার্মান তরুণ ক্রিল ল্যান্ডার উইবার। কিছুক্ষণ আগেও সব ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু এক যুবকের সঙ্গে পরিচয়ের পর মুহূর্তেই হারিয়ে যায় তার ব্যাগ। সেই ব্যাগে ছিল ল্যাপটপ, ক্যামেরা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ব্যাগটি না পেয়ে স্টেশনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে নাটোর রেলস্টেশনের যাত্রী বিশ্রামাগারে ঘটে এ ঘটনা। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান জার্মানির এই পর্যটক। এরপর নাটোর সদর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, বগুড়ার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে বুধবার দুপুরে সান্তাহার রেলস্টেশন থেকে পঞ্চগড় থেকে রাজশাহীগামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে নাটোরের উদ্দেশে রওনা হন ক্রিল ল্যান্ডার। বিকেলে নাটোর রেলস্টেশনে নামেন তিনি। সেখান থেকে অন্য একটি ট্রেনে ভারতের উদ্দেশে দর্শনা যাওয়ার কথা ছিল তার।
ট্রেন থেকে নামার পর নাটোর স্টেশনের যাত্রী বিশ্রামাগারে কিছুক্ষণ অবস্থান করছিলেন ক্রিল ল্যান্ডার। এ সময় এক যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে ওই যুবক কৌশলে তার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ব্যাগে ল্যাপটপ, ক্যামেরাসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র ছিল।
ব্যাগটি খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন ক্রিল ল্যান্ডার। একপর্যায়ে স্টেশনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরে বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে জানালে নাটোর রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ সান্তাহার রেলওয়ে থানাকে অবহিত করে। একই সঙ্গে তাকে নাটোর সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
পরে থানায় গিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চান ক্রিল ল্যান্ডার। সেখানে লিখিত অভিযোগও দেন তিনি।
নাটোর সদর থানার ওসি মো. মনসুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি জিআরপি পুলিশের। যেহেতু তিনি বিদেশি নাগরিক, সে ক্ষেত্রে বিষয়টি আমরা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জিনিসপত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছি। থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।’