নিউইয়র্ক সিটি ম্যারাথনে অংশ নিয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী এক তরুণী। রোববার (১ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত ম্যারাথনে ফিনিশিং লাইন থেকে মাত্র দুই মাইল দূরে ম্যানহাটনের সেন্ট্রাল পার্কে হঠাৎ লুটিয়ে পড়েন র্যাচেল আপা। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও প্রায় ছয় ঘণ্টার চিকিৎসাচেষ্টার পর রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পেনসিলভানিয়ার লুইসবেরির বাসিন্দা র্যাচেল ছিলেন বাকনেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ফিল্ড হকি খেলোয়াড়। পারকিনসন রোগে আক্রান্ত হয়ে ২০২২ সালে মারা যাওয়া দাদার স্মরণে এবং এই রোগের গবেষণায় অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি ম্যারাথনে অংশ নেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে জানা যায়, দুপুর দেড়টার দিকে ম্যারাথনের প্রায় ২৪তম মাইলে র্যাচেল অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই চিকিৎসক তাঁকে সিপিআর দেন। পরে ম্যারাথনের চিকিৎসাকর্মীরা ডিফিব্রিলেটর ব্যবহার করে তাঁকে মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে পাঠান।
র্যাচেলের বাবা স্টিভ আপা জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে ‘র্যাবডোমায়োলাইসিস’ নামের গুরুতর শারীরিক জটিলতায়। এতে পেশির কোষ দ্রুত ভেঙে ক্ষতিকর উপাদান রক্তে মিশে যায়। তবে মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
ম্যারাথন চলাকালে বাবার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন র্যাচেল। ১৮তম মাইল অতিক্রমের পর তিনি শারীরিক ব্যথার কথা জানান। ২৩তম মাইলে পৌঁছানোর পরও বাবাকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। সেটিই ছিল তাঁর শেষ যোগাযোগ।
অন্যদিকে মা মিশেল আপা কুইন্সে ১৪তম মাইল অতিক্রমের সময় হাস্যোজ্জ্বল মেয়ের ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেন্ট্রাল পার্কে মেয়ের দৌড় শেষ করার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু ট্র্যাকিং অ্যাপে মেয়ের অবস্থান স্থির দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
র্যাচেল একটি প্রতিষ্ঠানে প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং এমবিএ অধ্যয়ন করছিলেন। পারকিনসনস ফাউন্ডেশনের জন্য তাঁর অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগে মৃত্যুর পর ব্যাপক সাড়া পড়ে।
নিউইয়র্ক রোড রানার্স র্যাচেলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের পর নিউইয়র্ক সিটি ম্যারাথনে কোনো অংশগ্রহণকারীর এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই ম্যারাথনে এবার ৬১ হাজারের বেশি দৌড়বিদ ২৬ দশমিক ২ মাইল পথ অতিক্রম করেছেন। কিন্তু ফিনিশিং লাইন থেকে মাত্র দুই মাইল দূরেই থেমে গেল র্যাচেল আপার জীবন।
ঠিকানা/এসআর
পেনসিলভানিয়ার লুইসবেরির বাসিন্দা র্যাচেল ছিলেন বাকনেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ফিল্ড হকি খেলোয়াড়। পারকিনসন রোগে আক্রান্ত হয়ে ২০২২ সালে মারা যাওয়া দাদার স্মরণে এবং এই রোগের গবেষণায় অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি ম্যারাথনে অংশ নেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে জানা যায়, দুপুর দেড়টার দিকে ম্যারাথনের প্রায় ২৪তম মাইলে র্যাচেল অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই চিকিৎসক তাঁকে সিপিআর দেন। পরে ম্যারাথনের চিকিৎসাকর্মীরা ডিফিব্রিলেটর ব্যবহার করে তাঁকে মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে পাঠান।
র্যাচেলের বাবা স্টিভ আপা জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে ‘র্যাবডোমায়োলাইসিস’ নামের গুরুতর শারীরিক জটিলতায়। এতে পেশির কোষ দ্রুত ভেঙে ক্ষতিকর উপাদান রক্তে মিশে যায়। তবে মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
ম্যারাথন চলাকালে বাবার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন র্যাচেল। ১৮তম মাইল অতিক্রমের পর তিনি শারীরিক ব্যথার কথা জানান। ২৩তম মাইলে পৌঁছানোর পরও বাবাকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। সেটিই ছিল তাঁর শেষ যোগাযোগ।
অন্যদিকে মা মিশেল আপা কুইন্সে ১৪তম মাইল অতিক্রমের সময় হাস্যোজ্জ্বল মেয়ের ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেন্ট্রাল পার্কে মেয়ের দৌড় শেষ করার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু ট্র্যাকিং অ্যাপে মেয়ের অবস্থান স্থির দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
র্যাচেল একটি প্রতিষ্ঠানে প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং এমবিএ অধ্যয়ন করছিলেন। পারকিনসনস ফাউন্ডেশনের জন্য তাঁর অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগে মৃত্যুর পর ব্যাপক সাড়া পড়ে।
নিউইয়র্ক রোড রানার্স র্যাচেলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের পর নিউইয়র্ক সিটি ম্যারাথনে কোনো অংশগ্রহণকারীর এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই ম্যারাথনে এবার ৬১ হাজারের বেশি দৌড়বিদ ২৬ দশমিক ২ মাইল পথ অতিক্রম করেছেন। কিন্তু ফিনিশিং লাইন থেকে মাত্র দুই মাইল দূরেই থেমে গেল র্যাচেল আপার জীবন।
ঠিকানা/এসআর