সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

​ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে পুতিন ও জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ

​ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে পুতিন ও জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ

বিজ্ঞাপন
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার পৃথকভাবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ সময় আলোচনা হয়েছে বলে ক্রেমলিন ও জেলেনস্কি জানিয়েছেন।

উভয় পক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়ের অংশ হিসেবেও এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

রুশ বার্তা সংস্থা রিয়া নভোস্তির বরাত দিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ বলেন, দুই প্রেসিডেন্ট ইউক্রেন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিশেষ করে আগামী ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অংশগ্রহণের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। প্রায় ৮৫ মিনিটের ফোনালাপে দুই নেতা ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেন।

এর আগে শনিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তারও ইউক্রেনে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি এ ফোনালাপকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বলে অভিহিত করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জেলেনস্কি লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও আমি যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আমাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছি। এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে এ আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছি।’

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পসহ ৩২টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং প্রতিনিধিদল আঙ্কারায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ জানান, পুতিন ট্রাম্পকে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং দাবি করেন, রুশ বাহিনী সেখানে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অগ্রসর হচ্ছে। তবে বাস্তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সম্মুখযুদ্ধে রুশ বাহিনী তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। মূলত ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে ভারী সামরিক যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং উভয় পক্ষই বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

এদিকে কূটনৈতিক পর্যায়েও আলোচনা কার্যত অচলাবস্থায় রয়েছে। মস্কো পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে, তবে কিয়েভ এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

ঠিকানা/এসআর

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz