অভিবাসননীতি কোন পথে

নতুন কংগ্রেসের দিকে নজর

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৮:১১ , অনলাইন ভার্সন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পূর্বাভাস আসায় ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসননীতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ বদলের এই ফল প্রশাসনের ওপর নজরদারি ও রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করছে। তবে এর অর্থ অভিবাসন অভিযান তাৎক্ষণিক বন্ধ হওয়া কিংবা বৈধতার নতুন পথ খুলে যাওয়া নয়।
৩ নভেম্বর মঙ্গলবার ভোটের পর সর্বশেষ পাওয়া ফল ও সংবাদমাধ্যমের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটরা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছেন। প্রতিনিধি পরিষদেও তাঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পূর্বাভাস দিয়েছে এনবিসি নিউজ। বিভিন্ন আসনে ভোট গণনা চলতে থাকায় দুই দলের চূড়ান্ত আসনসংখ্যা এখনো নির্ধারিত হয়নি। নতুন কংগ্রেসে এর মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণাধীন দুই কক্ষের বাধা তৈরি হতে যাচ্ছে। 
অভিবাসন প্রশ্নে এই পরিবর্তনের বড় প্রভাব পড়তে পারে প্রশাসনের জবাবদিহির ক্ষেত্রে। নির্বাচনের আগে ডেমোক্র্যাট নেতারা অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিয়ে শুনানি ও তদন্তের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে তাঁরা সংশ্লিষ্ট কমিটির নেতৃত্ব ও শুনানির আলোচ্যসূচি নির্ধারণের সুযোগ পাবেন। ফলে অভিবাসন অভিযান, আটককেন্দ্রের পরিস্থিতি এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইসের কার্যক্রম আরও কঠোর পর্যালোচনার মুখে পড়তে পারে। এটি সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব; এখনো কার্যকর হওয়া কোনো নতুন নীতি নয়। 
অর্থায়নও গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা অভিবাসন আইন প্রয়োগে জবাবদিহি ও কার্যক্রমের ওপর শর্ত আরোপের দাবি তুলেছেন। তবে আইস ও সীমান্তরক্ষী সংস্থার জন্য আগে থেকেই একাধিক বছরের অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা থাকায় কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বদলালেই অভিযানের অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যাবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। নতুন সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভবিষ্যৎ বরাদ্দ ও সংশ্লিষ্ট আইন নিয়ে চাপ তৈরি করতে পারলেও বিদ্যমান অর্থায়ন বদলাতে পৃথক আইনি পদক্ষেপ প্রয়োজন হবে। 
বাংলাদেশিসহ অভিবাসী পরিবারগুলোর কাছে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, এই নির্বাচন বৈধতার নতুন পথ, পারিবারিক অভিবাসনে সুবিধা কিংবা দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে কি না। ক্ষমতার ভারসাম্য বদল এসব বিষয়ে প্রস্তাব ও আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ বাড়াতে পারে। কিন্তু কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও প্রেসিডেন্টের ভেটোর ক্ষমতা বহাল থাকবে। ফলে বড় ধরনের পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন হবে; শুধু নির্বাচনের ফলেই তা নিশ্চিত হচ্ছে না। 
সময়ও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেবে ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি। তার আগে বর্তমান কংগ্রেসই দায়িত্বে থাকবে। নির্বাচনের ফল নিজে থেকে কোনো ব্যক্তির চলমান গ্রিনকার্ড, ভিসা বা নাগরিকত্বের আবেদনের নিয়ম কিংবা নিষ্পত্তির সময় বদলে দেয় না। 
অভিবাসীদের নজর তাই এখন বিজয়ী নেতাদের পরবর্তী পদক্ষেপে। শুনানি ও তদন্তের ঘোষণা কতটা বাস্তবায়িত হয়, অর্থায়নের সঙ্গে কী শর্ত যুক্ত করার চেষ্টা হয় এবং অভিবাসন সংস্কারের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আসে কি না—এসবের মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হবে নতুন কংগ্রেস অভিবাসননীতিকে কোন পথে নিতে চায়।
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]