ইসরায়েলের নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়া গাদি আইজেনকোট বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার কট্টর ডানপন্থী মিত্ররা তার নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দিতে পারেন। তবে তাদের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার নেতৃত্ব মেনে নিতে হবে।
রোববার (৮ নভেম্বর) সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়ার পর আইজেনকোট এ কথা বলেন। খবর আরজ নিউজের।
তিনি জানান, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি এবং কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টি তার নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দিলে তিনি স্বাগত জানাবেন।
আইজেনকোট বলেন, ‘লিকুদ পার্টি ও রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টির সদস্যরা যদি সত্যিই মনে করেন, এটি ঐক্যের সময়, যেমনটি তারা প্রেসিডেন্টকে বলেছেন; তাহলে আমার নেতৃত্বাধীন সরকার এবং উপস্থাপিত নীতিগুলোকে সমর্থন না করার কোনো কারণ আমি খুঁজে পাচ্ছি না।’
প্রায় দুই দশক ধরে থেমে থেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন নেতানিয়াহু। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে গাজা, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন তিনি। গত মাসের নির্বাচনে তার সমর্থন কমে গেলেও কোনো পক্ষই সরাসরি সংখ্যাগরিষ্ঠতা দাবি করতে পারেনি।
গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে পরামর্শের সময় আইজেনকোটের পক্ষে ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থনের সুপারিশ জমা পড়ে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে সুপারিশ করেন ৪৬ জন আইনপ্রণেতা।
তবে এই হিসাবের মধ্যে ইসরায়েলি আরব আইনপ্রণেতারাও রয়েছেন। নেতানিয়াহু সরকারের ওপর ক্ষোভের কারণে নির্বাচনে তাদের আসনসংখ্যা ঐতিহাসিকভাবে বেড়েছে। নেতানিয়াহুর সরকারে থাকা কট্টর ডানপন্থী নেতারা প্রকাশ্যেই আরব সম্প্রদায়কে ‘একঘরে’ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
ঠিকানা/এনআই
রোববার (৮ নভেম্বর) সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়ার পর আইজেনকোট এ কথা বলেন। খবর আরজ নিউজের।
তিনি জানান, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি এবং কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টি তার নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দিলে তিনি স্বাগত জানাবেন।
আইজেনকোট বলেন, ‘লিকুদ পার্টি ও রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টির সদস্যরা যদি সত্যিই মনে করেন, এটি ঐক্যের সময়, যেমনটি তারা প্রেসিডেন্টকে বলেছেন; তাহলে আমার নেতৃত্বাধীন সরকার এবং উপস্থাপিত নীতিগুলোকে সমর্থন না করার কোনো কারণ আমি খুঁজে পাচ্ছি না।’
প্রায় দুই দশক ধরে থেমে থেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন নেতানিয়াহু। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে গাজা, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন তিনি। গত মাসের নির্বাচনে তার সমর্থন কমে গেলেও কোনো পক্ষই সরাসরি সংখ্যাগরিষ্ঠতা দাবি করতে পারেনি।
গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে পরামর্শের সময় আইজেনকোটের পক্ষে ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থনের সুপারিশ জমা পড়ে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে সুপারিশ করেন ৪৬ জন আইনপ্রণেতা।
তবে এই হিসাবের মধ্যে ইসরায়েলি আরব আইনপ্রণেতারাও রয়েছেন। নেতানিয়াহু সরকারের ওপর ক্ষোভের কারণে নির্বাচনে তাদের আসনসংখ্যা ঐতিহাসিকভাবে বেড়েছে। নেতানিয়াহুর সরকারে থাকা কট্টর ডানপন্থী নেতারা প্রকাশ্যেই আরব সম্প্রদায়কে ‘একঘরে’ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
ঠিকানা/এনআই