Thikana News
৩০ অগাস্ট ২০২৫
  1. ই-পেপার
  2. চলতি সংখ্যা
  3. বিশেষ সংখ্যা
  4. প্রধান সংবাদ
  5. আমেরিকার অন্দরে
  6. বিশ্বচরাচর
আমেরিকা শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

৯ মামলায় জামিন পেলেও এখনই মুক্তি মিলছে না ফখরুলের

৯ মামলায় জামিন পেলেও এখনই মুক্তি মিলছে না ফখরুলের ছবি সংগৃহীত
৯ মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। বুধবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিন পৃথক আদেশে মির্জা ফখরুলের জামিন মঞ্জুর করেন।

মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) মির্জা ফখরুলের আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নয় মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর জামিন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করা হয়।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে মির্জা ফখরুলের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট মহসীন মিয়া, মো. আসাদুজ্জামান, ওমর ফারুক ফারুকী ও জয়নুল আবেদীন মেজবাহ প্রমুখ।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার পাল, শাহ আলম, মনিরুজ্জামান মনির, মকবুল হোসেন ও আব্দুর রহমান।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। প্রতিটি মামলায় ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দেওয়া হয়।

মির্জা ফখরুলের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন মেজবাহ জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় বুধবার মির্জা ফখরুলের জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় এবং পল্টন থানার আরেকটি নাশকতার মামলায় জামিন না হওয়ায় এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।

এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর জামিন আবেদন করার পর প্রতিটি মামলায় জামিন শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়। ওইদিন মির্জা ফখরুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মির্জা ফখরুলের পক্ষে জামিন শুনানি করেন তার আইনজীবীরা। কিন্তু মামলাগুলোয় এর আগে মির্জা ফখরুলকে গ্রেপ্তার না দেখানোর ফলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিন আইনজীবীদের আগে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করতে বলেন।

মির্জা ফখরুলের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন মেজবাহ ৯ মামলায় মির্জা ফখরুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে বুধবার আবার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।

রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা ছয় মামলা ও রমনা থানায় দায়ের করা তিন মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিনের আবেদন করা হয়।

এই মামলাগুলোয় দেখা যায়, প্রতিটি মামলায় মির্জা ফখরুলের নাম রয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংঘর্ষের ঘটনায় এসব মামলা দায়ের করা হয়।

জানা গেছে, পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ হত্যা মামলা, পুলিশের অস্ত্র ছিনতাইয়ের, যানবাহন ভাঙচুরের অভিযোগে পল্টন ও রমনা এলাকার এসব ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়।

২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

২৯ অক্টোবর সকালে গুলশানের বাসভবন থেকে মির্জা ফখরুলকে গ্রেপ্তার করে ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করার পর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করা হলে সেখানেও জামিন নামঞ্জুর হয়। পরে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করা হলে হাইকোর্ট ৭ ডিসেম্বর কেন জামিন দেওয়া হবে না—এই মর্মে রুল জারি করেন। আজ বুধবার হাইকোর্ট জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন বলে জানা গেছে।

জামিন আদেশের পর মির্জা ফখরুলের আইনজীবীরা আদালতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ঠিকানা/এনআই

কমেন্ট বক্স