দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে দেশে হামে ও হামের উপসর্গে মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০২ জনে।
শুক্রবার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মোট মৃত্যুর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ জন। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬০৯ জন, যাদের মধ্যে অনেকের নমুনা পরীক্ষার সুযোগ হয়নি বা পরীক্ষার ফলাফল নিশ্চিত হয়নি।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে রয়েছে।
এদিকে, একই সময়ে ১০৭ জনের শরীরে নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এতে দেশে চলতি প্রাদুর্ভাবে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১১ হাজার ৫৪৯ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, গত একদিনে ৮৬৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামের মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯৭ হাজার ৫২২ জনে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণের ব্যাপক বিস্তারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে টিকাদানের বিকল্প নেই। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। নির্ধারিত বয়সে এমআর (Measles-Rubella) টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। অভিভাবকদের শিশুদের জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদানের আওতা শতভাগের কাছাকাছি না পৌঁছালে এবং দ্রুত রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা না গেলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তাই নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করাকে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঠিকানা/এসআর
শুক্রবার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মোট মৃত্যুর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ জন। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬০৯ জন, যাদের মধ্যে অনেকের নমুনা পরীক্ষার সুযোগ হয়নি বা পরীক্ষার ফলাফল নিশ্চিত হয়নি।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে রয়েছে।
এদিকে, একই সময়ে ১০৭ জনের শরীরে নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এতে দেশে চলতি প্রাদুর্ভাবে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১১ হাজার ৫৪৯ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, গত একদিনে ৮৬৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামের মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯৭ হাজার ৫২২ জনে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণের ব্যাপক বিস্তারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে টিকাদানের বিকল্প নেই। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। নির্ধারিত বয়সে এমআর (Measles-Rubella) টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। অভিভাবকদের শিশুদের জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদানের আওতা শতভাগের কাছাকাছি না পৌঁছালে এবং দ্রুত রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা না গেলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তাই নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করাকে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঠিকানা/এসআর