শীতের গোধূলি ডাকে হাতের ইশারায়—
বুনো ফুলের কূট গন্ধে বুঁদ হয়ে থাকে
চরাচর,
শব্দরা এখানে নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায়
হৈমন্তিক মায়ায় জড়ানো নেশা—
পরস্পর।
আঁধারের চাদর গায়ে জড়িয়ে—
ঋতুমতী সন্ধ্যা নামে ধূসর প্রান্তরেখা
জুড়ে,
মুখোমুখি বসে আছি আতপ্ত করতল ছুঁয়ে
নক্ষত্র উঁকি দেয় আকাশের নকশিকাঁথা
ফুঁড়ে।
সেঁজুতির শিখায় স্মৃতির মোহরগুলো গুনে গুনে
পার করে দেব সারা রাত চন্দ্রতাপ রুপালি
উঠোন,
উত্তরফাল্গুনী ঘিরে জ্বলবে সন্ধ্যাতারা,
ফুরাবে না কোনো দিন আমাদের নিবিড়
বুনন।
যদি কোনো দিন আসে দুর্বিনীত বৈশাখী ঝড়
মত্ত বাতাসে ছিঁড়ে গেছে বীণার তার। অচেনা দূর
দ্বীপবাসিনী,
হয়তো একদিন কোনো ক্লান্ত সন্ধ্যায় পড়িবে মনে
গোধূলির রং। আবিরে রাঙিয়ে একান্ত অনুভবে তুমি
উদাসিনী।
বুনো ফুলের কূট গন্ধে বুঁদ হয়ে থাকে
চরাচর,
শব্দরা এখানে নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায়
হৈমন্তিক মায়ায় জড়ানো নেশা—
পরস্পর।
আঁধারের চাদর গায়ে জড়িয়ে—
ঋতুমতী সন্ধ্যা নামে ধূসর প্রান্তরেখা
জুড়ে,
মুখোমুখি বসে আছি আতপ্ত করতল ছুঁয়ে
নক্ষত্র উঁকি দেয় আকাশের নকশিকাঁথা
ফুঁড়ে।
সেঁজুতির শিখায় স্মৃতির মোহরগুলো গুনে গুনে
পার করে দেব সারা রাত চন্দ্রতাপ রুপালি
উঠোন,
উত্তরফাল্গুনী ঘিরে জ্বলবে সন্ধ্যাতারা,
ফুরাবে না কোনো দিন আমাদের নিবিড়
বুনন।
যদি কোনো দিন আসে দুর্বিনীত বৈশাখী ঝড়
মত্ত বাতাসে ছিঁড়ে গেছে বীণার তার। অচেনা দূর
দ্বীপবাসিনী,
হয়তো একদিন কোনো ক্লান্ত সন্ধ্যায় পড়িবে মনে
গোধূলির রং। আবিরে রাঙিয়ে একান্ত অনুভবে তুমি
উদাসিনী।