যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট- কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে এ ফলাফলকে।
নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন নেতা ও কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে কূটনীতি, ইউক্রেন যুদ্ধ, জলবায়ু নীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের বিষয়। খবর রয়টার্সের।
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে বলেছেন, মার্কিন রাজনীতিতে এখন এমন কিছু কণ্ঠস্বর সামনে আসছে, যাদের অবস্থান জলবায়ু ও পরিবেশ, পররাষ্ট্রনীতি এবং উন্নয়ন সহায়তার ক্ষেত্রে ইউরোপের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার মন্তব্যে ইউরোপের সঙ্গে ওয়াশিংটনের নীতিগত দূরত্ব কমার সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টেল শালডেমোসে ফলাফলকে সতর্ক আশাবাদের জায়গা হিসেবে দেখেছেন। তার মতে, এই পরিবর্তন ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন, সবুজ জ্বালানি রূপান্তর এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তার দাবি, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বের অবস্থান বরাবরই নেতিবাচক।
চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই বাবিশ বলেন, ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের ফলে ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি সময়ে অভিশংসন প্রচেষ্টা, ভেটো এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা দেখা দিতে পারে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালির সংঘাত নিরসনে তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসবেন।
বেলজিয়ামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী থিও ফ্রাঙ্কেনের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে আগামী বছরগুলোতে দেশটির সরকার পরিচালনা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে। ইউরোপের দৃষ্টিতে বাণিজ্যনীতি, ইউক্রেনকে সহায়তা এবং ন্যাটোর ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকবে।
সব মিলিয়ে ডেমোক্র্যাটদের এই জয় যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের নীতিগত অবস্থান কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর বিশ্বনেতাদের। সূত্র : রয়টার্স
ঠিকানা/এনআই
নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন নেতা ও কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে কূটনীতি, ইউক্রেন যুদ্ধ, জলবায়ু নীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের বিষয়। খবর রয়টার্সের।
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে বলেছেন, মার্কিন রাজনীতিতে এখন এমন কিছু কণ্ঠস্বর সামনে আসছে, যাদের অবস্থান জলবায়ু ও পরিবেশ, পররাষ্ট্রনীতি এবং উন্নয়ন সহায়তার ক্ষেত্রে ইউরোপের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার মন্তব্যে ইউরোপের সঙ্গে ওয়াশিংটনের নীতিগত দূরত্ব কমার সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টেল শালডেমোসে ফলাফলকে সতর্ক আশাবাদের জায়গা হিসেবে দেখেছেন। তার মতে, এই পরিবর্তন ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন, সবুজ জ্বালানি রূপান্তর এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তার দাবি, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বের অবস্থান বরাবরই নেতিবাচক।
চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই বাবিশ বলেন, ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের ফলে ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি সময়ে অভিশংসন প্রচেষ্টা, ভেটো এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা দেখা দিতে পারে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালির সংঘাত নিরসনে তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসবেন।
বেলজিয়ামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী থিও ফ্রাঙ্কেনের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে আগামী বছরগুলোতে দেশটির সরকার পরিচালনা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে। ইউরোপের দৃষ্টিতে বাণিজ্যনীতি, ইউক্রেনকে সহায়তা এবং ন্যাটোর ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকবে।
সব মিলিয়ে ডেমোক্র্যাটদের এই জয় যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের নীতিগত অবস্থান কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর বিশ্বনেতাদের। সূত্র : রয়টার্স
ঠিকানা/এনআই