ডেস্কটপ কম্পিউটারের সামনে থাকা ইউএসবি পোর্ট ব্যবহার বেশ সুবিধাজনক। কোনো ডিভাইস সংযোগ দিতে কম্পিউটারের পেছনে গিয়ে পোর্ট খুঁজতে হয় না। সহজেই সামনে থেকে ইউএসবি ডিভাইস সংযোগ ও বিচ্ছিন্ন করা যায়।
তবে এই সুবিধার সঙ্গে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। সামনের ইউএসবি পোর্টে ডিভাইস সংযোগ করলে অনেক ক্ষেত্রে সেটির গতি প্রত্যাশার তুলনায় কম পাওয়া যেতে পারে। ফাইল কপি হতে বেশি সময় লাগতে পারে, আবার ফোন চার্জ হতেও তুলনামূলক বেশি সময় লাগতে পারে।
এর অর্থ এই নয় যে কম্পিউটারে সমস্যা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ডেস্কটপের সামনের ইউএসবি পোর্ট কীভাবে তৈরি ও সংযুক্ত করা হয়েছে, তার ওপরই গতি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পার্থক্য নির্ভর করে। অবশ্য সব আধুনিক কম্পিউটারের ক্ষেত্রে এমনটা প্রযোজ্য নয়। কিছু আধুনিক কম্পিউটারে সামনের দিকেও উচ্চগতির ইউএসবি পোর্ট থাকে।
সামনের ইউএসবি পোর্ট কেন ধীর হতে পারে
ডেস্কটপের পেছনের ইউএসবি পোর্টগুলো সাধারণত মাদারবোর্ডের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। ফলে ডেটা ও বিদ্যুৎ তুলনামূলক কম দূরত্ব অতিক্রম করে ডিভাইসে পৌঁছায়।
অন্যদিকে, সামনের ইউএসবি পোর্টগুলো সাধারণত অতিরিক্ত তারের মাধ্যমে মাদারবোর্ডের ইনপুট-আউটপুট নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এই অতিরিক্ত সংযোগের কারণে সামান্য হলেও সংকেতের ক্ষতি হতে পারে। ফলে পেছনের সরাসরি সংযুক্ত পোর্টের তুলনায় সামনের পোর্টের কার্যক্ষমতায় পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
এ ছাড়া অনেক উচ্চক্ষমতার মাদারবোর্ডে ইউএসবির জন্য একাধিক সংযোগব্যবস্থা বা হেডার থাকে। এর মাধ্যমে একাধিক পোর্ট উচ্চগতিতে কাজ করতে পারে। তবে কম্পিউটারের সামনের প্যানেলের পোর্টগুলো অনেক সময় একটি সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ফলে সামনের একাধিক পোর্ট ব্যবহার করলে ডেটা স্থানান্তরের গতি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরস্পরের মধ্যে ভাগ হয়ে যেতে পারে।
আরেকটি বিষয় হলো, সব ইউএসবি পোর্ট একই মানের নয়। নির্মাতারা অনেক সময় সামনের প্যানেলে অপেক্ষাকৃত কম গতির ইউএসবি পোর্টও দিয়ে থাকেন।
শুধু ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়, ম্যাক কম্পিউটারেও সামনের ও পেছনের পোর্টের গতিতে পার্থক্য দেখা যায়। বর্তমান বেসলাইন ম্যাক মিনি মডেলের সামনের দুটি ইউএসবি-সি পোর্টের গতি সর্বোচ্চ ১০ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড। অন্যদিকে পেছনের থান্ডারবোল্ট ৪ পোর্টের গতি সর্বোচ্চ ৪০ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড।
সর্বশেষ ম্যাক স্টুডিওতেও একই ধরনের পার্থক্য রয়েছে। এর বেস মডেলে সামনের দুটি ইউএসবি-সি পোর্ট ১০ গিগাবিট গতির হলেও থান্ডারবোল্ট পোর্টগুলো রয়েছে পেছনে।
তাই কোনো ডিভাইস সংযোগ দেওয়ার আগে কম্পিউটার বা মাদারবোর্ডের ইউএসবি পোর্টগুলোর গতি ও বৈশিষ্ট্য দেখে নেওয়া ভালো। পোর্টের রং বা বিভিন্ন প্রতীক দেখে ধারণা পাওয়া গেলেও সব নির্মাতার ক্ষেত্রে এগুলো একই অর্থ বহন করে না। ফলে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার বা মাদারবোর্ডের স্পেসিফিকেশন যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
ঠিকানা/এসআর
তবে এই সুবিধার সঙ্গে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। সামনের ইউএসবি পোর্টে ডিভাইস সংযোগ করলে অনেক ক্ষেত্রে সেটির গতি প্রত্যাশার তুলনায় কম পাওয়া যেতে পারে। ফাইল কপি হতে বেশি সময় লাগতে পারে, আবার ফোন চার্জ হতেও তুলনামূলক বেশি সময় লাগতে পারে।
এর অর্থ এই নয় যে কম্পিউটারে সমস্যা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ডেস্কটপের সামনের ইউএসবি পোর্ট কীভাবে তৈরি ও সংযুক্ত করা হয়েছে, তার ওপরই গতি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পার্থক্য নির্ভর করে। অবশ্য সব আধুনিক কম্পিউটারের ক্ষেত্রে এমনটা প্রযোজ্য নয়। কিছু আধুনিক কম্পিউটারে সামনের দিকেও উচ্চগতির ইউএসবি পোর্ট থাকে।
সামনের ইউএসবি পোর্ট কেন ধীর হতে পারে
ডেস্কটপের পেছনের ইউএসবি পোর্টগুলো সাধারণত মাদারবোর্ডের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। ফলে ডেটা ও বিদ্যুৎ তুলনামূলক কম দূরত্ব অতিক্রম করে ডিভাইসে পৌঁছায়।
অন্যদিকে, সামনের ইউএসবি পোর্টগুলো সাধারণত অতিরিক্ত তারের মাধ্যমে মাদারবোর্ডের ইনপুট-আউটপুট নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এই অতিরিক্ত সংযোগের কারণে সামান্য হলেও সংকেতের ক্ষতি হতে পারে। ফলে পেছনের সরাসরি সংযুক্ত পোর্টের তুলনায় সামনের পোর্টের কার্যক্ষমতায় পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
এ ছাড়া অনেক উচ্চক্ষমতার মাদারবোর্ডে ইউএসবির জন্য একাধিক সংযোগব্যবস্থা বা হেডার থাকে। এর মাধ্যমে একাধিক পোর্ট উচ্চগতিতে কাজ করতে পারে। তবে কম্পিউটারের সামনের প্যানেলের পোর্টগুলো অনেক সময় একটি সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ফলে সামনের একাধিক পোর্ট ব্যবহার করলে ডেটা স্থানান্তরের গতি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরস্পরের মধ্যে ভাগ হয়ে যেতে পারে।
আরেকটি বিষয় হলো, সব ইউএসবি পোর্ট একই মানের নয়। নির্মাতারা অনেক সময় সামনের প্যানেলে অপেক্ষাকৃত কম গতির ইউএসবি পোর্টও দিয়ে থাকেন।
শুধু ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়, ম্যাক কম্পিউটারেও সামনের ও পেছনের পোর্টের গতিতে পার্থক্য দেখা যায়। বর্তমান বেসলাইন ম্যাক মিনি মডেলের সামনের দুটি ইউএসবি-সি পোর্টের গতি সর্বোচ্চ ১০ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড। অন্যদিকে পেছনের থান্ডারবোল্ট ৪ পোর্টের গতি সর্বোচ্চ ৪০ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড।
সর্বশেষ ম্যাক স্টুডিওতেও একই ধরনের পার্থক্য রয়েছে। এর বেস মডেলে সামনের দুটি ইউএসবি-সি পোর্ট ১০ গিগাবিট গতির হলেও থান্ডারবোল্ট পোর্টগুলো রয়েছে পেছনে।
তাই কোনো ডিভাইস সংযোগ দেওয়ার আগে কম্পিউটার বা মাদারবোর্ডের ইউএসবি পোর্টগুলোর গতি ও বৈশিষ্ট্য দেখে নেওয়া ভালো। পোর্টের রং বা বিভিন্ন প্রতীক দেখে ধারণা পাওয়া গেলেও সব নির্মাতার ক্ষেত্রে এগুলো একই অর্থ বহন করে না। ফলে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার বা মাদারবোর্ডের স্পেসিফিকেশন যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
ঠিকানা/এসআর