আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ স্মরণে বাংলাদেশে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো দিবসটি পালন করে আসছে। প্রবাসেও দিবসটি পালন করেন দলটির নেতাকর্মীরা। নিউইয়র্কে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলো প্রতিবছর এ দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে থাকে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত দিন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের পর তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দি হন। ৭ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্যে তিনি মুক্তি পান। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাসে বড় পরিবর্তন আসে এবং পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়াউর রহমানের উত্থানের পথ তৈরি হয়।
বিএনপি দিনটিকে ‘সিপাহী-জনতার বিপ্লব’ হিসেবে অভিহিত করে। দলটির রাজনৈতিক ব্যাখ্যায়, এই দিনের মধ্য দিয়ে জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার এবং সৈনিক ও সাধারণ মানুষের ঐক্যের প্রকাশ ঘটে। তবে ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা ও এর রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে ইতিহাসবিদ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।
এ বছর দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয়ভাবে দিবসটি স্মরণ করা হবে।
নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও দিবসটি স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং ৭ নভেম্বর সম্পর্কে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার উপলক্ষ হিসেবেও দিনটি বিবেচিত হয়ে থাকে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত দিন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের পর তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দি হন। ৭ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্যে তিনি মুক্তি পান। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাসে বড় পরিবর্তন আসে এবং পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়াউর রহমানের উত্থানের পথ তৈরি হয়।
বিএনপি দিনটিকে ‘সিপাহী-জনতার বিপ্লব’ হিসেবে অভিহিত করে। দলটির রাজনৈতিক ব্যাখ্যায়, এই দিনের মধ্য দিয়ে জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার এবং সৈনিক ও সাধারণ মানুষের ঐক্যের প্রকাশ ঘটে। তবে ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা ও এর রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে ইতিহাসবিদ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।
এ বছর দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয়ভাবে দিবসটি স্মরণ করা হবে।
নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও দিবসটি স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং ৭ নভেম্বর সম্পর্কে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার উপলক্ষ হিসেবেও দিনটি বিবেচিত হয়ে থাকে।