বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• মেয়ে সেজে ইতালি প্রবাসীকে বিয়ে, বাবা-ছেলে আটক • শ্রীলঙ্কার সাবেক ফার্স্ট লেডি শিরান্থি রাজাপাকসে গ্রেপ্তার • নাটোর রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক • ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী মির্জা ফয়সল • উত্তাল দিল্লি : ফের আটক রাহুল গান্ধীসহ কয়েক সাংসদ • বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত • ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি করল বিমান • ক্যানসার চিকিৎসায় যুক্ত হচ্ছে ১৭টি রেডিওথেরাপি মেশিন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী • এল নিনোয় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তা করবে আইএমএফ • আবরার হত্যার প্রতিবাদই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে তীব্র করেছিল : রিজভী

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন
​চূড়ান্ত প্রার্থী ৪৩, ভোটার ৩৫,২১৫

সোসাইটির নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক লড়াই শুরু

সোসাইটির নির্বাচনের  আনুষ্ঠানিক লড়াই শুরু

বিজ্ঞাপন
নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক-এর নির্বাচন ঘিরে আনুষ্ঠানিক লড়াই শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর এখন ভোটের মাঠে মুখোমুখি দুটি পূর্ণাঙ্গ পরিষদ। বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন সেলিম-আলী পরিষদ এবং সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন কুনু-ফিরোজ পরিষদ। 
দুই পূর্ণাঙ্গ পরিষদের ৪২ জনের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় কার্যকরী কমিটির ২১টি পদে এবার মোট ৪৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আগামী ২৫ অক্টোবর রোববার নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণের কথা রয়েছে। এবারের নির্বাচনে ভোটার প্রায় ৩৫ হাজার; নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ৩৫ হাজার ২১৫ জন বলা হয়েছে। বাংলাদেশ সোসাইটির ইতিহাসে এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণের নির্বাচন এর আগে হয়নি। 
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকালে ঠিকানাকে জানান, ভোটার তালিকায় প্রায় ৩০০ ডাবল ভোটার রয়েছেন। ডাবল ভোট যাতে না হয় এজন্য তাদের চিহ্নিত করে হাইলাইট করা হয়েছে। ফলে ডাবল ভোট প্রদানের কোনো সুযোগ থাকছে না। 

নিউইয়র্ক : ওজনপার্কে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সমাবেশ।

গত ৬ সেপ্টেম্বর কুইন্স প্যালেসে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা। দুটি পূর্ণাঙ্গ পরিষদের ৪২ জন ছাড়াও সাধারণ সম্পাদক পদে রাব্বী সৈয়দ এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শক্তি ডি গুপ্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। ফলে শুরুতে প্রার্থী ছিলেন ৪৪ জন। পরে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী শক্তি ডি গুপ্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। ফলে চূড়ান্ত লড়াইয়ে থাকছেন ৪৩ জন। সাধারণ সম্পাদক পদে দুই পরিষদের প্রার্থীর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন রাব্বী সৈয়দ। 
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর ৭ সেপ্টেম্বর যাচাই-বাছাই, ৮ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ৯ সেপ্টেম্বর আপিল, ১০ সেপ্টেম্বর প্রত্যাহার এবং ১১ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রার্থী বাছাই পর্ব শেষ হয়েছে। এখন থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত প্রায় ছয় সপ্তাহের প্রচারই নির্ধারণ করবে কোন পরিষদ আগামী তিন বছর বাংলাদেশ সোসাইটির নেতৃত্ব দেবে।
আগের ১৯ সদস্যের পরিবর্তে এবার বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী পরিষদে ২১টি পদ রয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং যুব ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ নতুন দায়িত্ব যুক্ত হওয়ায় কার্যকরী পরিষদের পরিধি বেড়েছে। একই সঙ্গে গঠনতান্ত্রিক পরিবর্তনের কারণে এবার নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ দুই বছরের পরিবর্তে তিন বছর ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত। ফলে এবারের নির্বাচন শুধু নেতৃত্বের পরিবর্তনের প্রশ্ন নয়; আগামী তিন বছরের সাংগঠনিক দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করবে। 

নিউইয়র্ক : ওজনপার্কে সেলিম-আলী পরিষদের সভায় নেতৃবৃন্দ।

সেলিম-আলী পরিষদ : সেলিম-আলী পরিষদের নেতৃত্বে রয়েছেন বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী। অর্থাৎ বর্তমান নেতৃত্বই নতুন মেয়াদের জন্য ভোটারদের ম্যান্ডেট চাইছেন।
এই পরিষদের প্রার্থীরা হলেন-সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান কামরুল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সহ-সাধারণ সম্পাদক হারুণ অর রশীদ, কোষাধ্যক্ষ নওশাদ হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডিউক খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অনিক রাজ, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ, সাহিত্য সম্পাদক রুমানা আহমেদ, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান খান, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এ এস এম মাইন উদ্দিন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক শাহনাজ হোসেন এবং যুব ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক জাহাঙ্গীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
কার্যকরী সদস্য পদে রয়েছেন মোহাম্মদ উজ্জ্বল পিপুল, শামীম আহমেদ, সারওয়ার খান বাবু, মোহাম্মদ এ মান্নান, মোহাম্মদ আব্দুল মালেক খান ও কাজী রবিউজ্জামান। 
বর্তমান কমিটির ধারাবাহিকতা, গত মেয়াদের কর্মকাণ্ড এবং অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে নেওয়ার বার্তাকে সামনে রেখে সেলিম-আলী পরিষদ ভোটারদের কাছে যাচ্ছে। বর্তমান নেতৃত্ব হিসেবে তাদের জন্য এবারের নির্বাচন একই সঙ্গে গত মেয়াদের কর্মকাণ্ডের ওপর ভোটারদের রায়ের পরীক্ষাও।
কুনু-ফিরোজ পরিষদ : প্রতিদ্বন্দ্বী কুনু-ফিরোজ পরিষদে সভাপতি পদে রয়েছেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরোজ আহমেদ। ফিরোজ আহমেদ সন্দ্বীপ সোসাইটি ইউএসএর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। 
এই পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি দুলাল বেহেদু, সহ-সভাপতি আবুল কালাম ভূইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নওশেদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জামিল আনসারী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আহমেদ আর চৌধুরী, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক সৈয়দ গৌসুল হোসাইন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক কয়েস আহমেদ, সাহিত্য সম্পাদক মোহাম্মদ এ আখতার, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক মোর্শেদ আলম, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক বেগম এম চৌধুরী এবং যুব ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক কাজী আর হাসান।
কার্যকরী সদস্য পদে রয়েছেন সিরাজুদ্দিন হক, মোহাম্মদ এ সিদ্দিক, মোহাম্মদ আবুল বাসার, মাসুদুল হক সানু, মোহাম্মদ কাওসার আলম ও মোহাম্মদ এম ইসলাম। 
কুনু-ফিরোজ পরিষদ পরিবর্তন, জবাবদিহিতা এবং সোসাইটিকে আরও কার্যকর সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার বার্তা নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। সাম্প্রতিক এক মতবিনিময় সভায় সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ সোসাইটির সেবামূলক কার্যক্রম জোরদার এবং সংগঠনকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার কথা বলেছেন। 
সাধারণ সম্পাদক পদে ত্রিমুখী লড়াই : দুই পরিষদের বাইরেও এবারের নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাব্বী সৈয়দের উপস্থিতি। তিনি জ্যামাইকা বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক। ‘ভয়েস ফর চেঞ্জ’ স্লোগান সামনে রেখে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। 
ফলে সভাপতি পদে লড়াই সরাসরি আতাউর রহমান সেলিম ও আজমল হোসেন কুনুর মধ্যে হলেও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মোহাম্মদ আলী, ফিরোজ আহমেদ ও রাব্বী সৈয়দ, এই তিনজনের মধ্যে। স্বতন্ত্র প্রার্থী কত ভোট টানতে পারেন, তা দুই প্রধান পরিষদের ভোটের সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে কমিউনিটিতে আলোচনা রয়েছে।
পাঁচ কেন্দ্রে ভোট : প্রধান নির্বাচন নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের ঠিকানাকে জানান, ভোটারদের সুবিধাথে নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি এলাকায় ভোটকেন্দ্র রাখা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- উডসাইডের ৫৮ ম্যানর, ওজন পার্কের ম্যাজেস্টিক মার্কি, ব্রুকলিনের কালামস হল, ব্রঙ্কসের গোল্ডেন প্যালেস ব্যাঙ্কুয়েট হল এবং জ্যামাইকার অঙ্গণ পার্টি হল। সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। 
নির্বাচনের মূল তারিখ প্রথমে ১৮ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছিল। ওই দিন দুর্গাপূজার অষ্টমী হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে তারিখ পরিবর্তনের দাবি ওঠে। পরে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী কমিটি, ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ সিদ্ধান্তে ভোট এক সপ্তাহ পিছিয়ে ২৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। 
এবার ভোটার সংখ্যা ৩৫ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় নির্বাচন পরিচালনাও আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বড় পরিসরের হচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসেরের নেতৃত্বে সাত সদস্যের নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালন করছে। কমিশনের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বদরুল হোসেন খান, মোহাম্মদ শামসুদ্দীন আজাদ, রুহুল আমীন সরকার, আহবাব চৌধুরী, মিঠু হামিদ ও মোহাম্মদ দুলাল মিয়া। 
ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটদান, পাঁচ কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা, ভোট গ্রহণ এবং ফল প্রকাশ, সব মিলিয়ে বিপুলসংখ্যক ভোটারের এই নির্বাচন কমিশনের জন্যও বড় সাংগঠনিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত নির্বাচনে ভোটার ছিল ১৯ হাজারের কাছাকাছি এবং ভোট পড়েছিল ১০ হাজারেরও কম। সেই তুলনায় এবার নিবন্ধিত ভোটার ৩৫ হাজার ছাড়িয়েছে। ফলে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনী রাজনীতির পরিধি যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, তা সংখ্যাতেই স্পষ্ট। আগের নির্বাচনে সেলিম-আলী পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে জয় পেয়েছিল। আতাউর রহমান সেলিম সভাপতি এবং মোহাম্মদ আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
এবার সেই বর্তমান নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনুর নেতৃত্বাধীন পরিষদ। ফলে নির্বাচনটি একদিকে বর্তমান নেতৃত্বের কর্মকাণ্ডের ওপর আস্থার ভোট, অন্যদিকে পরিবর্তনের পক্ষে ভোটারদের অবস্থান যাচাইয়ের লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দুই পরিষদের জন্য আর কোনো অনিশ্চয়তা নেই—এখন লক্ষ্য একটাই, ভোটারদের কাছে পৌঁছানো। নিউইয়র্কের জ্যামাইকা, জ্যাকসন হাইটস-উডসাইড, ওজন পার্ক, ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কসসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় আগামী কয়েক সপ্তাহে সভা, মতবিনিময়, ঘরোয়া বৈঠক, গণসংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ৩৫ হাজারের বেশি ভোটারের একটি বড় অংশকে কেন্দ্রে নিয়ে আসাই হবে দুই পরিষদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শুধু পরিচিত কমিউনিটি কর্মীদের ভোট নয়, এবার বিপুলসংখ্যক নতুন ও অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় সদস্যের ভোট নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
৪৩ প্রার্থী, ২১ পদ, দুই শক্তিশালী পূর্ণাঙ্গ পরিষদ, একজন স্বতন্ত্র সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এবং ৩৫ হাজারের বেশি ভোটার-সব মিলিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটির ইতিহাসের অন্যতম বড় নির্বাচনী লড়াইয়ের মঞ্চ এখন প্রস্তুত। ২৫ অক্টোবর রাতেই জানা যাবে, আগামী তিন বছরের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই বৃহৎ সংগঠনের নেতৃত্ব থাকবে সেলিম-আলীর হাতে, নাকি পরিবর্তনের ডাক নিয়ে ক্ষমতায় আসবে কুনু-ফিরোজ পরিষদ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের সকল প্রার্থী ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নির্বাচন হচ্ছে এবার। এ কারণে এবারের নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হলে নতুন প্রজন্মের কাছে আমরা একটি ভালো বার্তা দিতে পারবো। আর ব্যত্যয় হলে নতুন প্রজন্ম সোসাইটি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। 
নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবেন- এমন আশা প্রকাশ করেন আবু নাসের। 

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz