সিলেটে নিজ বাড়ির বাথরুম থেকে মো. নুরুল ইসলাম (৬৫) নামের এক আমেরিকা প্রবাসীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ সুরমার কায়স্থরাইল এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নুরুল ইসলাম নগরীর দক্ষিণ সুরমার কায়স্থরাইল এলাকার ২ নম্বর রোডের ২৫ নম্বর বাসার মালিক। তিনি ওই এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে বাসার দ্বিতীয় তলার বাথরুমে নুরুল ইসলামের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এ সময় মরদেহের পাশে রান্নাঘরে ব্যবহৃত একটি দা দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, নিজ বাড়ির বাথরুম থেকে এক আমেরিকা প্রবাসীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার সন্তানরা যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তিনি দেশে এসে গত ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ওই বাসায় তিনি ও তার স্ত্রী থাকতেন।
তিনি আরও বলেন, এর আগেও নুরুল ইসলাম একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। এর পর থেকে তার কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ঘটনার দিন সকালে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে নামাজ আদায় ও নাশতা করেন। তখন পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। পরে হঠাৎ এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং ওই সময় বাসায় তারা দুজনই ছিলেন।
আফজাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যাকাণ্ডসহ অন্য কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। ময়নাতদন্ত ও মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
ঠিকানা/এনআই
নিহত নুরুল ইসলাম নগরীর দক্ষিণ সুরমার কায়স্থরাইল এলাকার ২ নম্বর রোডের ২৫ নম্বর বাসার মালিক। তিনি ওই এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে বাসার দ্বিতীয় তলার বাথরুমে নুরুল ইসলামের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এ সময় মরদেহের পাশে রান্নাঘরে ব্যবহৃত একটি দা দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, নিজ বাড়ির বাথরুম থেকে এক আমেরিকা প্রবাসীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার সন্তানরা যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তিনি দেশে এসে গত ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ওই বাসায় তিনি ও তার স্ত্রী থাকতেন।
তিনি আরও বলেন, এর আগেও নুরুল ইসলাম একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। এর পর থেকে তার কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ঘটনার দিন সকালে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে নামাজ আদায় ও নাশতা করেন। তখন পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। পরে হঠাৎ এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং ওই সময় বাসায় তারা দুজনই ছিলেন।
আফজাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যাকাণ্ডসহ অন্য কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। ময়নাতদন্ত ও মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
ঠিকানা/এনআই