কাব্যের দরবেশ, দেবদ্রোহী ভাটির কুমার
তিতিক্ষার এ শহরাঞ্চলীয় উপাখ্যান-
প্রতীক্ষার দীক্ষা নিতে দাঁড়ালাম আজ,
দাঁড়িকমা-বিহীন সার্বভৌম এক জনপদ-
রক্তে ঝলকে উঠে সবুজ আলোর বিচ্ছুরণ।
চরণে শব্দ-নৃত্যের নাগিনী-দ্যোতনা।
কাব্যের দরবেশ,
আল মাহমুদ, দেবদ্রোহী, ভাটির কুমার!
বিশ্বাসের কবি,
মায়াবী পর্দা দুলে ওঠা উপাস্য-
নীল নাকফুল, মেকি নগর-যন্ত্রণা,
কালের কলসে নিঃসৃত মরমি সত্তা।
হাত-কলম কাগুজে পৃষ্ঠায় জন্ম নিয়েছে-
শব্দালংকারের প্রতিটি ছন্দ, প্রতিটি বিশ্বাস।
অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্নায় গেঁথে আছে-
আস্থান, প্রস্থান আর ধ্রুপদি সবরের সম্মিলন।
মানুষের পটে আপনি ছিলেন বড় বেমানান হে কবি,
যুগান্তরের ছায়ায় ঢেকে ছিল লোকান্তর ভাবনা।
‘খড়ের গম্বুজ’ যেন নিঃশব্দে ডেকে বলল-
এসো!
আর সোনালী কাবিন বেয়ে
এক করুণ সুরে ভেসে গেলেন শুভ শুক্রবারে...।
বখতিয়ারের ঘোড়ায় চড়ে মুতার প্রান্তরে
পঙ্ক্তির দোঁহে পরস্পর হব-
কবিতার শব্দে, প্রেমের স্পর্শে,
এবং প্রতিটি সাহসী উচ্চারণে।
সেদিন খুব দূরে নয়...
সেই দিন-
ফাতহুম মুবিনের মতোই কাছাকাছি।
নিউজটি শেয়ার করুন