সংবাদপত্র মানেই খবর আর খবর। খবরের ছড়াছড়ি। নানা রঙের, বিচিত্র চরিত্রের খবর। আনন্দ-বিষাদ, হাসি-কান্না, জয়-পরাজয়-সব খবর মেলে একটি খবরের কাগজে। চার দশকের অধিক সময় পর নিউইয়র্কের বেসবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এতে স্টেটের রাজধানী আলবেনি থেকে বিশ্ব রাজধানী নিউইয়র্কের ম্যানহাটন, ব্রঙ্কস, কুইন্স, ব্রুকলিন, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডসহ সকল কাউন্টি, সব নেইবারহুডে আনন্দের ঢেউ আর আটলান্টিক মহাসাগরের ঢেউ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। যার রেশ এখনো রয়ে গেছে। এবারের বিশ্বকাপে ইউএসএ ফুটবল দল খুব ভালো করছে। বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটিতেও আনন্দের আয়োজন কম নেই। পিকনিকের আমেজ চারদিকে।
পাশাপাশি আছে ‘ঠিকানা’ ফুটবল টুর্নামেন্টের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন। ঠিকানা নামেই একসময় ফুটবল টুর্নামেন্ট চালু ছিল। মাঝখানে অন্য নামে হয়েছে। আবার ঠিকানার নামে শুরু হয়েছে কমিউনিটি-ভিত্তিক টুর্নামেন্টের আয়োজন। ভালো লাগছে। একদিকে বিশ্বকাপ ফুটবলে বিশ্ব কাঁপছে। আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি ধ্বনিতে স্টেডিয়াম প্রকম্পিত হচ্ছে। খেলোয়াড়ি জীবনের সায়াহ্নে এসে মেসি যেন দুর্বার, অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন। একটার পর একটা গোল, সঙ্গে হ্যাটট্রিক। দলের পক্ষে ৫ গোলের ৫টিই মেসির পা থেকে এসেছে। মেসির খেলায় মুগ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকেরাও ‘মেসি’ ‘মেসি’ চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। মেসি যেন আর কেবলই আর্জেন্টিনার হিরো ননÑমেসি এখন বিশ্ব হিরো।
তবু কেন সব আনন্দ মলিন ও বিবর্ণ হয়ে যায় অনেকটাই বিষাদের কাছে। এত আনন্দ সংবাদের মধ্যেও কেন মানুষ মনোবেদনায় নীল হয়, যখন সংবাদপত্রের খবরে দেখা যায়, রেকর্ডভাঙা তাপদাহে জ্বলছে যুক্তরাষ্ট্র। নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন স্টেট থেকে গ্রীষ্মের দাহে শত শত মৃত্যুর খবর শোনা যাচ্ছে। ঝুঁকিতে আরও কয়েক কোটি মানুষ। বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে এবারই প্রথম খেলায় দুই হাফের মাঝখানে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ দেওয়া হচ্ছে। এটা জলবায়ু পরিবর্তনের ফল। সে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ এলাকা চরম দাবদাহে পরিণত হয়েছে। এই গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্নভাবে জনসাধারণকে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। এর মধ্যে আসছে ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবস। প্যারেড, আতশবাজির উৎসবে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ ঘটবে। সেই সব সমাবেশে এই গরমে মানুষের কী অবস্থা হবে, কে জানে। যদি বৃষ্টি হয়ে বাতাস কিছুটা শীতল হয়-তবেই রক্ষা।
তবে যে খবরটি সবচেয়ে বেশি মানুষের মনকে স্পর্শ করছে এবং উতলা করে তুলছে, সেই খবরটির শিরোনাম ‘জীবনযুদ্ধে হেরে যাচ্ছেন শিক্ষকরা’। ঠিকানার ১৭ জুন সংখ্যার শেষ পৃষ্ঠায় খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে। এক কলামে ছাপা হলেও এর প্রভাব ব্যাপক। শিক্ষকতা পেশাই ছিল একসময় যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে সম্মানিত ও স্থিতিশীল পেশা। শিক্ষকরা ছিলেন জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের কারিগর। শিক্ষকরা ছিলেন সমাজের স্তরে সম্মানিত। কিন্তু চলমান সময়ের কশাঘাতে তারা জীবন বাঁচাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় তারা হেরে যাচ্ছেন।
সংবাদটিতে বলা হয়েছে, বৈরী আবহাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধবিগ্রহের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য প্রতিদিন বেড়ে চলেছে প্রতিযোগিতা করে। এই প্রতিযোগিতায় তারা হেরে যাচ্ছেন। কেউ একাধিক পেশা নিয়ে টিকে থাকার জন্য যুদ্ধ করছেন। কেউ ঋণ করে মর্যাদা রক্ষা করছেন। শিক্ষকদের জীবনযুদ্ধে প্রতিনিয়ত হেরে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা সংগঠনের নেতারা, বিশেষজ্ঞরা। তাদের উদ্বেগ, শিক্ষকদের এই পরাজয় একসময় শিক্ষাব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে তুলবে। তাই সময় থাকতে এখনই সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এগিয়ে আসতে হবে। নইলে ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।
পাশাপাশি আছে ‘ঠিকানা’ ফুটবল টুর্নামেন্টের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন। ঠিকানা নামেই একসময় ফুটবল টুর্নামেন্ট চালু ছিল। মাঝখানে অন্য নামে হয়েছে। আবার ঠিকানার নামে শুরু হয়েছে কমিউনিটি-ভিত্তিক টুর্নামেন্টের আয়োজন। ভালো লাগছে। একদিকে বিশ্বকাপ ফুটবলে বিশ্ব কাঁপছে। আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি ধ্বনিতে স্টেডিয়াম প্রকম্পিত হচ্ছে। খেলোয়াড়ি জীবনের সায়াহ্নে এসে মেসি যেন দুর্বার, অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন। একটার পর একটা গোল, সঙ্গে হ্যাটট্রিক। দলের পক্ষে ৫ গোলের ৫টিই মেসির পা থেকে এসেছে। মেসির খেলায় মুগ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকেরাও ‘মেসি’ ‘মেসি’ চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। মেসি যেন আর কেবলই আর্জেন্টিনার হিরো ননÑমেসি এখন বিশ্ব হিরো।
তবু কেন সব আনন্দ মলিন ও বিবর্ণ হয়ে যায় অনেকটাই বিষাদের কাছে। এত আনন্দ সংবাদের মধ্যেও কেন মানুষ মনোবেদনায় নীল হয়, যখন সংবাদপত্রের খবরে দেখা যায়, রেকর্ডভাঙা তাপদাহে জ্বলছে যুক্তরাষ্ট্র। নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন স্টেট থেকে গ্রীষ্মের দাহে শত শত মৃত্যুর খবর শোনা যাচ্ছে। ঝুঁকিতে আরও কয়েক কোটি মানুষ। বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে এবারই প্রথম খেলায় দুই হাফের মাঝখানে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ দেওয়া হচ্ছে। এটা জলবায়ু পরিবর্তনের ফল। সে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ এলাকা চরম দাবদাহে পরিণত হয়েছে। এই গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্নভাবে জনসাধারণকে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। এর মধ্যে আসছে ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবস। প্যারেড, আতশবাজির উৎসবে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ ঘটবে। সেই সব সমাবেশে এই গরমে মানুষের কী অবস্থা হবে, কে জানে। যদি বৃষ্টি হয়ে বাতাস কিছুটা শীতল হয়-তবেই রক্ষা।
তবে যে খবরটি সবচেয়ে বেশি মানুষের মনকে স্পর্শ করছে এবং উতলা করে তুলছে, সেই খবরটির শিরোনাম ‘জীবনযুদ্ধে হেরে যাচ্ছেন শিক্ষকরা’। ঠিকানার ১৭ জুন সংখ্যার শেষ পৃষ্ঠায় খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে। এক কলামে ছাপা হলেও এর প্রভাব ব্যাপক। শিক্ষকতা পেশাই ছিল একসময় যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে সম্মানিত ও স্থিতিশীল পেশা। শিক্ষকরা ছিলেন জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের কারিগর। শিক্ষকরা ছিলেন সমাজের স্তরে সম্মানিত। কিন্তু চলমান সময়ের কশাঘাতে তারা জীবন বাঁচাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় তারা হেরে যাচ্ছেন।
সংবাদটিতে বলা হয়েছে, বৈরী আবহাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধবিগ্রহের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য প্রতিদিন বেড়ে চলেছে প্রতিযোগিতা করে। এই প্রতিযোগিতায় তারা হেরে যাচ্ছেন। কেউ একাধিক পেশা নিয়ে টিকে থাকার জন্য যুদ্ধ করছেন। কেউ ঋণ করে মর্যাদা রক্ষা করছেন। শিক্ষকদের জীবনযুদ্ধে প্রতিনিয়ত হেরে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা সংগঠনের নেতারা, বিশেষজ্ঞরা। তাদের উদ্বেগ, শিক্ষকদের এই পরাজয় একসময় শিক্ষাব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে তুলবে। তাই সময় থাকতে এখনই সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এগিয়ে আসতে হবে। নইলে ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।