আমেরিকার পর চীনের ককাস : দেশেই ‘মুক্ত বিশ্ব’ দেখছেন উপদেষ্টা তিতুমীর
ঠিকানা অনলাইন
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:২০
•
অনলাইন সংস্করণ
ছবি ঠিকানা
দিন কয়েক আগে দেশে সংসদীয় আমেরিকার ককাস হয়েছে। এখন আবার হয়েছে চীনের ককাস। বাংলাদেশ যে কূটনীতিতে আর বিচ্ছিন্ন নেই, বরং মুক্ত বিশ্বের মধ্যেই আছে, ককাস প্রতিষ্ঠায় সেই চর্চা দেখছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেমন তার দেশের স্বার্থ দেখেছেন, তেমনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন। তবে আন্তর্জাতিক রীতিনীতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা মার্কিন চুক্তি বহাল রাখা হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এতে দেশের স্বার্থ অবশ্যই সমুন্নত করার ব্যবস্থা করা হবে।’
১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার এই টকশোতে একক অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। জাতীয় বাজেট, আর্থিক ও জ্বালানি খাত, কূটনীতি ও ভূরাজনীতি নিয়ে নিউইয়র্কে ঠিকানার স্টুডিওতে বসে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন অতিথি।
চলতি বছরেই স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের কথা ছিল। এটা যাতে তিন বছর পর করা হয়, সেই আবেদন এবারের সফরে জাতিসংঘে তুলে ধরেছেন উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটির জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার দরকার আছে। ব্যবসায়ীরাও চায় না এখনই এলডিসি থেকে উত্তরণ হোক। এসব দিক চিন্তা করেই বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে, ২০২৯ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পদার্পণ করুক।
অভিজ্ঞতা অর্জন বা প্রশিক্ষণের নামে সরকারি দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিদেশ সফর প্রায়েই নাকচ করে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কিন্তু এরই মধ্যে আবার ক্যাশলেস লেনদেনের সফল দেশ এস্তোনিয়া সফর করেছে একটি প্রতিনিধিদল। যেখানে নেতৃত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। সরাসরি সফরের বদলে অনলাইনে বিষয়টি সমাধা করা যেত কি না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘যে একাডেমি এস্তোনিয়াকে ক্যাশলেস রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, সেখানে মূলত আমরা গিয়েছিলাম। তাদের পুরো ব্যবস্থা ঘুরে দেখেছি। এস্তোনিয়া সরকারের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি। তাদের সঙ্গে ডিজিটাল ট্রানজেকশন নিয়ে কাজ করা হবে। তারা ঢাকায় অফিসও স্থাপন করবে।’
তিনি আরও বলেন, কর ফাঁকি ও চুরি ঠেকাতে ক্যাশলেস লেনদেন বড় ভূমিকা রাখবে। তাই আগামী দেড় বছরের মধ্যে পুরো ডিজিটাল সিস্টেমে আসার জন্য কাজ চলছে- জানালেন উপদেষ্টা তিতুমীর।