
শীতের ভোরে শার্শি ঠেলে রোদ্দুর এসে খাড়া।
একটু দাঁড়া,
আসছি আমি, চশমা খুঁজে নিই,
ভাবছি তোকে কোথায় বসাই, কী খেতে দিই।
কফি দেব? সঙ্গে দুটো মিষ্টি ছায়া-কুকি?
এই, হচ্ছেটা কী? এ-ঘর, ও-ঘর দিচ্ছ তুমি উঁকি,
খুঁজছ যাকে, সে বাড়ি নেই, শান্ত হয়ে বসো,
শীতের ভোরে খেতে দেব পুলি পিঠা, সঙ্গে খেজুর রসও।
ভাবছ এসব ঠাট্টা বুঝি, এ-দূর দেশে কোথায় পাব রস?
তাই বুঝি এ-বেসুরো গান, কণ্ঠ কী কর্কশ!
বলছি শোনো, আমার কাছে অলৌকিক এক খাতা আছে,
ওখান থেকে অক্ষর এনে যা-খুশি তা-ই তৈরি করা যায়,
অক্ষরেরা ঝুলে থাকে প্রকাণ্ড এক জাদুর গাছে,
হাত বাড়ালেই স্বপ্নপূরণ,
ইচ্ছেফলের রং নিয়ে সে কেবলই চমকায়।
বুঝলে এবার অগ্নি-সহোদর
এই পৃথিবীর সকল দিয়ে কেমন করে পূর্ণ আমার ঘর?
একটু দাঁড়া,
আসছি আমি, চশমা খুঁজে নিই,
ভাবছি তোকে কোথায় বসাই, কী খেতে দিই।
কফি দেব? সঙ্গে দুটো মিষ্টি ছায়া-কুকি?
এই, হচ্ছেটা কী? এ-ঘর, ও-ঘর দিচ্ছ তুমি উঁকি,
খুঁজছ যাকে, সে বাড়ি নেই, শান্ত হয়ে বসো,
শীতের ভোরে খেতে দেব পুলি পিঠা, সঙ্গে খেজুর রসও।
ভাবছ এসব ঠাট্টা বুঝি, এ-দূর দেশে কোথায় পাব রস?
তাই বুঝি এ-বেসুরো গান, কণ্ঠ কী কর্কশ!
বলছি শোনো, আমার কাছে অলৌকিক এক খাতা আছে,
ওখান থেকে অক্ষর এনে যা-খুশি তা-ই তৈরি করা যায়,
অক্ষরেরা ঝুলে থাকে প্রকাণ্ড এক জাদুর গাছে,
হাত বাড়ালেই স্বপ্নপূরণ,
ইচ্ছেফলের রং নিয়ে সে কেবলই চমকায়।
বুঝলে এবার অগ্নি-সহোদর
এই পৃথিবীর সকল দিয়ে কেমন করে পূর্ণ আমার ঘর?