উৎসব ও আনন্দঘন পরিবেশে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শনিবার (৯ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার উপনির্বাচন। এই নির্বাচনে মেয়র পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও লড়াই হয়েছে দুই প্রার্থীর মধ্যে।
নির্বাচনে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১৪টি কেন্দ্রে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয়।
নির্বাচনে পৌরসভার প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যানের ছেলে বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম সরকার (নারিকেল গাছ) প্রতীক নিয়ে ১০ হাজার ২৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বর্তমান এমপি (স্বতন্ত্র) এবিএম আনিছুজ্জামানের সহধর্মিণী শামীমা আক্তার। জগ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪৫ ভোট। এ ছাড়া অপর প্রার্থী নূরুল হুদা শিবলু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ৮৯৭ ভোট।
শনিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল ঘোষণা করেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ত্রিশাল পৌরসভা উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার জুয়েল আহমেদ।
উৎকণ্ঠা ও শঙ্কা থাকলেও এই প্রথম ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ত্রিশাল পৌরসভার ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ইভিএমে প্রথমবার ভোট হলেও শেষ পর্যন্ত ভোট প্রদানে কোনো সমস্যা হয়নি বলে জানান ভোটাররা।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পৌর মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবিএম আনিছুজ্জামান। তিনি স্বতন্ত্র এমপি নির্বাচিত হন। মেয়র পদ শূন্য হওয়ায় অনুষ্ঠিত পৌরসভার মেয়র পদে উপনির্বাচনে প্রার্থী হন তার সহধর্মিণী শামীমা আক্তার।
নবনির্বাচিত মেয়র আমিনুল ইসলাম আমিন সরকার ফলাফল ঘোষণার পর বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ায় জনগণ বিপুল ভোটে আমাকে নির্বাচিত করেছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে আমিন সরকার এ বিজয় জনগণকে উৎসর্গ করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও জুয়েল আহম্মেদ বলেন, সব বিভাগের কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছি। নির্বাচনকে সব প্রকার শঙ্কামুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভূমিকা পালন করেছে।
ঠিকানা/এনআই