বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

কুনু-ফিরোজ প্যানেলের পরিচিতিসভা রূপ  নিল প্রতিবাদে

কুনু-ফিরোজ প্যানেলের পরিচিতিসভা রূপ  নিল প্রতিবাদে

বিজ্ঞাপন
আদালতে মামলার কারণে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। গত ২৫ অক্টোবর রোববার এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্বাচনের আগে ২৩ অক্টোবর শুক্রবার আদালতের স্থগিতাদেশ আসায় এদিন সন্ধ্যায় আয়োজিত কুনু-ফিরোজ প্যানেলের শেষ পরিচিতি সভাটি পরিণত হয় পরামর্শ ও প্রতিবাদ সভায়।
নিউইয়র্ক সিটির উডসাইডের গুলশান টেরেসে আয়োজিত সভায় বক্তারা নির্বাচন স্থগিতের কারণ এবং এ পরিস্থিতির জন্য কারা দায়ী, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁরা সোসাইটির বর্তমান নেতৃত্বের সমালোচনার পাশাপাশি মামলার পরবর্তী করণীয় নিয়েও মতামত দেন। বাদী ও বিবাদীর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা প্রত্যাহার এবং দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানান তাঁরা। খবর ইউএনএর।
বক্তারা বলেন, সোসাইটির ইতিহাসে এবার রেকর্ড ৩৫ হাজারের বেশি ভোটার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতেন। নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় তাঁরা হতাশা প্রকাশ করেন।
কুনু-ফিরোজ প্যানেলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক রুহুল আমীন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এম. আজিজ। সভা যৌথভাবে পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী বাবুল চৌধুরী ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন।
এম. আজিজ বলেন, সোসাইটিতে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। তিনি ঐক্য বিনষ্টকারীদের বয়কটের আহ্বান জানান এবং সাংবাদিকদের সোসাইটি সম্পর্কে সঠিক তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ করেন।
ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ দাবি করেন, মামলার কারণে ইতোমধ্যে দেড় লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে। তিনি সোসাইটিকে রাজনীতি ও সিন্ডিকেটমুক্ত রাখার আহ্বান জানান।
প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সোসাইটির কর্মকর্তারা আগে থেকে মামলা মোকাবিলায় কেন পদক্ষেপ নেননি, তা জানা প্রয়োজন। মামলায় বিপুল অর্থ ব্যয়ের সমালোচনা করে তিনি দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান। সভায় বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, জনসমর্থনেই তাঁদের প্যানেল জয়ী হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ বলেন, নির্বাচন কেন এবং কাদের কারণে স্থগিত হয়েছে, তা জানতে হবে। আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
সভায় আরো বক্তব্য দেন সোসাইটির সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার জামাল আহমেদ জনি ও নাসির খান পল, সাবেক সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, ডা. চৌধুরী সারোয়ারুল হাসান, এমাদ চৌধুরী, মইনুল হক চৌধুরী হেলাল, বদরুন নাহার খান মিতা, ফারুক চৌধুরী, নূরুল হক, বেলাল মাহমুদ, ইউনুস সরকার, সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী কালাম ভূঁইয়াসহ কমিউনিটির নেতারা।

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz