শ্রীমঙ্গলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর তৃতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঠিকানা অনলাইন
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ২০:৪৩
•
অনলাইন সংস্করণ
ছবি : সংগৃহীত
নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে পরিবারের জীবনমানের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর তৃতীয় পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী উপকারভোগী নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন এবং উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সমাজের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি সেই প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি আরও বলেন, নারীদের হাতে আর্থিক ও সামাজিক সক্ষমতা তুলে দেওয়া গেলে পুরো পরিবার উপকৃত হয়। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জীবনমানের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আবাসন নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। একই সঙ্গে চা শ্রমিক পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে শিক্ষাবৃত্তিও বিতরণ করেন।
সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, চা শ্রমিকদের আবাসন ও শিক্ষা সহায়তা তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এর আগে বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আকাশপথে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে সড়কপথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় এসে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিপুলসংখ্যক নারী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবারভিত্তিক কল্যাণমূলক সেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে কর্মসূচির পরিধি সম্প্রসারণ করছে।