বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:০৩ , অনলাইন ভার্সন
২০২৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ার সমন্বিত ৯৫৫ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ এবং ১.৬৯২ বিলিয়ন জনসংখ্যার ভিত্তিতে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের মাথাপিছু গড় ঋণ ছিল প্রায় ৫৬৪ ডলার। যেখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ছিল এই আঞ্চলিক গড়ের চেয়েও বেশি।বাংলাদেশ সংবাদ

বিশ্বব্যাংকের এই আঞ্চলিক উপাত্তে ছয়টি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা। এসব দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ২০২৪ সালের তুলনায় ৬.৪ শতাংশ বেড়েছে।

এই অঞ্চলের মোট বৈদেশিক ঋণ তাদের মোট জাতীয় আয়ের (জিএনআই) ২১ শতাংশের সমপরিমাণ ছিল, আর রপ্তানি আয়ের ১০ শতাংশ ব্যয় হয়েছে ঋণ পরিশোধে। এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ভারতের (প্রায় ৫২২ ডলার) এবং নেপালের (৪০১ ডলার) চেয়ে বেশি।বাংলাদেশ সংবাদ

তবে জনপ্রতি শ্রীলঙ্কার (প্রায় ২,৬৪৫ ডলার), ভুটানের (৪,২১৮ ডলার) এবং মালদ্বীপের (প্রায় ৮,৯৫৭ ডলার) তুলনায় বাংলাদেশের এই ঋণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মোট বৈদেশিক ঋণের সিংহভাগই ভারতের, যার পরিমাণ ৭৬৩.৫২ বিলিয়ন ডলার। এর পরেই রয়েছে বাংলাদেশ (১১৩.৪৪ বিলিয়ন ডলার) এবং শ্রীলঙ্কা (৫৭.৬৬ বিলিয়ন ডলার)।

এই প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান অঞ্চলের আওতায় রাখা পাকিস্তানের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ১৩৫.১১ বিলিয়ন ডলার। তাদের ২৫৫.২ মিলিয়ন জনসংখ্যার ভিত্তিতে যা মাথাপিছু হিসাব দাঁড়ায় প্রায় ৫২৯ ডলার। একই আঞ্চলিক শ্রেণিবিন্যাসে অন্তর্ভুক্ত আফগানিস্তানের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৩.৪২ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ২.২ শতাংশ বেশি। দেশটির বর্তমান নিবন্ধিত জনসংখ্যা ৪৩.৮ মিলিয়ন।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈদেশিক ঋণের রেকর্ড ৯.৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর মোট বৈদেশিক ঋণ ২০২৫ সালে ৫.৫ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ৯.৪ ট্রিলিয়ন (৯ লাখ ৪০ হাজার কোটি) ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২১ সালের পর বার্ষিক বৃদ্ধির সর্বোচ্চ হার।

এই সময়ে দেশগুলো ঋণের আসল ও সুদ বাবদ যৌথভাবে সর্বমোট ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে, যা পরপর পঞ্চম বছরের মতো ঋণ পরিশোধের ব্যয়ে বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রধান পরিসংখ্যানবিদ ও উন্নয়ন তথ্য বিভাগের পরিচালক হাইশান ফু বলেন, 'নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রত্যাবর্তন অবশ্যই ইতিবাচক, কিন্তু এই দেশগুলো ঋণ নিচ্ছে বেশি, পরিশোধ করছেও বেশি এবং বহু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য খুব কম সম্পদ অবশিষ্ট থাকছে।'

বিশ্বব্যাংক থেকে সহজ শর্তে অর্থায়নের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য দেশগুলোর ক্ষেত্রে ঋণের বোঝা আরও দ্রুত বেড়েছে; এসব দেশের বৈদেশিক ঋণ ৮.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

ঠিকানা
 
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]