চলমান বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে হেরে আসর শুরু করেছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়েছে কোচ সালাউদ্দিনের শিষ্যরা। সেই সঙ্গে সাত ম্যাচ খেলে চার জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থান দখল করেছে টুর্নামেন্টে সফল দলটি। সপ্তম ম্যাচে খুলনাকে ৩৪ রানে হারিয়েছে কুমিল্লা।
৭ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে খুলনাকে ১৫০ রানের লক্ষ্য দেয় লিটন-হৃদয়রা। জবাব দিতে নেমে মাত্র ১১৫ রানেই গুটিয়ে যায় বিজয়-আফিফরা। এতে ৩৪ রানের হারের স্বাদ পায় খুলনা।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করে খুলনা টাইগার্স। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি এনামুল হক বিজয়। ১২ বলে ১৯ রান করে আলিস আল ইসলামের বলে বোল্ড আউট হন তিনি।
এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আফিফ হোসেনও। ৯ বলে ৫ রান করে আউট হন এই টাইগার ব্যাটার। ৮ বলে ৫ রান করে আফিফকে সঙ্গ দেন আকবর আলি।
এরপরই খুলনা চেপে ধরে কুমিল্লা। এক প্রান্ত আগলে রাখা চেষ্টা করলেও তা ধরে রাখতে পারেননি ইভেন লুইস। ১৪ বলে ১০ রান করে ক্যাচ আউট হন তিনি। ৩ বলে শূন্য রান করে পারভেজ ইমন আউট হলে দলীয় ৪৯ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে খুলনা।
মোহাম্মদ নাওয়াজকে সঙ্গে নিয়ে খুলনা শিবিরে হাল ধরার চেষ্টা করেন নাহিদুল ইসলাম। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি নাওয়াজ। ১৩ বলে ৭ রান করে স্বদেশি আমির জামালের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার।
১৩ বলে ১৩ রান করে নাহিদুলকে সঙ্গ দেন ফাহিম আশরাফ। ২৪ বলে ২১ রান করে নাহিদুল ইসলাম আউট হলে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় খুলনা টাইগার্স। পরের বলেই ডাক আউট হন নাসুম আহমেদ।
শেষ দিকে ১২ বলে ২৩ রান করে ওয়াসিম জুনিয়র আউট হলে ৭ বলে হাতে থাকতেই ১১৫ রানে অলআউট হয় খুলনা। ৫ বলে ৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মুকিদুল ইসলাম। এতে ৩৪ রানের জয় পায় কুমিল্লা।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকার করেন আমির জামাল। দুই উইকেট শিকার করেন তানভীর ইসলাম। এ ছাড়াও আলিম আল ইসলাম, উইল জ্যাক ও মোস্তাফিজুর রহমান একটি করে উইকেট নেন।
ঠিকানা/ছালিক