সর্বসাধ্য চেষ্টা-প্রচেষ্টায়ও গার্মেন্টস সেক্টর সামলাতে পারছে না সরকার। পেরে ওঠার প্রায় সব রাস্তায় অন্ধকার নামিয়ে দেওয়া হয়েছে ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির আন্দোলনের আড়ালে পানি যা ঘোলা করার তার প্রায় পুরোটাই শেষ। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ চেষ্টায় জানবাজি রেখে নেমেছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলেও নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। কয়েক দিনের আন্দোলনে দেশীয় অস্ত্র হাতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হলেও, নাশকতার অভিযোগে বেশ কিছু পদধারী নেতাকে আটক করলেও দমানো যাচ্ছে না। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে তারা। অপেক্ষা করছে চূড়ান্ত সিগন্যালের অপেক্ষায়। শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা ও অরাজকতা অনেক দূর এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা এগোচ্ছে শক্ত হাতে। এরই মধ্যে মধ্যম মানের অনেক নেতা গোপনে দেশে ঢুকে পড়েছেন। যেভাবে গোপনে দেশ ছেড়েছিলেন, সেভাবেই তাদের গোপনে ফেরা। অস্থিরতার এ আঁচ গাজীপুর-সাভারসহ ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দেওয়ার ছক এগোচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক, পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠনেও কুলাচ্ছে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর জেরটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে, সরকারের শীর্ষমহল না ভাবলেও আওয়ামী লীগের হিতাকাঙ্ক্ষী মহল তা আগাম ভেবেছে। সেই দৃষ্টেই ছক করেছে তারা। দলটির পলাতক সাবেক কয়েক এমপি, মন্ত্রী এবং এ ঘরানার ব্যবসায়ীরা এ কাজে যাবতীয় ফুয়েল জোগাচ্ছেন। সরকারের দিক থেকে পরিস্থিতি ও শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে যেকোনো অপচেষ্টা বা অস্থিতিশীলতা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলার হুংকার দেওয়া হলেও তা পারছে না। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাকালে সহায়তা দেওয়া বিজনেস কমিউনিটি নানাভাবে পুনরায় সক্রিয়। ভোল পাল্টে তারা সমান্তরালে এ সরকারের আশীর্বাদ নিতেও সচেষ্ট।
তার ওপর ঘুরেফিরে বিশ্বরাজনীতিতে আবারও স্নায়ুযুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশবিরোধী শক্তি প্রতিদিনই নতুন নতুন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার চেষ্টা স্পষ্ট। দেশি-বিদেশি আরও কিছু আয়োজনও চলছে ব্যাপক গতিতে। অবস্থা বুঝে দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন, কেনাবেচা, বিনিময় ও স্থানান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন এবং গ্রাহকের হিসাবের মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে বলা হয়েছে, যা প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। কাজটি বাস্তবে বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার চেয়েও কঠিন।
অর্থনীতির শিরায় শক্তি যোগ করার আরেক খাত পুঁজিবাজারেও এখন পর্যন্ত ইতিবাচক কিছু করতে পারেনি সরকার। মন্দ বৃত্তেই ঘুরছে পুঁজিবাজার। সেখানে ঘুরেফিরে চলছে নিকৃষ্টতম, অযোগ্য ও অসৎদের শাসন। ভয়ংকর ও বীভৎস চরিত্রগুলোর শক্ত অবস্থান পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ধাপেই। গত ১৯ বছর যাবৎ পুঁজিবাজারের বিভিন্ন অবস্থানে থাকা পুঁজিখেকো গাছগুলোও বিনিয়োগকারীদের পুঁজি শোষণ চলছেই। এর জেরে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী শূন্য হয়ে যাচ্ছে। এ বাজারে ৮.৬২ মার্কেট পিইতেও ক্রেতা সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তালিকাভুক্ত অধিকাংশ ব্লুচিপস শেয়ারের
বাজারমূল্যও কম। ব্যাংকিং খাতের শক্ত মৌল ভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারগুলোও আন্ডার প্রাইজড। তার পরও ক্রেতা সাড়া নেই। ডিএসইতে ব্যাংকিং খাতে তালিকাভুক্ত ব্যাংক সংখ্যা ৩৬টি। এর মধ্যে অন্তত ১৬টি ব্যাংক দারুণভাবে আন্ডার প্রাইজড। ব্যাংক ২৪টির মিলিত পিই ৪.৯৮। অর্থাৎ মাত্র পাঁচ বছরে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ পুঁজি ফিরে আসবে। সাথে প্রতিবছর আকর্ষণীয় ডিভিডেন্ড প্রাপ্তির সম্ভাবনাও বেশি। ২৪ ব্যাংক তালিকায় থাকা শেয়ারগুলোর শেয়ার প্রতি আয়, এনএভিও (সম্পদ মূল্য) বিনিয়োগ ও ক্রেতা আকর্ষক। উল্লিখিত ২৪ ব্যাংকের লভ্যাংশ প্রদানের ধারাবাহিকতা আছে। তার পরও ক্রেতা নেই। রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক এমন সঙিন অবস্থার বিপরীতে সরকারের সর্বনাশ কামনায় ভবিষ্যৎ পুঁজির জন্য আড়ালে ঘটানো হচ্ছে আরও নানা ঘটনা। চব্বিশের ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের সেই ভিডিও ধারণকারী ও তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার কারিগর তাহ-সিফকে দুনিয়া থেকে 'নাই' করে দেওয়া হয়েছে।
ভিডিও ধারণকারী যে ভবিষ্যতে একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে আবির্ভূত হবেন, তা বুঝেই এটি করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ঢাকার তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সাউরি কিছু একটার 'আশঙ্কায়' ভুগছিলেন বলে পরিবারকে জানিয়েছিলেন। তাকে দেশত্যাগ করে চলে যাওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি। সূক্ষ্ম আয়োজনে ঠাকুরমার ঝুলির কিচ্ছা বানিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে দুনিয়া থেকে। স্তরে স্তরে অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার আয়োজনও বেশ এগোচ্ছে। রাজধানীর কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি নামের মার্কেটটি বন্ধ। ইস্টার্ন প্লাজার ব্যবসায়ীরাও উচ্ছেদ আশঙ্কায়। ধানমন্ডির রাপা প্লাজাও ধুঁকছে। ফার্মগেটের সেজান পয়েন্ট, মালিবাগের হোসাফ টাওয়ার, মৌচাকের ফরচুন শপিং মল, শান্তিনগরের টুইন টাওয়ারেও বন্ধের আতঙ্ক। উৎকণ্ঠায় বাড্ডার সুবাস্তু শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ীরা। টিকাটুলির রাজধানী সুপার মার্কেট, উত্তরা-আব্দুল্লাহপুরের পলওয়েল কারনেশন শপিং সেন্টার, উত্তরা ঝমঝম টাওয়ারেও বন্ধের বাতাস। দেশ পরিচালনায় সরকারকে বিপদে ফেলতে অক্টোপাসের মতো ঘিরে ফেলার এমন কঠিন সময়ে বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্ররা নিয়েছে নমুনা দেখার ভূমিকা। জামায়াতের আমির আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে বলে অনুভূতি জানিয়েছেন। তারা তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গোছাচ্ছেন। সেখানে সরকারদলীয় বাধায় তারাও ক্ষুব্ধ। জামায়াত মনে করছে, বিএনপি সরকার ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করাকে জরুরি হিসেবে নিয়েছে জামায়াত।
তার ওপর ঘুরেফিরে বিশ্বরাজনীতিতে আবারও স্নায়ুযুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশবিরোধী শক্তি প্রতিদিনই নতুন নতুন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার চেষ্টা স্পষ্ট। দেশি-বিদেশি আরও কিছু আয়োজনও চলছে ব্যাপক গতিতে। অবস্থা বুঝে দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন, কেনাবেচা, বিনিময় ও স্থানান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন এবং গ্রাহকের হিসাবের মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে বলা হয়েছে, যা প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। কাজটি বাস্তবে বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার চেয়েও কঠিন।
অর্থনীতির শিরায় শক্তি যোগ করার আরেক খাত পুঁজিবাজারেও এখন পর্যন্ত ইতিবাচক কিছু করতে পারেনি সরকার। মন্দ বৃত্তেই ঘুরছে পুঁজিবাজার। সেখানে ঘুরেফিরে চলছে নিকৃষ্টতম, অযোগ্য ও অসৎদের শাসন। ভয়ংকর ও বীভৎস চরিত্রগুলোর শক্ত অবস্থান পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ধাপেই। গত ১৯ বছর যাবৎ পুঁজিবাজারের বিভিন্ন অবস্থানে থাকা পুঁজিখেকো গাছগুলোও বিনিয়োগকারীদের পুঁজি শোষণ চলছেই। এর জেরে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী শূন্য হয়ে যাচ্ছে। এ বাজারে ৮.৬২ মার্কেট পিইতেও ক্রেতা সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তালিকাভুক্ত অধিকাংশ ব্লুচিপস শেয়ারের
বাজারমূল্যও কম। ব্যাংকিং খাতের শক্ত মৌল ভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারগুলোও আন্ডার প্রাইজড। তার পরও ক্রেতা সাড়া নেই। ডিএসইতে ব্যাংকিং খাতে তালিকাভুক্ত ব্যাংক সংখ্যা ৩৬টি। এর মধ্যে অন্তত ১৬টি ব্যাংক দারুণভাবে আন্ডার প্রাইজড। ব্যাংক ২৪টির মিলিত পিই ৪.৯৮। অর্থাৎ মাত্র পাঁচ বছরে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ পুঁজি ফিরে আসবে। সাথে প্রতিবছর আকর্ষণীয় ডিভিডেন্ড প্রাপ্তির সম্ভাবনাও বেশি। ২৪ ব্যাংক তালিকায় থাকা শেয়ারগুলোর শেয়ার প্রতি আয়, এনএভিও (সম্পদ মূল্য) বিনিয়োগ ও ক্রেতা আকর্ষক। উল্লিখিত ২৪ ব্যাংকের লভ্যাংশ প্রদানের ধারাবাহিকতা আছে। তার পরও ক্রেতা নেই। রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক এমন সঙিন অবস্থার বিপরীতে সরকারের সর্বনাশ কামনায় ভবিষ্যৎ পুঁজির জন্য আড়ালে ঘটানো হচ্ছে আরও নানা ঘটনা। চব্বিশের ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের সেই ভিডিও ধারণকারী ও তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার কারিগর তাহ-সিফকে দুনিয়া থেকে 'নাই' করে দেওয়া হয়েছে।
ভিডিও ধারণকারী যে ভবিষ্যতে একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে আবির্ভূত হবেন, তা বুঝেই এটি করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ঢাকার তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সাউরি কিছু একটার 'আশঙ্কায়' ভুগছিলেন বলে পরিবারকে জানিয়েছিলেন। তাকে দেশত্যাগ করে চলে যাওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি। সূক্ষ্ম আয়োজনে ঠাকুরমার ঝুলির কিচ্ছা বানিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে দুনিয়া থেকে। স্তরে স্তরে অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার আয়োজনও বেশ এগোচ্ছে। রাজধানীর কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি নামের মার্কেটটি বন্ধ। ইস্টার্ন প্লাজার ব্যবসায়ীরাও উচ্ছেদ আশঙ্কায়। ধানমন্ডির রাপা প্লাজাও ধুঁকছে। ফার্মগেটের সেজান পয়েন্ট, মালিবাগের হোসাফ টাওয়ার, মৌচাকের ফরচুন শপিং মল, শান্তিনগরের টুইন টাওয়ারেও বন্ধের আতঙ্ক। উৎকণ্ঠায় বাড্ডার সুবাস্তু শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ীরা। টিকাটুলির রাজধানী সুপার মার্কেট, উত্তরা-আব্দুল্লাহপুরের পলওয়েল কারনেশন শপিং সেন্টার, উত্তরা ঝমঝম টাওয়ারেও বন্ধের বাতাস। দেশ পরিচালনায় সরকারকে বিপদে ফেলতে অক্টোপাসের মতো ঘিরে ফেলার এমন কঠিন সময়ে বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্ররা নিয়েছে নমুনা দেখার ভূমিকা। জামায়াতের আমির আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে বলে অনুভূতি জানিয়েছেন। তারা তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গোছাচ্ছেন। সেখানে সরকারদলীয় বাধায় তারাও ক্ষুব্ধ। জামায়াত মনে করছে, বিএনপি সরকার ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করাকে জরুরি হিসেবে নিয়েছে জামায়াত।