শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• বাংলাদেশের অর্থনীতি রক্ষায় বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর ইতিবাচক সাড়া : অর্থমন্ত্রী • জুমার দিন বেশি সওয়াব পেতে যে আমলগুলো করবেন • বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আত্মসমর্পণ করানো সম্ভব নয় : পেজেশকিয়ান • • নুরের মিসাইলে মগবাজার-বাংলামোটর তছনছ : রাশেদ খাঁন • যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলা, ৩ শিশুসহ নিহত ৪ • সীতার চরিত্রে সাই পল্লবীকে ছাড়া কাউকে ভাবতে পারি না : রণবীর • ফিফা কাউন্সিলে ক্ষমা চাইলেন ইনফান্তিনো • ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করলেন ট্রাম্প • ড. ইউনূসের সম্মানে দাঁড়িয়ে করতালি ৪০০ দর্শকের, হিলারি ক্লিনটনের হাত থেকে গ্রহণ করলেন পুরস্কার

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
বর্তমানে মা-বাবার অন্যতম বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের মোবাইল ফোনে আসক্তি। স্মার্টফোনে গেম খেলা কিংবা ভিডিও কনটেন্ট দেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটাচ্ছে অনেক শিশু। একবার ফোন হাতে পেলে তারা সহজে সেটি থেকে মনোযোগ সরাতে পারে না। 

এতে বাইরের জগতের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ কমছে, কমে যাচ্ছে শারীরিক কার্যকলাপও। ফলে ছোটবেলা থেকেই অলস জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে শিশুরা। এ পরিস্থিতি থেকে শিশুদের দূরে রাখতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভ্যাসে লাগাম টানা জরুরি। তবে হঠাৎ করে ফোন ব্যবহার বন্ধ না করে কিছু কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের এ অভ্যাস থেকে বের করে আনা সম্ভব। চলুন, জেনে নেওয়া যাক শিশুকে মোবাইল ফোন থেকে দূরে রাখতে কী কী করতে পারেন।

১. নিজেকেও ফোন থেকে দূরে রাখুন

আপনার স্মার্টফোনগুলোকে দূরে রাখুন, বিশেষ করে যখন পরিবারে কোয়ালিটি টাইম কাটাবেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানো কমিয়ে আনুন। সেইসঙ্গে শিশুর সামনে ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। কারণ আপনাকে দেখেই শিশু শিখবে। তাই তাকে ফোন থেকে দূরে রাখতে চাইলে আগে নিজের অভ্যাস তৈরি করুন।

২. নির্দিষ্ট সময়ে নো ডিভাইস নিয়ম অনুসরণ করুন

শিশুরা নির্দিষ্ট সময়ে যেমন খাবার সময় এবং ঘুমানোর আগে ডিভাইস ব্যবহার যেন না করে সেদিকে খেয়াল রাখুন। শিশুদের ঘুমের সময় নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের বিছানার পাশে যেন ডিভাইস না থাকে সেদিকেও খেয়াল রাখুন। এছাড়া তাদের প্রতিদিন ভালো ঘুমের জন্য অন্তত ৮-৯ ঘণ্টা ঘুমানোর ব্যবস্থা করুন। এতে তাদের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

৩. শিশুকে সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত রাখুন

নাচ, সাঁতার, জিমন্যাস্টিকস, সঙ্গীত বা শিশুর পছন্দের কিছু শেখানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। নিজেই করা যায় এমন কাজ শিশুকে করতে শেখাতে পারেন। তাদের কোনো সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত রাখুন। এটি তাদের অবসর সময়গুলোতে ব্যস্ত এবং উৎপাদনশীল রাখবে। যা তার মেধা বিকাশেও কাজ করবে। 

৪. রাতের খাবারের আগে বা পরে পারিবারিক আড্ডা

পুরো পরিবারের একসঙ্গে অন্তত রাতের বেলা সময় কাটানোর ব্যবস্থা করুন। হতে পারে তা মজার কোনো খেলা, মজার গল্প বলা বা নিছকই আড্ডা দেওয়া। সবাইকে নিয়ে সময় কাটান। শিশুদের সৃজনশীল কিছু করার জন্য বলতে পারেন। তারা আবৃত্তি শোনাতে পারে কিংবা গান গেয়ে শোনাতে পারে। বড়রাও তাদের সঙ্গে অংশ নিতে পারেন। পরিবারের সবার সঙ্গে আনন্দময় স্মৃতি তৈরি করার বিকল্প নেই। এটি শিশুকে একজন হাসিখুশি আর ইতিবাচক মানুষ হিসেবে তৈরি করবে।

৫. বই পড়তে দিন

শিশুদের বই পড়া উপভোগ করতে উৎসাহিত করুন। পুরো পরিবারের জন্য প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে পড়ার জন্য সময় আলাদা করুন। পড়া শেষ হলে শিশুরা তাদের বাবা-মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তারা যে বইগুলো পড়েছে তা নিয়ে আলোচনা করতে পারে।

৬. বাইরে খেলা

শিশুকে স্মার্টফোন থেকে দূরে রাখার একটি দুর্দান্ত উপায় হলো বাইরে গিয়ে রোদ এবং প্রকৃতি উপভোগ করা। যখনই সম্ভব, আপনার শিশুদের সঙ্গে পার্কে বেড়াতে যান। সম্ভব হলে ক্রিকেট, ফুটবল বা ব্যাডমিন্টন খেলা উপভোগ করুন। এই ক্রিয়াকলাপগুলো শিশুদের শুধু প্রতিযোগিতামূলকই করে তুলবে না, তারা যথেষ্ট সময়ের জন্য শারীরিকভাবে সক্রিয়ও থাকতে পারবে।

ঠিকানা/এএস 

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz