শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প • রান্নাঘর ঝাড়ু দিচ্ছিলেন, ফোনে এল নোবেল জয়ের খবর • শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে, এর বিকল্প নেই • পাকিস্তানের কারণে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সুযোগ পেল বাংলাদেশ • ইউক্রেনে দুই বাসে রুশ হামলা, নিহত ৩৩, আহত ১৮ • বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে • প্রধানমন্ত্রীর নতুন বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন • রংপুরে ৪ খুন : সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ • স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শেখাতে ব্রুকলিনে ৪ হাজার ডলার

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

আমার আইকিউ সবচেয়ে বেশি : ট্রাম্প

আমার আইকিউ সবচেয়ে বেশি : ট্রাম্প

ফাইল ছবি

বিজ্ঞাপন
নিজের আইকিউকে ‘সবচেয়ে বেশি’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) খ্যাতিমান পদার্থবিদ ও প্রকৌশলী এবং তার প্রয়াত চাচা জন ট্রাম্পের জিন ও বুদ্ধিমত্তাই তিনি পেয়েছেন।

সম্প্রতি ‘টাইম’ সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইরানের যুদ্ধ এবং মূলধারার গণমাধ্যমের সঙ্গে বিরোধের পাশাপাশি এই প্রসঙ্গটিও তোলেন ট্রাম্প। সাক্ষাৎকারে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানকে বিশ্বাস করা প্রসঙ্গে নিজের আইকিউয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার চাচা ৪১ বছর এমআইটিতে ছিলেন এবং তিনি নিজেই জেনেটিকসে বিশ্বাস করেন ও বিষয়টি বোঝেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রয়াত চাচা জন ট্রাম্প এমআইটির প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং চিকিৎসায় রেডিয়েশনের প্রয়োগের জন্য ১৯৮৫ সালে ‘ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্স’ পদক পেয়েছিলেন। তবে ট্রাম্পের এই দাবির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ট্রলের ঝড়। জিন বা বংশগতি কীভাবে কাজ করে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নেটিজেনরা মন্তব্য করেন যে চাচার বুদ্ধিমত্তা সরাসরি ভাতিজার আইকিউ নির্ধারণ করে না এবং চাচা বাবা না হওয়ায় এমন দাবি অবৈজ্ঞানিক। 

ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও বিভিন্ন সময় নির্বাচনী প্রচারণায় কিংবা বক্তব্যে নিজের চাচার ‘ভালো জিন’ এবং মেধার কথা বারবার উল্লেখ করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে উপহাস

ট্রাম্পের এমন দাবির পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ট্রলের ঝড়। জিন বা বংশগতি কীভাবে কাজ করে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নেটিজেনরা।

এক এক্স ব্যবহারকারী লেখেন, “ট্রাম্প আসলে জেনেটিকস কীভাবে কাজ করে, সেটাই বোঝেন না। তার চাচা যদি তার বাবা না হন, তবে তার বুদ্ধিমত্তা আসার কথা বাবা-মা বা দাদা-দাদির কাছ থেকে, চাচার কাছ থেকে নয়।”

আরেকজন মন্তব্য করেন, “কারও চাচা বুদ্ধিমান হলেই কেউ তার মতো বুদ্ধিমান হয়ে যায়—এটা একেবারে অবৈজ্ঞানিক।”

অন্য এক ব্যবহারকারী লেখেন, “চাচার বুদ্ধিমত্তা থাকলে ভাতিজার আইকিউ বেশি হয়ে যাবে, এমন অদ্ভুত দাবি কেবল ট্রাম্পেরই মানায়।”

ঠিকানা/এনআই

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz