নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আবুল কালাম নামে পুলিশের এক কনস্টেবলকে হাত-পা ভেঙে এবং পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার তারাব পৌরসভার উত্তর মাসাবো এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, পুলিশ কনস্টেবল আবুল কালামের বাড়ি মাসাবো এলাকায়। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের সদস্য হিসেবে চাকরি করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে নিজ গ্রাম মাসাবো এলাকায় মাদক কারবারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তিনি ছুটিতে বাড়িতে এলেই মাদকসহ অপরাধের প্রতিবাদ করতেন। সম্প্রতি তিনি শাহাদাত ও এমদাদুল নামে স্থানীয় দুই মাদক কারবারিকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এর পর থেকেই শাহাদাতের ছোট ভাই শাহজালাল তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে শাহজালাল ফোন করে আবুল কালামকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। পরে তাকে উত্তর মাসাবো এলাকার একটি নির্জন বিলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা শাহজালালসহ ১০-১৫ জনের একটি দল তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
আবুল কালামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঠিকানা/এনআই
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার তারাব পৌরসভার উত্তর মাসাবো এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, পুলিশ কনস্টেবল আবুল কালামের বাড়ি মাসাবো এলাকায়। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের সদস্য হিসেবে চাকরি করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে নিজ গ্রাম মাসাবো এলাকায় মাদক কারবারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তিনি ছুটিতে বাড়িতে এলেই মাদকসহ অপরাধের প্রতিবাদ করতেন। সম্প্রতি তিনি শাহাদাত ও এমদাদুল নামে স্থানীয় দুই মাদক কারবারিকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এর পর থেকেই শাহাদাতের ছোট ভাই শাহজালাল তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে শাহজালাল ফোন করে আবুল কালামকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। পরে তাকে উত্তর মাসাবো এলাকার একটি নির্জন বিলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা শাহজালালসহ ১০-১৫ জনের একটি দল তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
আবুল কালামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঠিকানা/এনআই