যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হয়ে ইতিহাস গড়ার পথে এগোচ্ছেন নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। আগামী জানুয়ারিতে স্পিকার নির্বাচিত হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে তাঁর প্রশাসনকে জবাবদিহির মুখে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন তিনি। তবে স্পিকার পদে তাঁর নির্বাচন এখনো নিশ্চিত নয়।
সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেফ্রিসের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ নিজ দলের ঐক্য ধরে রাখা। নবনির্বাচিত প্রগতিশীল সদস্যদের একাংশ বর্তমান নেতৃত্বের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তুষ্ট। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের অনেকেই দ্রুত ও বড় পরিবর্তনের বিষয়ে সতর্ক।
জেফ্রিসের ঘনিষ্ঠদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর অগ্রাধিকারে থাকবে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বড় করপোরেশনগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের জন্য কঠোর নৈতিক বিধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নিতে চান তিনি।
একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে কংগ্রেসের নজরদারি জোরদারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ডেমোক্র্যাটরা। তবে প্রতিনিধি পরিষদে উদ্যোগ পাস করলেও প্রেসিডেন্টের বিরোধিতা ও ভেটোর কারণে তা আইনে পরিণত করা কঠিন হতে পারে।
২০১৩ সালে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া ব্রুকলিনের এই সাবেক আইনজীবী ধাপে ধাপে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে এসেছেন। ট্রাম্পের প্রথম অভিশংসন বিচারে তাঁর ভূমিকা জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি বাড়ায়।
এখন জেফ্রিসকে একদিকে পরিবর্তনপ্রত্যাশী ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে, অন্যদিকে এমন রাজনৈতিক পদক্ষেপ এড়াতে হবে, যা পরবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
ঠিকানা/এএস
সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেফ্রিসের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ নিজ দলের ঐক্য ধরে রাখা। নবনির্বাচিত প্রগতিশীল সদস্যদের একাংশ বর্তমান নেতৃত্বের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তুষ্ট। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের অনেকেই দ্রুত ও বড় পরিবর্তনের বিষয়ে সতর্ক।
জেফ্রিসের ঘনিষ্ঠদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর অগ্রাধিকারে থাকবে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বড় করপোরেশনগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের জন্য কঠোর নৈতিক বিধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নিতে চান তিনি।
একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে কংগ্রেসের নজরদারি জোরদারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ডেমোক্র্যাটরা। তবে প্রতিনিধি পরিষদে উদ্যোগ পাস করলেও প্রেসিডেন্টের বিরোধিতা ও ভেটোর কারণে তা আইনে পরিণত করা কঠিন হতে পারে।
২০১৩ সালে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া ব্রুকলিনের এই সাবেক আইনজীবী ধাপে ধাপে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে এসেছেন। ট্রাম্পের প্রথম অভিশংসন বিচারে তাঁর ভূমিকা জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি বাড়ায়।
এখন জেফ্রিসকে একদিকে পরিবর্তনপ্রত্যাশী ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে, অন্যদিকে এমন রাজনৈতিক পদক্ষেপ এড়াতে হবে, যা পরবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
ঠিকানা/এএস