বাজারের বিল, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা আর জ্বালানির খরচ, সংসার চালানোর চাপ এবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্তের বড় কারণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনী রাতে প্রকাশিত প্রাথমিক ভোটার জরিপে প্রায় প্রতি ১০ জনে ৯ জন জানিয়েছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় তাঁদের ভোটের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অথবা বড় বিবেচ্য বিষয় ছিল। উচ্চমূল্যের জন্য প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করেছেন। এসব তথ্য ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের জন্য অর্থনৈতিক অসন্তোষের চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এবিসি নিউজের প্রাথমিক ভোটার জরিপ অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে ভোট দেওয়া প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভোটার দেশের অর্থনীতিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন। এক-তৃতীয়াংশের বেশি অর্থনীতির অবস্থা খারাপ বলেছেন। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি দুই বছর আগের তুলনায় ভালো হয়েছে—এমন ভোটারের দ্বিগুণের বেশি জানিয়েছেন, তাঁদের পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। প্রায় ৮০ শতাংশ বলেছেন, মূল্যস্ফীতি তাঁদের পরিবারকে আর্থিক দুর্ভোগে ফেলেছে; প্রায় ২০ শতাংশ সেই দুর্ভোগকে তীব্র বলে উল্লেখ করেছেন।
অসন্তোষ শুধু মুদি দোকানের খরচে সীমাবদ্ধ নেই। প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার পেট্রল ও ডিজেল, স্বাস্থ্যসেবা এবং খাদ্যপণ্যের ব্যয় নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। অর্ধেকের বেশি একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়েছেন বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ পরিষেবা বিল নিয়ে। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের মতে, ট্রাম্পের শুল্কনীতি জাতীয় অর্থনীতি ও তাঁদের এলাকার অর্থনীতির ক্ষতি করেছে।
ভোটের আগেও এই চাপের স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল। নির্বাচনের দিন প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসোস জরিপে ৪৮ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার জীবনযাত্রার ব্যয়কে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রধান বিষয় বলেছিলেন। গণতান্ত্রিক রীতিনীতিকে প্রধান বিবেচনা জানিয়েছিলেন ২৬ শতাংশ এবং অভিবাসনকে ১৩ শতাংশ। একই জরিপে ৪৯ শতাংশ আমেরিকান জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর তাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে; উন্নতি হয়েছে বলেন মাত্র ১৩ শতাংশ। এটি ছিল নির্বাচন-পূর্ব জরিপ, বুথফেরত জরিপ নয়।
নির্বাচন-পূর্ব জরিপের ৪৮ শতাংশ এবং নির্বাচনী রাতের প্রায় ৯০ শতাংশকে সরাসরি তুলনা করা যাবে না। প্রথমটিতে জানতে চাওয়া হয়েছিল ভোটের সিদ্ধান্তে প্রধান বিষয় কোনটি; দ্বিতীয়টিতে জীবনযাত্রার ব্যয় কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রশ্নের ধরন ও অংশগ্রহণকারী গোষ্ঠী আলাদা হওয়ায় এই ব্যবধানকে উদ্বেগের আকস্মিক বৃদ্ধি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
অর্থনৈতিক ক্ষোভের সঙ্গে দেশের গতিপথ নিয়ে অসন্তোষও যুক্ত হয়েছে। রয়টার্সের নির্বাচনী রাতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভোটার দেশের চলার দিক নিয়ে ক্ষুব্ধ অথবা অসন্তুষ্ট। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারের ধারণা, শুল্কনীতি ও ইরান যুদ্ধসহ ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। তবে এগুলো ভোটারদের মূল্যায়ন; কোনো নির্দিষ্ট নীতির অর্থনৈতিক প্রভাবের স্বতন্ত্র পরিমাপ নয়।
প্রাথমিক তথ্য তাই আগের চেয়ে স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে, সংসার চালানোর সামর্থ্য এবারের ভোটে বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে অর্থনৈতিক অসন্তোষের কতটা ডেমোক্র্যাটদের ভোটে পরিণত হয়েছে এবং কতটি আসনের ফল বদলেছে, তা নির্ধারণে পূর্ণাঙ্গ ফল ও চূড়ান্ত ভোটার জরিপ প্রয়োজন। নির্বাচনী রাতের প্রাথমিক জরিপকে চূড়ান্ত ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এবিসি নিউজের প্রাথমিক ভোটার জরিপ অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে ভোট দেওয়া প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভোটার দেশের অর্থনীতিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন। এক-তৃতীয়াংশের বেশি অর্থনীতির অবস্থা খারাপ বলেছেন। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি দুই বছর আগের তুলনায় ভালো হয়েছে—এমন ভোটারের দ্বিগুণের বেশি জানিয়েছেন, তাঁদের পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। প্রায় ৮০ শতাংশ বলেছেন, মূল্যস্ফীতি তাঁদের পরিবারকে আর্থিক দুর্ভোগে ফেলেছে; প্রায় ২০ শতাংশ সেই দুর্ভোগকে তীব্র বলে উল্লেখ করেছেন।
অসন্তোষ শুধু মুদি দোকানের খরচে সীমাবদ্ধ নেই। প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার পেট্রল ও ডিজেল, স্বাস্থ্যসেবা এবং খাদ্যপণ্যের ব্যয় নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। অর্ধেকের বেশি একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়েছেন বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ পরিষেবা বিল নিয়ে। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের মতে, ট্রাম্পের শুল্কনীতি জাতীয় অর্থনীতি ও তাঁদের এলাকার অর্থনীতির ক্ষতি করেছে।
ভোটের আগেও এই চাপের স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল। নির্বাচনের দিন প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসোস জরিপে ৪৮ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার জীবনযাত্রার ব্যয়কে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রধান বিষয় বলেছিলেন। গণতান্ত্রিক রীতিনীতিকে প্রধান বিবেচনা জানিয়েছিলেন ২৬ শতাংশ এবং অভিবাসনকে ১৩ শতাংশ। একই জরিপে ৪৯ শতাংশ আমেরিকান জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর তাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে; উন্নতি হয়েছে বলেন মাত্র ১৩ শতাংশ। এটি ছিল নির্বাচন-পূর্ব জরিপ, বুথফেরত জরিপ নয়।
নির্বাচন-পূর্ব জরিপের ৪৮ শতাংশ এবং নির্বাচনী রাতের প্রায় ৯০ শতাংশকে সরাসরি তুলনা করা যাবে না। প্রথমটিতে জানতে চাওয়া হয়েছিল ভোটের সিদ্ধান্তে প্রধান বিষয় কোনটি; দ্বিতীয়টিতে জীবনযাত্রার ব্যয় কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রশ্নের ধরন ও অংশগ্রহণকারী গোষ্ঠী আলাদা হওয়ায় এই ব্যবধানকে উদ্বেগের আকস্মিক বৃদ্ধি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
অর্থনৈতিক ক্ষোভের সঙ্গে দেশের গতিপথ নিয়ে অসন্তোষও যুক্ত হয়েছে। রয়টার্সের নির্বাচনী রাতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভোটার দেশের চলার দিক নিয়ে ক্ষুব্ধ অথবা অসন্তুষ্ট। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারের ধারণা, শুল্কনীতি ও ইরান যুদ্ধসহ ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। তবে এগুলো ভোটারদের মূল্যায়ন; কোনো নির্দিষ্ট নীতির অর্থনৈতিক প্রভাবের স্বতন্ত্র পরিমাপ নয়।
প্রাথমিক তথ্য তাই আগের চেয়ে স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে, সংসার চালানোর সামর্থ্য এবারের ভোটে বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে অর্থনৈতিক অসন্তোষের কতটা ডেমোক্র্যাটদের ভোটে পরিণত হয়েছে এবং কতটি আসনের ফল বদলেছে, তা নির্ধারণে পূর্ণাঙ্গ ফল ও চূড়ান্ত ভোটার জরিপ প্রয়োজন। নির্বাচনী রাতের প্রাথমিক জরিপকে চূড়ান্ত ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।