চরম জলবায়ু ঝুঁকিতে ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ, তালিকায় বাংলাদেশও

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১৫:৫৬ , অনলাইন ভার্সন
বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত হওয়া প্রায় ৯ কোটি (৯০ মিলিয়ন) মানুষ খরার মতো তীব্র জলবায়ু-সংক্রান্ত ঝুঁকি, বন্যা ও চরম তাপদাহের মুখোমুখি অঞ্চলে বসবাস করছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের (সিওপি৩১) আগে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মতো তীব্র জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে অবস্থান করছে। খবর রয়টার্সের। 

প্রতিবেদনে যুদ্ধ সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের দ্বিমুখী সংকটের ভয়াবহ প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে সতর্ক করে ইউএনএইচসিআরের সহকারী হাই কমিশনার আন্তন লুইস গার্সিয়া জানান, সংঘাতময় ও বাস্তুচ্যুত এলাকাগুলোতে জলবায়ুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার অভিযোজন সক্ষমতা গড়ে তোলা এখন তাদের টিকে থাকার মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই যেখানে সাহায্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে দ্রুত জলবায়ু তহবিল বা অর্থায়ন পৌঁছানো অপরিহার্য বলে জোর দাবি জানান তিনি।

সংস্থাটি জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিজস্ব নিজ ভূখণ্ড বা গৃহে টেকসই প্রত্যাবর্তন আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি শরণার্থী এমন সব দেশে ফিরেছে যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি প্রবল, ফলে তাদের আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে সিরিয়া ও সুদান সংকটের পাশাপাশি সাব-সাহারান আফ্রিকার চরম তাপপ্রবাহের বিষয়গুলো প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, পূর্বাভাস অনুযায়ী আসন্ন শক্তিশালী ‘এল নিনোর’ কারণে শরণার্থী আশ্রয়দাতা দেশগুলোতে খরা, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ কেবল পূর্ব আফ্রিকাতেই তীব্র বন্যায় সোমালিয়া, কেনিয়া, সুদান ও উগান্ডার প্রায় ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইউএনএইচসিআর সিওপি৩১ সম্মেলনে উপস্থিত বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে জলবায়ু অভিযোজন সংক্রান্ত অর্থায়ন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলের মাত্র ১০ শতাংশ সংঘাতপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে পৌঁছায় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

ঠিকানা/এএস 
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]