প্রেমাংশু আমার নগ্ন কাবিনে
তপ্ত সনাতন চোখে
অনাবিল আঙুল নেড়ে
আমাকে নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে।
অশ্লীল, বেঢপ তামাটে শরীর যেন
কিংবদন্তির কোনো ভাস্কর্য!
নিষিদ্ধ গেলাসে মুমূর্ষু ঠোঁট রেখে বলে—
‘আমি প্রেমাংশু!’
নিটোল বিবমিষা উন্মত্ত
বিপন্ন মফস্বলে উদাস পৃথিবী
আমাকে তাড়া ক’রে ফেরে
বিভিন্ন অলিগলিতে।
আমি বাসে ঝু’লে, টেম্পোতে চ’ড়ে
পায়ে পায়ে ছুটে চলি চাকরি চাই ব’লে।
আমি প্রেমাংশুকে চাই ব’লে
নির্বাসিত সত্তার পেছনে ছুটে চলি।
আমার ঘড়ির ডায়ালের মতো ছোট্ট পৃথিবী
ক্রমশ ক্ষুদ্র হয়ে আসে।
প্রেমাংশুর আঙুল,
তামাটে শরীর সমষ্টি
আমার অত্যন্ত দরকার;
তাই আমি কোনো
অবাস্তব প্রেমাংশুকে নিয়ে
ঘুম নষ্ট ক’রে রাত্রি জাগি না।
আমার সংক্রমিত নির্বিকার পৃথিবী,
আমি চাই না ছুটে যাব মফস্বলে।
আমি যদি তোকে না পাই, প্রেমাংশু
পাণ্ডুলিপির মতো কড়িকাঠ হয়ে যাব।
আমি প্রেমাংশুর জন্যে বেঁচে থাকব চিরদিন,
প্রেমাংশুকে পাব ব’লে!